সবশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শেষেই গুঞ্জন উঠেছিল ভারতের প্রধান কোচের পদ থেকে সরে যাচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়। শেষ পর্যন্ত অবশ্য সেই গুঞ্জন সত্যি হয়নি। উল্টো চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিদের সঙ্গে আছেন তিনি।
তবে বিশ্বকাপ শেষেই রাহুলের পথচলা থেমে যেতে পারে। এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শাহ। সংক্ষিপ্ত সংস্করণের বিশ্বকাপ শুরুর আগেই কোচের জন্য বিজ্ঞাপন দেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। সঙ্গে এটাও জানিয়েছেন যে, চাইলে রাহুলও আবেদন করতে পারবেন।
ভারতের কোচ নিয়োগের বিষয়ে এক ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইটকে জয় শাহ বলেছেন, ‘জুন পর্যন্ত রাহুলের মেয়াদ রয়েছে। আগ্রহী থাকলে সেও আবেদন করতে পারবে।’ প্রধান কোচ নিয়োগের পরেই ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং কোচের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন বিসিসিআই সচিব।
সর্বশেষ ২০১৩ সালে আইসিসির কোনো টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। সেবার মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতেছিল ভারত। ট্রফি জয়ের নেপথ্যের নায়ক ছিলেন তৎকালীন কোচ ডানকান ফ্লেচার। জিম্বাবুয়ের সাবেক ক্রিকেটারের পর ভারতের ডাগআউটের দায়িত্বে ছিলেন স্বদেশিরাই। কিন্তু কোনোবারও আর আইসিসির কোনো ইভেন্ট জেতাতে পারেননি। অনিল কুম্বলে, রবি শাস্ত্রীর মতো দলকে সাফল্য এনে দিতে ব্যর্থ হয়েছেন রাহুলও। এবার শেষটা রাঙাতে পারেন কিনা সেটাই দেখার বিষয়।
এবার তাই শোনা যাচ্ছে আবারও বিদেশি কোনো কোচকে নিয়োগ দিতে পারে ভারত। তবে বিদেশি কোচই নিয়োগ দেওয়া হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন জয় শাহ। তিনি বলেছেন, ‘কোচ ভারতীয় নাকি বিদেশি সেটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সিদ্ধান্তটা নেবে উপদেষ্টা কমিটি।’ আর যাঁকে নিয়োগ দেবেন তাঁকে লম্বা সময়ের জন্য চায় ভারত, কমপক্ষে তিন বছর।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৩০ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
২ ঘণ্টা আগে