
ক্যারিয়ারের লম্বা সময় টেস্ট সংস্করণেই খেলে গেছেন জিমি অ্যান্ডারসন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলার পর মনোযোগী হয়েছেন সীমিত ওভারের ঘরোয়া ও ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে। বিশেষ করে এক দশকের বেশি সময় পর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ফিরে রীতিমতো আলো ছড়াচ্ছেন এই পেসার। ভাইটালিটি টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে গতকাল আবারও ৩টি উইকেট তুলে নিয়েছেন ৪৩ ছুঁই ছুঁই অ্যান্ডারসন। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে চার ম্যাচে ১৫ ওভার বোলিং করে শিকার করেছেন ১০ উইকেট।
৪২ বছর বয়সী অ্যান্ডারসন এই প্রতিযোগিতা দিয়েই টি-টোয়েন্টিতে ফিরেছেন ১১ বছর পর। লাল বলের ক্রিকেটের সফলতম এই বোলার চার ম্যাচে ওভারপ্রতি খরচ করেছেন স্রেফ ৬.৮৬ রান। এর মধ্যে তিন ম্যাচেই উইকেট নিয়েছেন ৩টি করে। প্রতিটি ম্যাচেই পাওয়ার প্লেতে তিনটি করে ওভার করেছেন এই ডানহাতি পেসার।
উস্টারশায়ারের বিপক্ষে ৭ উইকেটে জয়ের ম্যাচে চার ওভারে ৩২ রান দিয়ে অ্যান্ডারসন তুলে নেন ৩ উইকেট। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই প্রতিপক্ষ দলের অধিনায়ক ব্রেট ডি’অলভেইরাকে ফেরান। নিজের শেষ ওভার করতে ইনিংসের ষোড়শ ওভারে আসেন অ্যান্ডারসন। সেই ওভারে পাঁচ রান খরচ করে ড্রেসিংরুমে ফেরান গ্যারেথ রডারিক ও ফাতেহ সিংকে। ১৪৩ রানে উস্টারশায়ারকে গুটিয়ে দিয়ে ১৫ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ল্যাঙ্কাশায়ার।
১ জুন চেস্টার-লি-স্ট্রিটে ডারহামের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ৩৯৩৫ দিন পর সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ফেরেন অ্যান্ডারসন। সেই উপলক্ষটা তিনি রাঙিয়ে রাখেন ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে, চার ওভারে মাত্র ১৭ রানে নেন ৩ উইকেট। পরের ম্যাচে লেস্টারশায়ারের বিপক্ষে তিন ওভারে ২৩ রান দিয়ে উইকেট নেন ১ টি। নর্থাম্পটনশায়ারের বিপক্ষে পূর্ণ কোটার ওভারে ৩১ রানে তুলে নেন ৩ উইকেট। পরের ম্যাচেও অ্যান্ডারসন পেলেন সমানসংখ্যক উইকেট। ২০১৪ সালের আগস্টে সবশেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেন অ্যান্ডারসন।

মুহূর্তটা কিছুতেই ভোলার নয়। ভোলা যাবে না। জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ডালাস মিক্সড জোন পেরিয়ে চলেই যাচ্ছিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। ‘দিবু (মার্তিনেসের ডাকনাম), বাংলাদেশ থেকে এসেছি’—পেছন থেকে ডাক দিতেই থামলেন। ‘ওহ্, বাংলাদেশ, আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি’, বলতে বলতে ফিরে এলেন প্রতিবেদকের কাছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ মানেই যেন ইউরোপ আর লাতিন আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চ, যেখানে এশিয়া আর আফ্রিকার দেশগুলো যেত শুধুই দু-একটা ‘অঘটন’ ঘটানোর স্বপ্ন নিয়ে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ যেন পুরোনো সব চেনা হিসাব-নিকাশ ওলটপালট করে দিচ্ছে। কিন্তু এই পরিবর্তনের হাওয়া দুই মহাদেশে লেগেছে ভিন্ন সমান্তরালে।
১ ঘণ্টা আগে
কিন্তু শেষ দিকে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন হর্ষিত রানা। শেষ ওভারে ভারতের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২১ রান। হ্যারি টেক্টরের করা সেই নাটকীয় ওভারে ছিল ওয়াইড, নো-বল আর বাউন্ডারির ছড়াছড়ি। সমীকরণ যখন ২ বলে ৮ রান, তখন ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে আউট হন হর্ষিত রানা। শেষ বলে জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল ৭ রান, স্ট্রাইকে থাকা প্রিন্
৩ ঘণ্টা আগে
ট্রেন্ট ব্রিজে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড তৃতীয় টেস্টের খেলা এখনো শেষ হয়নি। আজ টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা চলছে। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায়ের ঘোষণা দিয়েছেন বেন স্টোকস।
৪ ঘণ্টা আগে