ছিলেন ক্রিকেটার। হয়েছেন প্রতারক। তাকে বিশ্বাস করে ঠকতে হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটার ঋষভ পন্তকেও। ভারতীয় ক্রিকেটারের ১.৬ কোটি রুপি বা ২ কোটি টাকা প্রতারণা করে হাতিয়েও নিয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে আটকা পড়েছেন ২৫ বছর বয়সী মৃণাঙ্ক সিং।
হরিয়ানা রাজ্যের হয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট খেলেছেন মৃণাঙ্ক। নিজেকে দাবি করতেন আইপিএল দল মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের একজন ক্রিকেটার হিসেবেও। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মুম্বাইয়ের দলে ছিলেন মৃণাঙ্ক। একজন ক্রিকেটার হিসেবেই প্রতারণার জাল ছড়ান মৃণাঙ্ক। ধনী ও সুন্দরী নারী নিয়ে ছবি তোলা, দামি পাঁচ তারকা হোটেলে যাতায়াতের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করতেন। তাতে প্রভাবিত হয়ে ঠকতে হয়েছে পন্তকেও।
২০২১ পন্তের কাছে নিজেকে একজন ব্যবসায়ী দাবি করেছিলেন মৃণাঙ্ক। বলেছিলেন, দামি ঘড়ি এবং গয়না বেচাকেনার ব্যবসা আছে তার। বিশ্বাস করে নিজের একটি দামি ঘড়ি বিক্রির জন্য মৃণাঙ্ককে দিয়েছিলেন পন্ত। বিনিময়ে ১.৬ কোটি রুপির একটি ভুয়া চেক পন্তকে দেন প্রতারক মৃণাঙ্ক। চেক ‘বাউন্স’ হওয়ায় পুলিশকে অভিযোগ করেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার পন্ত।
মৃণাঙ্কের নামে অভিযোগ আছে অসংখ্য। মডেলদের নিয়ে দামি হোটেলে পার্টি করতেন কিন্তু কখনোই বিল পরিশোধ করতেন না। দিল্লি পুলিশের কর্মকর্তা রবিকান্ত কুমার বলেছেন, ‘২০২২ সালে তাজ প্যালেস হোটেলে গিয়ে মৃণাঙ্ক বলেছিলেন, তিনি একজন নামী ক্রিকেটার এবং আইপিএলে খেলেছেন। সেখানে এক সপ্তাহের বিল ৫.৬ লাখ টাকা পরিশোধ করেননি তিনি। নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং কার্ডের তথ্যও দিয়েছিলেন ভুয়া।’
মূলত এরপর থেকেই মৃণাঙ্কের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে দিল্লি পুলিশ। বান্ধবী নিয়ে হংকংয়ে যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে তাকে গ্রেপ্তার করেন বিমান বন্দরের অভিবাসন কর্মকর্তারা। নিজেকে পুলিশ কর্মকর্তা দাবি করেও শেষ পর্যন্ত অবশ্য রক্ষা পাননি মৃণাঙ্ক।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৪ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে