২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম আসরের শিরোপাই এখন পর্যন্ত একমাত্র ভারতের। পরের পাঁচ আসরে আর এই সংস্করণের শিরোপা ছুঁয়ে দেখার সৌভাগ্য হয়নি তাদের। তবে এবার ভারতকে ফেবারিট বলছেন অনেক ক্রিকেটবোদ্ধাই। এবার সেই দলে যোগ দিলেন স্টিভ স্মিথ।
গতকাল মূল লড়াইয়ের আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে ভারতের কাছে কোনো পাত্তাই পায়নি অস্ট্রেলিয়া। ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছে তারা। ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৭ রানের ইনিংস খেলেন স্মিথ। সেটা যে কোনো কাজে আসেনি, ৯ উইকেটের হারেই প্রমাণিত। ম্যাচ শেষে স্মিথ অবশ্য স্বীকার করেছেন, এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শিরোপার বড় দাবিদার ভারত।
প্রতিপক্ষ ভারতকে প্রশংসার বন্যায় ভাসিয়েছেন স্মিথ। বলেছেন, ‘তারা দুর্দান্ত একটি দল। প্রতিটি জায়গায় তারা আটঘাট বেঁধেই এসেছে। প্রতিটি পজিশনে ম্যাচ বের করে আনার মতো সেরা খেলোয়াড় আছে।’
আইপিএল খেলেই ভারতীয় ক্রিকেটাররা টি-টোয়েন্টি সংস্করণ বেশ ভালো রপ্ত করেছেন। বিশ্বকাপের আগে টুর্নামেন্টটির দ্বিতীয় পর্ব আরব আমিরাতে হওয়ায় কন্ডিশনের সঙ্গেও দারুণ মানিয়ে নিয়েছেন ভারতীয় খেলোয়াড়েরা। সেটা উল্লেখ করে স্মিথ বলেছেন, ‘শেষ কয়েক মাস ধরে তারা সবাই এখানে খেলছে। সেই অভিজ্ঞতাটা নিশ্চিতভাবেই বিশ্বকাপে কাজে লাগাবে তারা।’
আইপিএলে খেলেছেন স্মিথ নিজেও। তবে রান পাননি ব্যাটে। অনেক দিন পর ব্যাটে রান পেয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাচ্ছেন বলে মনে করেন স্মিথ, ‘আমার মনে হচ্ছে, বলকে খুব ভালো মারতে পারছি। আইপিএলে এবার খুব বেশি ম্যাচ খেলা না হলেও নেটে অনেক সময় কাটিয়েছি। ব্যাটিং নিয়ে কাজ করেছি। একই সঙ্গে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টাও ছিল।’
সুপার টুয়েলভে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ম্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। আগামী ২৩ অক্টোবর আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে এই ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবেন স্মিথরা।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৫ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে