টানেলের দিকে ধীর পায়ে হাঁটছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ক্যামেরাও যেন ছাড়তে চাইছিল না তাঁকে। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুমের দরজা পর্যন্ত অনুসরণ করা সেই দৃশ্যের বিপরীতে মাঠে তখনও উৎসবে মেতে স্পেনের ফুটবলাররা। একই মুহূর্তে ধরা পড়ছিল দুই ভিন্ন অনুভূতি—একদিকে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার উল্লাস, অন্যদিকে এক কিংবদন্তির বিশ্বকাপ-স্বপ্নের শেষ। স্পেন ১–০ গোলের জয়ে শেষ আট নিশ্চিত করেছে, আর সেই পরাজয়ের মধ্য দিয়েই বিশ্বকাপের মঞ্চে শেষ হয়ে গেছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পথচলা।
ডালাস স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর ম্যাচটি দীর্ঘ সময় গোলশূন্য ছিল। স্পেন বলের দখলে এগিয়ে থাকলেও পর্তুগাল রক্ষণে ছিল বেশ গোছানো। ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে সেই সমীকরণ বদলে দেন মিকেল মেরিনো। ফেরান তোরেসের পাস থেকে করা তাঁর একমাত্র গোলেই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে স্পেন।
অবশ্য গোল হজমের পর সমতায় ফেরার সুযোগও পেয়েছিল পর্তুগাল। কিন্তু সেই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি রবার্তো মার্তিনেসের দল। পরে হয়তো তাদের আক্ষেপ থাকবে, পিছিয়ে পড়ার আগেই যদি আক্রমণে আরও সাহসী হতে পারত!
শেষ পর্যন্ত অবশ্য সেই আক্ষেপে আর কিছু বদলায়নি। স্পেন উঠে গেছে কোয়ার্টার ফাইনালে।
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তগুলোর একটি। তাঁকে সান্ত্বনা দিতে আসেন স্পেন তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামাল।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
৩ ঘণ্টা আগে