ঢাকা: খেলা না থাকলেও নিজেকে ব্যাট হাতে ব্যস্ত রাখতে পছন্দ করেন স্টিভেন স্মিথ। যেখানেই যান ব্যাটটা তাঁর সঙ্গেই থাকে। স্মিথের জীবনে তাই অবসর বলে কোনো শব্দ নেই। তাঁর সতীর্থরাও এ বিষয়গুলো জানেন। এবার ডেভিড ওয়ার্নার জানালেন, হোটেলে স্মিথের পাশের রুমে থাকার অভিজ্ঞতা। স্মিথের ব্যাটের ঠুক ঠুক শব্দে ঘুমানোই রীতিমতো কঠিন হয়ে পড়েছিল এই ওপেনারের।
মাঝপথে আইপিএল স্থগিত হওয়ায় বিপাকে পড়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়েরা। ভারত থেকে মালদ্বীপ হয়ে দেশে ফিরেও থাকতে হয়েছে কোয়ারেন্টিনে। সিডনিতে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হয়েছে সোমবার। সব মিলিয়ে এক মাস পর মুক্ত বাতাসের খোঁজ পেয়েছেন ওয়ার্নাররা। সুযোগ পেয়ে কেউ কেউ পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়েছেন। কিন্তু এখানেও ব্যতিক্রম স্মিথ। সতীর্থরা যখন ঘুরে বেড়াচ্ছেন, স্মিথের সময় কাটছে বাসায় শ্যাডো ব্যাটিং করে।
দেশে ফিরে অস্ট্রেলিয়ার এক রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওয়ার্নার বলেছেন, ‘স্মিথের চিন্তা জুড়ে শুধুই ব্যাটিং। হোটেলে স্মিথের পাশের রুমে থাকলে রাতটা আপনাকে নির্ঘুমও কাটাতে হতে পারে। সব সময় আপনার কানে বাজবে তার ব্যাটের ঠুক ঠুক শব্দ। আপনার মনে হতে পারে মধ্যরাতে কোনো পরিচ্ছন্নতা কর্মী বুঝি ঝাড়ু দিচ্ছে। আসলে তা না, স্মিথ ব্যাট নিয়ে ট্যাপ করছে।’
ওয়ার্নার আরও যোগ করে বলেন, ‘ব্যাটটা সব সময় হাতের মধ্যেই রাখতে চায় সে। ব্যাট দূরে থাকলে রেখে তার ঘুম আসে না, খেলাটার প্রতি তার অন্যরকম আবেগ কাজ করে।’ কদিন আগে স্মিথের স্ত্রী ডেনি উইলিস ইনস্টাগ্রামে একটা ছবি পোস্ট করেছেন। সেখানেও চোখ বন্ধ করে ব্যাট খুঁজছিলেন স্মিথ। পোস্টের নিচে ডেনি লিখেছেন, ‘স্মিথ সেটাই করছে, যেটা সে প্রতি মুহূর্তে করে। আমার মনে হয় সে দেখছে কোন ব্যাটটা তার জন্য উপযোগী।’

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৩ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে