
পেশাদার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ গতকাল খেলেছেন অ্যারন ফিঞ্চ। বিগ ব্যাশের দল মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে ক্রিকেটকে বিদায় জানান ফিঞ্চ। ফিঞ্চের বিদায়ের পর এবার একই দলের আরেক ক্রিকেটার যাচ্ছেন অবসরে। অবসরের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন শন মার্শ।
চলতি সপ্তাহের বুধবার সিডনি থান্ডার-মেলবোর্ন রেনেগেডস ম্যাচটাই এবারের বিগ ব্যাশের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ। মেলবোর্ন রেনেগেডসেরও এটা শেষ ম্যাচ, যেখানে সেরা চারের লড়াই থেকে রেনেগেডস ছিটকে গেছে আগেই। থান্ডার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই মার্শ ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন বলে রেনেগেডস আজ নিশ্চিত করেছে। রেনেগেডস ক্লাবে মার্শ খেলছেন ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে। এক বিবৃতিতে অবসরের ঘোষণা দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি ব্যাটার বলেছেন, ‘আমি রেনেগেডসের হয়ে খেলতে পছন্দ করি। এখানে গত পাঁচ বছরে অনেক ভালো মানুষের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে বন্ধুত্বের গল্প আজীবন মনে থাকবে। খেলোয়াড়দের এই গ্রুপটা বিশেষ। সতীর্থ হিসেবে তারা সবাই আমার কাছে অসাধারণ। এমনকি ভালো বন্ধুও। রেনেগেডসের কোচ, সাপোর্টিং স্টাফ—সবাই যেভাবে আমার পাশে থেকেছেন, তাঁদের অসংখ্য ধন্যবাদ।’
এবারের বিগ ব্যাশে মেলবোর্ন রেনেগেডস এখন পর্যন্ত খেলেছে ৯ ম্যাচ। তবে চোটে পড়ায় এবারের বিগ ব্যাশে সব ম্যাচ খেলতে পারেননি মার্শ। যতটুকু খেলেছেন, তাঁর পারফরম্যান্স দুর্দান্ত। ৫ ম্যাচে ৪৫.২৫ গড় ও ১৩৮.১৬ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ১৮১ রান। করেছেন ৩ ফিফটি।
বিগ ব্যাশ ইতিহাসের রান সংগ্রাহকদের তালিকায় ৬ নম্বরে মার্শ। ২০১১ থেকে ২০২৪—১৩ বছরে ৭৯ ম্যাচ খেলেছেন। ৪০.৭২ গড় ও ১২৯.৭২ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ২৮১০ রান। করেছেন ২৭ ফিফটি। সর্বোচ্চ ইনিংস ৯৯ রানের। মেলবোর্ন রেনেগেডসের আগে তিনি খেলেছেন পার্থ স্করচার্সের হয়ে। শুরুর মৌসুম ২০১১-১২ থেকে ২০১৮-১৯ পর্যন্ত স্করচার্সের হয়ে খেলে তিনটি শিরোপা জিতেছেন, যার মধ্যে ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫—টানা দুই মৌসুম চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্করচার্স। স্করচার্সকে নিয়ে মার্শ বলেন, ‘স্করচার্সের কাছে আমি অনেক ঋণী। পার্থে অনেক দারুণ স্মৃতি রয়েছে। সেখানে সত্যিই আমি সময়টা উপভোগ করেছি। টানা শিরোপা জেতা আমার কাছে সবচেয়ে উপভোগ্য মুহূর্ত।’

পেশাদার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ গতকাল খেলেছেন অ্যারন ফিঞ্চ। বিগ ব্যাশের দল মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে ক্রিকেটকে বিদায় জানান ফিঞ্চ। ফিঞ্চের বিদায়ের পর এবার একই দলের আরেক ক্রিকেটার যাচ্ছেন অবসরে। অবসরের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন শন মার্শ।
