জসপ্রীত বুমরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে দীর্ঘদিন। পিঠের চোট বেশ ভোগাচ্ছে বুমরাকে। আর বিশ্বকাপের সময়ও এগিয়ে আসছে। ভারতীয় এই পেসারকে বিশ্বকাপের দলে নেওয়ার জন্য চলছে বেশ আলাপ-আলোচনা। এখানেই পাকিস্তানের এক ভুলের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন রবি শাস্ত্রী।
২০২২ সালে শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়ে চোটে পড়েন শাহিন শাহ আফ্রিদি। জুলাইয়ে গল টেস্টে ডাইভ দিতে গিয়ে ডান হাঁটুর লিগামেন্ট ছিড়ে যায় শাহিনের। এরপর তিন মাস বিরতির পর অক্টোবরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ায় এই বিশ্বকাপের ফাইনালে আবারও চোটে পড়েন। হ্যারি ব্রুকের ক্যাচ লং অফে পিছলে ধরতে গিয়ে যন্ত্রণায় কাতড়াতে থাকেন শাহিন। ফাইনালের বাকি অংশটুকু তো খেলতেই পারেননি, এমনকি চার মাস ক্রিকেটের বাইরে থাকতে হয়েছে পাকিস্তানের এই বাঁহাতি পেসারকে।
অন্যদিকে গত এক বছরে বুমরাকে ছাড়াই ভারত খেলেছে এশিয়া কাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। এই তিনটিতেই ভারত হেরেছে। মাঝে তাঁর ফেরার কথা শোনা গেলেও পুনর্বাসনে পাঠানো হয়। বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে তাঁকে পেতে চাইছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ভারতীয় এই পেসারকে নিয়ে শাহিনের মতো ভুল না করার পরামর্শ দিয়েছেন শাস্ত্রী, ‘সে (বুমরা) খুব গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। তবে তাকে যদি বিশ্বকাপের জন্য তড়িঘড়ি করে আনা হয়, তাহলে এরপর চার মাস তাঁকে পাওয়া না-ও যেতে পারে। শাহিন আফ্রিদির সঙ্গেও তেমনটা হয়েছিল। এই ব্যাপারটা একটু ভেবে দেখা উচিত।’
২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ হবে ভারতে। ৫ অক্টোবর শুরু হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপের ফাইনাল ১৯ নভেম্বর। গত বিশ্বকাপের মতোই হবে এবারের বিশ্বকাপ। ১০ দলের বিশ্বকাপে ম্যাচ হবে ৪৮টি। কমপক্ষে ভারতের ১২টি স্টেডিয়ামে ম্যাচগুলো হবে। ২৭ জুন সূচি চূড়ান্ত হতে পারে বলে জানিয়েছে আইসিসি।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১৯ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে