প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে। ব্রিসবেনের গ্যাবার ম্যাচটি ছিল নাটকীয়তায় ভরা। এমন নাটকীয়তার ম্যাচে বাংলাদেশকে ৩ রানে জিতিয়েছেন শেষ ওভারে বোলিংয়ে আসা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ম্যাচের ফল নির্ধারণী ওভারটিতে স্বাভাবিকভাবেই চাপে থাকার কথা তাঁর। তবে সে সময় নাকি কোনো চাপ অনুভব করেননি এমনটি জানিয়েছেন তিনি।
শেষ বল করার সময় কী ভাবছিলেন ম্যাচ শেষে তা জানিয়েছেন মোসাদ্দেক।
তিনি বলেছেন, ‘আমাদের জন্য অন্য রকম এক অভিজ্ঞতা ছিল। দ্বিতীয়বার মাঠে আসার পর আমরা স্নায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছিলাম। মাঠে যা-ই হোক না কেন, আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করি। মেরে নিতে পারলে ঠিক আছে। এটা নিয়ে কোনো চিন্তা করিনি আমরা।’
ইনিংসের শেষ বলটা করার সময় সাকিবের সঙ্গে কী কথা হয়েছে সেটাও জানিয়েছেন মোসাদ্দেক। বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘সাকিব ভাইয়ের সঙ্গে দুই রকম কথা হয়েছিল। ইয়র্কার করব নাকি লেন্থ বল করব। মাঠ ছোট হওয়ায় ইয়র্কারের ঝুঁকি নিইনি। কারণ লেন্থ মিস হলে ছক্কা খাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এ জন্য আমরা পরিকল্পনা করছিলাম যে, একটু ব্যাক অব লেন্থে, একটু জোরের ওপর করব, যেন মিস টাইমিং হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।’
শেষ ওভারে জিম্বাবুয়ের দরকার ছিল ১৬ রান। মোসাদ্দেক হোসেন বল করতে এসে দ্বিতীয় বলেই তুলে নিয়েছিলেন ব্রাড ইভান্সের উইকেট। তৃতীয় বলে লেগবাই থেকে জিম্বাবুয়ে পেয়েছিল ৪ রান। চতুর্থ বলে ছক্কা মেরেছিলেন এনগারাভা। পরের বলেই স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন এনগারাভা। তবে শেষ বলটি নিয়ে হয় নাটকীয়তা। ব্লেসিং মুজরাবানিকে স্টাম্পিং করলেও তা বাতিল হয়ে যায়। উইকেটের আগে ভুল করে বল ধরেছিলেন সোহান। শেষ বলে তখন জিম্বাবুয়ের দরকার ৪ রান। ওই বলটি ডট দিয়ে বাংলাদেশকে ৩ রানের জয় এনে দেন মোসাদ্দেক।

শামীম বলেন, ‘আমি এর আগেও সেখানে খেলেছি। ওখানকার উইকেট অনেক ভালো। আশা করছি, আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারব। সেখানে গিয়ে কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিতে হবে। লক্ষ্য, অবশ্যই ভালো কিছু করা এবং চ্যাম্পিয়ন হওয়া। দেখা যাক, কী হয়।’
১ ঘণ্টা আগে
নতুন মৌসুমের জন্য গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোকে দলে নিয়ে শক্তিশালী স্কোয়াড গড়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। দীর্ঘদিন বসুন্ধরা কিংসে খেলার পর আজ মোহামেডানের সঙ্গে চুক্তি করেছেন জাতীয় দলের এই গোলরক্ষক। তাঁর সঙ্গে জাতীয় দলের আরও কয়েকজন খেলোয়াড়কে দলে নিয়েছে সাদা-কালোরা।
৩ ঘণ্টা আগে
শেষ পর্যন্ত ৭১ রান করে হাসান মাহমুদের শিকার হন স্মিথ। নাথান লায়নকে সঙ্গে নিয়ে রান বাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে যায় ১৯৮ রানে। বাংলাদেশের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত স্মিথের কোনো টেস্ট সেঞ্চুরি নেই।
৪ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
৭ ঘণ্টা আগে