বিরাট কোহলির সঙ্গে যেন রেকর্ড ভাঙা গড়ার খেলায় মেতেছেন বাবর আজম। কোনো না কোনো রেকর্ডে প্রায়ই কোহলিকে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন বাবর। এবার এক রেকর্ডে ভারতীয় এই ব্যাটারের চেয়ে বেশ এগিয়ে গেছেন বাবর।
করাচিতে গতকাল পঞ্চম ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয় পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড। এই ম্যাচ ছিল বাবরের ১০০ তম ওয়ানডে। এই ম্যাচে ৫ বলে ১ রান করেন পাকিস্তান অধিনায়ক। ১০০ ওয়ানডে শেষে পাকিস্তানি এই ব্যাটারের রান ৫০৮৯, যা এই সংস্করণে ম্যাচের ‘সেঞ্চুরি’ পূর্ণ করা ব্যাটারদের মধ্যে শীর্ষে। এই তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছেন হাশিম আমলা ও শিখর ধাওয়ান। ১০০ ওয়ানডে শেষে আমলা ও ধাওয়ান করেন ৪৮০৮ রান ও ৪৩০৯ রান। এই তালিকায় ৯ নম্বরে কোহলি। ওয়ানডেতে ১০০ ম্যাচ শেষে ভারতীয় এই ব্যাটারের রান ছিল ৪১০৭।
এর আগে করাচিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চতুর্থ ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করেন বাবর। ১১৭ বলে ১০৭ রান করেন, যা তাঁর ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৮ তম সেঞ্চুরি। এই ইনিংস খেলার পথে ওয়ানডেতে দ্রুততম ৫০০০ রানের রেকর্ড নিজের করে নেন। ৯৭ ইনিংসে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
প্রথম ১০০ ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রান করা ব্যাটার:
বাবর আজম (পাকিস্তান) : ৫০৮৯ রান
হাশিম আমলা (দক্ষিণ আফ্রিকা) : ৪৮০৮ রান
শিখর ধাওয়ান (ভারত) : ৪৩০৯ রান
ডেভিড ওয়ার্নার (অস্ট্রেলিয়া) : ৪২১৭ রান
শাই হোপ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) : ৪১৯৩ রান
গর্ডন গ্রিনিজ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) : ৪১৭৭ রান
জো রুট (ইংল্যান্ড) : ৪১৬৪ রান
ভিভ রিচার্ডস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) : ৪১৪৬ রান
বিরাট কোহলি (ভারত) : ৪১০৭ রান

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
১৯ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে