অলিম্পিকে অংশ নিতে প্যারিসে পৌঁছানো সহজ ছিল না আরশাদ নাদিমের। শেষ পর্যন্ত পৃষ্ঠপোষক হিসেবে এগিয়ে এসেছিল পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দল মুলতান সুলতানস। কঠিন পথই যেন অ্যাথলেটকে আরও লড়াকু হিসেবে পরিণত করল, যার সুফল পেলেন অলিম্পিকের মঞ্চে।
বর্শা নিক্ষেপে ভারতের গত টোকিও অলিম্পিকের চ্যাম্পিয়ন নিরাজ চোপড়াকে হারিয়ে, স্বর্ণ জিতলেন পাকিস্তানের আরশাদ। ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ পাকিস্তানের কাটল ৩২ বছরের স্বর্ণ পদকের খরা। আরশাদের কল্যাণে অ্যাথলেটিকসে প্রথমবারের মতো স্বর্ণ পদকও পেল তারা।
দ্বিতীয় নিক্ষেপে ৯২.৯৭ মিটার দূরে বর্শা ছোড়েন আরশাদ। অলিম্পিকের ইতিহাসে এই ইভেন্টের তালিকায় যেটি ষষ্ঠ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে। অলিম্পিকে এবারও সোনার পদক ধরে রাখার সম্ভাবনায় এগিয়ে ছিলেন চোপড়া। তবে ফাইনালে পুরোটা সময় ছিলেন অচেনা। প্রথম পাঁচ প্রচেষ্টায় ফাউল করার পর, শেষবার ৮৯.৪৫ মিটার ছুড়ে জেতেন রুপা। গ্রেনাডার অ্যান্ডারসন পিটার্স ৮৮.৫৪ মিটার ছুড়ে জেতেন ব্রোঞ্জ।
টোকিও অলিম্পিকে চোপড়া হয়েছিলেন চ্যাম্পিয়ন, আরশাদ হয়েছিলেন পঞ্চম। ২৭ বছর বয়সী আরশাদ সর্বশেষ কমনওয়েলথ গেমসেও জিতেছিলেন স্বর্ণ। অলিম্পিকে যেকোনো ইভেন্টে ১৯৯২ সালের পর প্রথম স্বর্ণ পদক জিতল পাকিস্তান।

ফিফা আসিয়ান কাপ বাংলাদেশের হয়েছে ভুলে যাওয়ার মতোই। তবু টুর্নামেন্টে কিছু প্রাপ্তি ছিল টমাস ডুলির দলের। এই টুর্নামেন্টে যে তিন তরুণ ফুটবলার নজর কেড়েছেন, তাঁদের মধ্যে আছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জাপানি শুকি ইতোফুসা। গতকাল দুপুরে বেরাইদে ফর্টিস ক্লাব ভবনে জাপানি ভাষায় দেওয়া শুকির সাক্ষাৎকার পর্বে বড় সহায়ক
৪০ মিনিট আগে
বড় মঞ্চে ভালো না করার কারণটা পরিষ্কার না আমার কাছেও। তবে বড় দলের সঙ্গে আমাদের ব্যবধান কিন্তু অনেক কমছে। আমরা আগের তুলনায় অনেক ধারাবাহিক। নিয়মিত বড় দলকে হারাই। বড় বড় ম্যাচ জিতি। দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ভালো খেলছি। এশিয়া কাপের ফাইনালও তিনবার খেলছি। কিন্তু ট্রফি জিততে পারিনি। রানার্সআপ আসলে কেউ মনে রাখে না।
১ ঘণ্টা আগে
আরও একটি বড় মঞ্চের পরীক্ষা, আরও একবার ব্যর্থ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এশিয়াডে সান্ত্বনার ব্রোঞ্জ জয়ের সুযোগও হাতছাড়া হয়েছে। এভাবে শূন্য হাতে ফেরার গল্প আর নতুন কি! কিন্তু দ্বিপক্ষীয় সিরিজে বাংলাদেশ বড় দলগুলোকে হারিয়ে দেয়। এমনকি বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের বিশ্বকাপও একবার জেতা হয়েছে। কিন্তু এশিয়া কাপ, এশিয়ান গে
১ ঘণ্টা আগে
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জন্য পর্তুগাল দলের দরজা বন্ধ করেননি কোচ জর্জ জেসুস। বরং জাতীয় দলে ফিরবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত সিআরসেভেনর ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ের পর জেসুসের এমন বার্তায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে পর্তুগাল অধিনায়কের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার।
১ ঘণ্টা আগে