চলতি সপ্তাহের বুধবার সিডনি থান্ডার-মেলবোর্ন রেনেগেডস ম্যাচটাই এবারের বিগ ব্যাশের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ। মেলবোর্ন রেনেগেডসেরও এটা শেষ ম্যাচ, যেখানে সেরা চারের লড়াই থেকে রেনেগেডস ছিটকে গেছে আগেই। থান্ডার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই মার্শ ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন বলে রেনেগেডস আজ নিশ্চিত করেছে। রেনেগেডস ক্লাবে মার্শ খেলছেন ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে। এক বিবৃতিতে অবসরের ঘোষণা দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি ব্যাটার বলেছেন, ‘আমি রেনেগেডসের হয়ে খেলতে পছন্দ করি। এখানে গত পাঁচ বছরে অনেক ভালো মানুষের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে বন্ধুত্বের গল্প আজীবন মনে থাকবে। খেলোয়াড়দের এই গ্রুপটা বিশেষ। সতীর্থ হিসেবে তারা সবাই আমার কাছে অসাধারণ। এমনকি ভালো বন্ধুও। রেনেগেডসের কোচ, সাপোর্টিং স্টাফ—সবাই যেভাবে আমার পাশে থেকেছেন, তাঁদের অসংখ্য ধন্যবাদ।’
এবারের বিগ ব্যাশে মেলবোর্ন রেনেগেডস এখন পর্যন্ত খেলেছে ৯ ম্যাচ। তবে চোটে পড়ায় এবারের বিগ ব্যাশে সব ম্যাচ খেলতে পারেননি মার্শ। যতটুকু খেলেছেন, তাঁর পারফরম্যান্স দুর্দান্ত। ৫ ম্যাচে ৪৫.২৫ গড় ও ১৩৮.১৬ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ১৮১ রান। করেছেন ৩ ফিফটি।
বিগ ব্যাশ ইতিহাসের রান সংগ্রাহকদের তালিকায় ৬ নম্বরে মার্শ। ২০১১ থেকে ২০২৪—১৩ বছরে ৭৯ ম্যাচ খেলেছেন। ৪০.৭২ গড় ও ১২৯.৭২ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ২৮১০ রান। করেছেন ২৭ ফিফটি। সর্বোচ্চ ইনিংস ৯৯ রানের। মেলবোর্ন রেনেগেডসের আগে তিনি খেলেছেন পার্থ স্করচার্সের হয়ে। শুরুর মৌসুম ২০১১-১২ থেকে ২০১৮-১৯ পর্যন্ত স্করচার্সের হয়ে খেলে তিনটি শিরোপা জিতেছেন, যার মধ্যে ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫—টানা দুই মৌসুম চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্করচার্স। স্করচার্সকে নিয়ে মার্শ বলেন, ‘স্করচার্সের কাছে আমি অনেক ঋণী। পার্থে অনেক দারুণ স্মৃতি রয়েছে। সেখানে সত্যিই আমি সময়টা উপভোগ করেছি। টানা শিরোপা জেতা আমার কাছে সবচেয়ে উপভোগ্য মুহূর্ত।’

মোস্তাফিজুর রহমান ইস্যুতে তোলপাড় চলছে ক্রিকেট বিশ্বে। সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের জেরে কাটার মাস্টারকে ২০২৬ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) দল থেকে বাদ দিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। নিলামে দল পাওয়ার পর বাদ পড়ায় স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ ছিল মোস্তাফিজের। তবে মন ভালো করার উপকরণ পেতেও বেশি সময় লাগল না তাঁর।
৩৬ মিনিট আগে
২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) হারের বৃত্তে আটকে আছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নিজেদের সবশেষ ম্যাচে নাসির হোসেনের দারুণ ব্যাটিংয়ে ঢাকা ক্যাপিটালসের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে নবাগত দলটি। টুর্নামেন্টে এটা তাদের টানা পঞ্চম হার।
১ ঘণ্টা আগে
নিজেদের অবস্থানে অনড় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে দল পাঠাবে না সংস্থাটি। ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে বিসিবি। এই ইস্যুতে বিশ্ব ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থাকে আবারও বোঝানো হবে বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
৩ ঘণ্টা আগে
নিরাপত্তা ইস্যুতে নিজেদের ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তন করতে সম্প্রতি আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। চিঠির কোনো জবাব এখনো দেয়নি বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এই ইস্যুতে আইসিসি শেষপর্যন্ত কী ঘোষণা দেয়, সেটা পরের বিষয়। তবে মর্যাদার প্রশ্নে আপস করে ভারতে খেলবে না বাংলাদেশ, এমনটাই
৪ ঘণ্টা আগে