
বেশ দাপটের সঙ্গেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে ভারত। তৃতীয়বারের মতো এই সংস্করণের বিশ্বকাপ জেতার পর থেকেই প্রশংসায় ভাসছে সূর্যকুমার যাদবের দল। তাদের প্রশংসায় বার্তা দিচ্ছেন সাবেক ক্রিকেটাররা। এই তালিকায় আছে শহিদ আফ্রিদির নাম। ভারত যোগ্য দল হিসেবেই শিরোপা জিতেছে বলে মনে করেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক।
সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নয়টি ম্যাচ খেলেছে ভারত। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র একটি ম্যাচ হেরেছে আয়োজকেরা; সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। তার আগে-পরে চারটি করে ম্যাচ জেতে তারা। ফাইনালে তো ভারতের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি নিউজিল্যান্ড। ২৫৫ রানের বিশাল পুঁজি নিয়ে ৯৬ রানে জিতে টানা দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলল ভারত।
ভারতকে শিরোপা জেতানোর পথে সবচেয়ে বড় অবদান সঞ্জু স্যামসনের। ৩২১ রান করে জিতেছেন টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। রানসংগ্রাহকের তালিকার তিনে থেকে টুর্নামেন্ট শেষ করেছেন তিনি। টানা তৃতীয় ফিফটি করার পথে ফাইনালে ৪৬ বলে ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন। ফাইনালে ১৫ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন যশপ্রীত বুমরা। এই দুজনের পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন আফ্রিদি।
নিজের এক্সে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে আফ্রিদি বলেন, ‘তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের জন্য টিম ইন্ডিয়াকে অভিনন্দন। পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই তারা নিখুঁত এবং শক্তিশালী দল হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছে। এটি ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য গর্বের মুহূর্ত। এমন পারফরম্যান্সই প্রমাণ করে কেন ভারত এখনো বিশ্ব টুর্নামেন্টে শীর্ষে রয়েছে।’
ভারতের বেঞ্চের শক্তির প্রশংসা করতে গিয়ে আফ্রিদি বলেন, ‘বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে। আমার মনে হয় ভারতই এই শিরোপার যোগ্য ছিল। তাদের দলগত সমন্বয় অসাধারণ। বেঞ্চে থাকা খেলোয়াড়রাও প্রথম একাদশের মতোই মানসম্পন্ন। তাই আমি সব সময় বলি, আপনার বেঞ্চ শক্তিশালী হতে হবে। ভারতের বেঞ্চ খুবই শক্তিশালী ছিল—সেখান থেকে যেকোনো খেলোয়াড়কে তুলে এনে সহজেই প্রথম একাদশে রাখা যেত। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে তারা চ্যাম্পিয়নের মতোই খেলেছে।’

কিলিয়ান এমবাপ্পে বনাম আর্লিং হালান্ড—রোমাঞ্চকর দ্বৈরথটি এবার মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বের শেষ রাউন্ডে। বোস্টনের মাঠে গ্রুপ ‘আই’য়ের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে রাত ১টায় মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও নরওয়ে।
১৩ মিনিট আগে
এই ব্রাজিলকে নিয়ে সামান্য হলেও সংশয় জেগেছিল, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বে যেতে পারবে কি না। সংশয়টা তৈরি হয়েছিল গ্রুপপর্বে থাকা মরক্কোর কারণে। মায়ামিতে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে সাম্বার ছন্দে নেচে ওঠা ব্রাজিল অবশ্য সে সংশয় দূর করে দিয়েছে দ্রুতই।
২ ঘণ্টা আগে
ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস—আজ ম্যানচেস্টারে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ দেখে এই প্রবাদ মনে পড়াটাই স্বাভাবিক। হাতের নাগালে থাকা ক্যাচ ফসকানোর খেসারত দিতে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশকে। ভারতের কাছে হেরে গেল
৪ ঘণ্টা আগে
খুব বেশি দিন আগের ঘটনা নয়। জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে এ বছরের জানুয়ারিতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারতের অধিনায়কেরা টসের সময় হাত মেলাননি। পাঁচ মাস পর এবার ম্যানচেস্টারে দেখা গেল একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ভারতীয় অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌরের সঙ্গে হাত মেলাননি বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।
৫ ঘণ্টা আগে