
কাল থেকে শুরু হচ্ছে জুনিয়র অ্যাথলেটিকস। তবে জাতীয় স্টেডিয়ামের মাঠ ব্যবহার করবে না অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন। তাই থ্রো ইভেন্টগুলো হবে পল্টনের আউটার স্টেডিয়ামে।
মূলত জাতীয় স্টেডিয়াম এখন ফুটবল ও অ্যাথলেটিকস যৌথভাবে ব্যবহার করে থাকে। কাল থেকে শুরু হচ্ছে হামজা-শমিতদের ক্যাম্প। তবে প্রথম দিন শুধুমাত্র হোটেলে রিপোর্টিং করবেন ফুটবলাররা। পরদিন থেকে শুরু হবে ভুটান ও সিঙ্গাপুর ম্যাচের প্রস্তুতি। তাই বাফুফে অনুরোধ করেছিল অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনকে মাঠ ব্যবহার না করার।
আজ সংবাদ সম্মেলনে অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ফুটবলের আন্তর্জাতিক ম্যাচ রয়েছে কয়েক দিনের মধ্যেই। এজন্য বাফুফের অনুরোধের প্রেক্ষিতে থ্রোয়ের ইভেন্টগুলো পল্টন আউটার স্টেডিয়ামে আয়োজন করব।’
রানিং, হার্ডলস ও জাম্পের ইভেন্টগুলো হবে জাতীয় স্টেডিয়ামের ট্র্যাকে। এছাড়া শটপুট, ডিসকাস থ্রো, হ্যামার থ্রো ও জ্যাভলিন থ্রো হবে পল্টনের আউটার স্টেডিয়ামে। দুদিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতা হবে অনূর্ধ্ব-১৬ ও ১৮ ক্যাটাগরিতে। রেকর্ডধারী অ্যাথলেটকে ১০ হাজার টাকা প্রদান করবে ফেডারেশন। জেলা, বিভাগ, শিক্ষাবোর্ড, বিকেএসপি এবং সংস্থা থেকে সব মিলিয়ে ৬০০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করছেন এবার। সেখান থেকে নভেম্বরে বাইরাইনে এশিয়ান গেমসের জন্য অ্যাথলেট বাছাই করতে চায় ফেডারেশন।

শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
১৭ মিনিট আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে