নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরু থেকে তাঁদের চারজনেরও বন্ধুত্বের শুরু। দুজন পেস বোলার, একজন স্পিনার, অন্যজন ছিলেন মারকুটে ব্যাটার। বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে কয়েক বছর একসঙ্গে খেলেছেন তাঁরা। এখন পেশাগত দিক থেকে আলাদা হলেও বন্ধুত্বের বন্ধন রয়েছে আগের মতোই অটুট।
অনেক দিন পর আজ আবারও একসঙ্গে দেখা গেছে চারজনকে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) সুবাদে একত্র হয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা, আবদুর রাজ্জাক, আফতাব আহমেদ ও নাজমুল হোসেন। বাউন্ডারি লাইনের বাইরে বসে আড্ডায় মজেছেন তাঁরা।
দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সফলতম অধিনায়ক মাশরাফি সংসদ সদস্য। খেলার মাঠের চেয়ে রাজনীতির মাঠেই বেশি ব্যস্ত থাকতে হয় তাঁকে। অবসরের পর রাজ্জাক হয়েছেন জাতীয় দলের নির্বাচক। আর আফতাব-নাজমুল জড়িয়েছেন কোচিংয়ে।
২০০০ সালে মাশরাফি-রাজ্জাক-আফতাব-নাজমুলের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। প্রায় এক দশক একসঙ্গে খেলেছেন বাংলাদেশ দলে। ২০১১-১২ মৌসুম শেষে পেশাদার ক্রিকেটকে বিদায় বলেন আফতাব ও নাজমুল। কিন্তু পায়ে সাত-সাতবার অস্ত্রোপচার করিয়েও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট চালিয়ে যান মাশরাফি। বোলিং অ্যাকশন শুধরে ফেরেন রাজ্জাকও।
২০২০ সালে ওয়ানডের নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার পর মাশরাফিকে আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেখা যায়নি। এ নিয়ে কোনো ভাবনা না থাকলেও আরও কয়েক বছর ক্রিকেট চালিয়ে যান তিনি।
৩৮ বছর বয়সী ম্যাশ এবারের ডিপিএলে নাম লিখিয়েছেন রূপগঞ্জ টাইগার্সে। এই দলেরই কোচ তাঁর দুই বন্ধু আফতাব ও নাজমুল। আর রাজ্জাক এসেছেন খেলোয়াড় নির্বাচনের কাজে।
বন্ধুত্বের মাঝে পেশাদারির ছাপ তুলে ধরে কদিন আগে ফেসবুকে মাশরাফি লিখেছিলেন, ‘সম্পর্কগুলো একই আছে, একে-অপরের প্রতি সম্মান আগের মতোই অটুট, কাজের ধরন হয়তো বদলেছে, কিন্তু জায়গাটা সেই একই—ভালোবাসার ২২ গজ। তোরা বন্ধু, ছোট ভাই থেকে এখন আমার কোচ। আমি কিন্তু দারুণ উপভোগ করছি, আশা করি তোরাও।’
মাশরাফির মতো একই গল্প শুনিয়েছেন আফতাব আহমেদও। আজকের পত্রিকাকে আজ রূপগঞ্জের এই কোচ বলেছেন, ‘২০০০ সাল থেকে আমরা বন্ধু। ৪-৫ বছর পর একসঙ্গে জাতীয় দলেও খেলেছি। এখন আমি কোচ আর মাশরাফি আমার দলের খেলোয়াড়। আসলে বন্ধুত্বটা মধুর হওয়াতে কাজ করতে বেশ ভালো লাগে। নিজেদের মাঝে ভালো বোঝাপড়া আছে। সে এত চোট-সার্জারি নিয়েও যেভাবে খেলে চলেছে, তা আমাকে মুগ্ধ করে।’

ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরু থেকে তাঁদের চারজনেরও বন্ধুত্বের শুরু। দুজন পেস বোলার, একজন স্পিনার, অন্যজন ছিলেন মারকুটে ব্যাটার। বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে কয়েক বছর একসঙ্গে খেলেছেন তাঁরা। এখন পেশাগত দিক থেকে আলাদা হলেও বন্ধুত্বের বন্ধন রয়েছে আগের মতোই অটুট।
অনেক দিন পর আজ আবারও একসঙ্গে দেখা গেছে চারজনকে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) সুবাদে একত্র হয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা, আবদুর রাজ্জাক, আফতাব আহমেদ ও নাজমুল হোসেন। বাউন্ডারি লাইনের বাইরে বসে আড্ডায় মজেছেন তাঁরা।
দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সফলতম অধিনায়ক মাশরাফি সংসদ সদস্য। খেলার মাঠের চেয়ে রাজনীতির মাঠেই বেশি ব্যস্ত থাকতে হয় তাঁকে। অবসরের পর রাজ্জাক হয়েছেন জাতীয় দলের নির্বাচক। আর আফতাব-নাজমুল জড়িয়েছেন কোচিংয়ে।
