মাঠে ফেরাটা কী দুর্দান্তভাবেই রাঙাচ্ছেন ঋষভ পন্ত। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে রান সংগ্রাহকের তালিকায় শীর্ষ তিনে জায়গা করে নিয়েছেন। চোট যে তাঁর পারফরম্যান্সে বাধা হতে পারেনি, তার প্রমাণ ৯ ম্যাচে ৩৪২ রান।
পন্তের এমন পারফরম্যান্স দেখে কে বলবে ১৫ মাস মাঠের বাইরে ছিলেন ভারতীয় উইকেটরক্ষক ব্যাটার? ঘরের মাঠ দিল্লিতে গতকালও অপরাজিত ৮৮ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেললেন পন্ত। তাঁর এই ইনিংসের সৌজন্যেই দল হারতে হারতেও ৪ রানের জয় পেয়েছে। গুজরাট টাইটানসের হয়ে ঝোড়ো ইনিংসের সঙ্গে উইকেটের পেছনে ২ ক্যাচ নেওয়ায় ম্যাচ-সেরার পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।
গতকাল এবারের আইপিএলে তৃতীয় ফিফটি পাওয়ার ম্যাচে ৪৩ বলে ৮৮ রানের অনবদ্য ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৫ চার ও ৮ ছক্কায়। মাঠের চারদিকে বল আঁচড়ে ফেলার রাতে তাঁরই এক ছক্কায় আহত হয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) একজন ক্যামেরাম্যান। ম্যাচ শেষে তাই ক্যামেরাম্যান দেবাশীষের কাছে দুঃখ প্রকাশ করতে ভোলেননি উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
আইপিএলের সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন পন্ত। দুঃখ প্রকাশ করার সময় তাঁর পাশে ছিলেন দিল্লির কোচ রিকিং পন্টিং। ভিডিওতে ২৬ বছর বয়সী বাঁহাতি ব্যাটার বলেছেন, ‘দুঃখিত দেবাশীষ ভাই, আমার কোনো অভিপ্রায় ছিল না আপনাকে আঘাত করার। আমার মনে হয় ভালোভাবে সেরে উঠতে পারবেন এবং আপনার জন্য শুভকামনা।’

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে