
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিব আল হাসানের পথচলা এক রকম স্থবির হয়ে রয়েছে। তবে দীর্ঘ ১৮ বছরের ক্যারিয়ারে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন বলে ‘রেকর্ড আল হাসান’, ‘নবাব আল হাসান’ উপাধিও পেয়েছেন। সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের তালিকাতেও নাম উঠে গেছে।
ক্রিকইনফোর সাম্প্রতিক এক ভিডিওতে সাকিবের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পারফরম্যান্স নিয়ে অনেক বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে মনে রাখার মতো অনেক উপলক্ষ এনে দিয়েছেন তিনি। ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খাদের কিনারা থেকে সেঞ্চুরি, ২০১২ এশিয়া কাপে বাংলাদেশকে ফাইনালে তোলা—বড় মঞ্চে সাকিবের এমন অনেক কীর্তি রয়েছে। দ্বিপক্ষীয় সিরিজেও তাঁর অবদান কম নয়। বিশেষ করে ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডকে ওয়ানডে সিরিজে (৪-০ ব্যবধানে জয়) প্রথমবারের মতো ধবলধোলাই করায় তাঁর অবদান অপরিসীম। ২১৩ রান ও ১১ উইকেট নিয়ে পেয়েছেন সিরিজসেরার পুরস্কার।
২০১৫ সালে ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের তিনটি বড় জিততেও সাকিব অবদান রেখেছেন। ক্রিকইনফোর এক ভিডিওতে বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডারকে নিয়ে কার্তিক কৃষ্ণস্বামী বলেন, ‘২০০৬-০৭ সালের দিকে যখন সে (সাকিব) মাত্র ক্যারিয়ার শুরু করেছিল, তখন থেকে শুরু করে ২০১৩-১৪ সাল পর্যন্ত অন্যান্যদের চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিল। বাংলাদেশের সেরা ক্রিকেটার ছিল। অনেক ওভার বোলিং করত। ব্যাটিংয়েও দলে অনেক অবদান রয়েছে।’
তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজের অভিষেকের পর বাংলাদেশের স্পিন বোলিং বিভাগ হয়েছে আরও শক্তিশালী। বিশেষ করে ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে ১২ উইকেট নিয়ে মিরাজ পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। অভিষেক সিরিজে ১৯ উইকেট নিয়ে তিনি সিরিজসেরার পুরস্কারও পান। সাকিব (১২) ও তাইজুলের (৭) ঘূর্ণিজাদুরও দারুণ অবদান ছিল সেই সিরিজে। এমনকি ২০১৭ সালে সাকিবের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট জেতে বাংলাদেশ।
সাকিবের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তাইজুল ও মিরাজকে নিয়েও কথা বলেছেন কৃষ্ণস্বামী। ক্রিকইনফোর ভিডিওতে ভারতীয় এই বিশ্লেষক বলেন,‘বাংলাদেশ যখন সাফল্য পাওয়া শুরু
করল, তাইজুল ইসলাম এবং মেহেদী হাসান মিরাজ যখন নিয়মিত উইকেট নিতে শুরু করল, বাংলাদেশ তখন সফলতা পেতে থাকল। তখন তারাই বেশির ভাগ ওভার বোলিং করত। সাকিব তখন পার্ট-টাইম বোলারদের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে ছিল।’
সাকিবের পথচলা থেমে গেলেও বেন স্টোকস কদিন আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। রবীন্দ্র জাদেজা খেলছেন টেস্ট ও ওয়ানডে। সাকিবের সঙ্গে স্টোকস-জাদেজার তুলনা করতে গিয়ে জাদেজাকেই এগিয়ে রাখলেন কৃষ্ণস্বামী। ভারতীয় এই বিশ্লেষক বলেন, ‘আমার মতে সাকিব, স্টোকস ব্যাটিং অলরাউন্ডার। আর জাদেজা একজন বিশেষজ্ঞ অলরাউন্ডার। ক্যারিয়ারের অধিকাংশ সময়েজুড়ে তাকে এই ভূমিকাতেই দেখা গেছে। অলরাউন্ডারদের ইতিহাসে এটা খুবই বিরল।’
সাকিবকে টপকে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী এখন তাইজুল। ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে তাইজুলের উইকেট ২৭০। সাকিব নিয়েছেন ২৪৬ উইকেট। দুজনের ফাইফারও সমান ১৯টি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তো বটেই, বিপিএল-ডিপিএলেও তাঁর খেলা হয়নি। তবে আইপিএল বাদে বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে সাকিব নিয়মিত খেলছেন। ২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারতের বিপক্ষে টেস্টটাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর সবশেষ কোনো ম্যাচ।

লিওনেল মেসির গল্পটা যেন শেষ হয়েও হলো না শেষ। সামাজিক মাধ্যমে একবার অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পরও ৬ অক্টোবর দেখা যাচ্ছে তাঁকে। যদিও এই এক ম্যাচের বেশি তিনি খেলছেন না। বিশ্বজয়ী ফুটবলারের আর্জেন্টিনার হয়ে এক ম্যাচ পরই যে বিদায়ঘণ্টা বেজে যাচ্ছে, সেটা এখনো তাঁর সতীর্থদের বিশ্বাস হচ্ছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
বয়স হয়ে গেছে ৩৪ বছর। লিওনেল মেসির সঙ্গে দীর্ঘদিন খেলেছেন জাতীয় দলে। আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের অন্যতম ভরসা নিকোলাস তালিয়াফিকো যে গোধূলিলগ্নে এসে পৌঁছেছেন, তা তিনি বুঝতে পেরেছেন। দিয়েছেন অবসরের ইঙ্গিত।
৯ ঘণ্টা আগে
১৫ বছর আগে রিয়াল মাদ্রিদের যুব দলে ট্রায়াল দিতে গিয়ে জিদানের সঙ্গে প্রথম দেখা হয়েছিল এমবাপ্পের। সেই জিদানই এখন তাঁর জাতীয় দলের কোচ
১০ ঘণ্টা আগে
ফুটবলে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ কতটা উত্তাপ ছড়ায়, তা না বললেই নয়। যে ভেন্যুতেই খেলা হোক, ভক্ত-সমর্থকেরা তো বটেই, এমনকি ফুটবলাররাও হাতাহাতিতে জড়ান। ফাইনাল হলে তো কথাই নেই। তবে এবারের হাতাহাতির ঘটনা ফুটবল ম্যাচে নয়।
১০ ঘণ্টা আগে