২০০০ সালে মাশরাফি-রাজ্জাক-আফতাব-নাজমুলের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। প্রায় এক দশক একসঙ্গে খেলেছেন বাংলাদেশ দলে। ২০১১-১২ মৌসুম শেষে পেশাদার ক্রিকেটকে বিদায় বলেন আফতাব ও নাজমুল। কিন্তু পায়ে সাত-সাতবার অস্ত্রোপচার করিয়েও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট চালিয়ে যান মাশরাফি। বোলিং অ্যাকশন শুধরে ফেরেন রাজ্জাকও।
২০২০ সালে ওয়ানডের নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার পর মাশরাফিকে আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেখা যায়নি। এ নিয়ে কোনো ভাবনা না থাকলেও আরও কয়েক বছর ক্রিকেট চালিয়ে যান তিনি।
৩৮ বছর বয়সী ম্যাশ এবারের ডিপিএলে নাম লিখিয়েছেন রূপগঞ্জ টাইগার্সে। এই দলেরই কোচ তাঁর দুই বন্ধু আফতাব ও নাজমুল। আর রাজ্জাক এসেছেন খেলোয়াড় নির্বাচনের কাজে।
বন্ধুত্বের মাঝে পেশাদারির ছাপ তুলে ধরে কদিন আগে ফেসবুকে মাশরাফি লিখেছিলেন, ‘সম্পর্কগুলো একই আছে, একে-অপরের প্রতি সম্মান আগের মতোই অটুট, কাজের ধরন হয়তো বদলেছে, কিন্তু জায়গাটা সেই একই—ভালোবাসার ২২ গজ। তোরা বন্ধু, ছোট ভাই থেকে এখন আমার কোচ। আমি কিন্তু দারুণ উপভোগ করছি, আশা করি তোরাও।’
মাশরাফির মতো একই গল্প শুনিয়েছেন আফতাব আহমেদও। আজকের পত্রিকাকে আজ রূপগঞ্জের এই কোচ বলেছেন, ‘২০০০ সাল থেকে আমরা বন্ধু। ৪-৫ বছর পর একসঙ্গে জাতীয় দলেও খেলেছি। এখন আমি কোচ আর মাশরাফি আমার দলের খেলোয়াড়। আসলে বন্ধুত্বটা মধুর হওয়াতে কাজ করতে বেশ ভালো লাগে। নিজেদের মাঝে ভালো বোঝাপড়া আছে। সে এত চোট-সার্জারি নিয়েও যেভাবে খেলে চলেছে, তা আমাকে মুগ্ধ করে।’

দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি কেবল এক মাস। আইসিসির এই ইভেন্ট সামনে রেখে দলগুলো প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। কেউ চূড়ান্ত দল, কেউবা আবার প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে। একঝাঁক স্পিনার নিয়ে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া।
২৩ মিনিট আগে
নতুন বছরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততা শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত-শ্রীলঙ্কায় হবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আইসিসির ইভেন্ট শেষে বাংলাদেশ সফর করবে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। এরপর জুলাই থেকে আগস্ট জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্য
৪৪ মিনিট আগে
নতুন বছরের প্রথম দিনই মাঠে নামছে রিশাদ হোসেনের দল হোবার্ট হারিকেনস। বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ১৫ মিনিটে হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে শুরু হবে হোবার্ট হারিকেনস-পার্থ স্কর্চার্স ম্যাচ। এখন মেলবোর্নের ডকল্যান্ডস স্টেডিয়ামে চলছে বিগ ব্যাশের মেলবোর্ন রেনেগেডস-সিডনি সিক্সার্স ম্যাচ।
২ ঘণ্টা আগেনতুন বছরে সবার চোখ থাকবে ফিফা বিশ্বকাপে। তবে এই বৈশ্বিক ফুটবলযজ্ঞের বছরে রয়েছে ছেলেদের ও মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ । ফুটবলে আছে মেয়েদের এশিয়ান কাপ এবং অনূর্ধ্ব -২০ মেয়েদের এশিয়ান কাপও । ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দর্শক হলেও এসব বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে খেলছে বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে