২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফিটনেস ইস্যুতে কোনো ছাড় দিতে চান না কার্লো আনচেলত্তি। তাই বিশ্ব ফুটবলের ২৩ তম আসরে জায়গা করে নেওয়াটা বেশ কঠিনই হতে পারে নেইমার, ভিনিসিয়ুস জুনিয়রদের জন্য। আনচেলত্তির সোজাসাপ্টা কথা, শতভাগ ফিট না হলে এই দুই ফুটবলারকে বিশ্বকাপ দলের জন্য বিবেচনা করবেন না তিনি।
ফিটনেস ইস্যুতে আনচেলত্তি কতটা সতর্ক, সেটার প্রমাণ ইতোমধ্যে দিয়েছেন তিনি। গত মে মাসে ব্রাজিল জাতীয় দলের কোচ হয়ে আসেন। এরপর বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব এবং প্রীতি ম্যাচের জন্য বেশ কয়েকবার দল দিয়েছেন এই ইতালিয়ান কোচ। চোটের কারণে এখন পর্যন্ত আনচেলত্তির অধীনে ব্রাজিলের স্কোয়াডে ডাক পাননি নেইমার।
সবশেষ ২০২৩ সালের অক্টোবর ব্রাজিলের জার্সিতে খেলেছেন নেইমার। চোটের কারণে এরপর থেকেই দলের বাইরে আছেন এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড। সম্প্রতি চোট নিয়ে মাঠে নেমে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সান্তোসকে জিতিয়েছেন তিনি। একটি করে গোল এবং অ্যাসিস্ট করেছেন সাবেক আল হিলাল তারকা। নেইমারের যোগ্যতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই আনচেলত্তির। কিন্তু তাঁর বার্তা স্পষ্ট; শতভাগ ফিট না হলে দলে জায়গা হবে না।
এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি বলেন, ‘নেইমার ও ভিনিসিয়ুস যদি ৯০ শতাংশ ফিট থাকে তাহলেও আমি ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য অন্য কোনো খেলোয়াড়েক বেছে নেব। আমাদের দলে অনেক ভালো খেলোয়াড় আছে। নেইমারকে শতভাগ ফিট থাকতে হবে। ভিনিসিয়ুসের জন্যও এটা প্রযোজ্য। যদি সে শতভাগ ফিট না থাকে তাহলে আমি অন্য কাউকে দলে ডাকব যে শতভাগ ফিট। দলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেক বেশি। বিশেষ করে আক্রমণভাগে।’
ফিটনেসের বিচারে তারকা খ্যাতিকেও প্রাধান্য দিতে রাজি নন আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘নেইমার একজন প্রতিভাবান ফুটবলার। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সে বারবার চোটের পড়ে। এজন্য সে শারীরিকভাবে ভালো অবস্থায় থাকতে পারে না। প্রতিভার দিক থেকে সে দলের বাকিদের থেকে আলাদা।’

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ভালো খেলেও ২-১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। এই হারের ছাপ পড়েছে র্যাঙ্কিংয়ে। এক ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১৮১তম।
৭ ঘণ্টা আগে
নেপালকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। গতকাল মালদ্বীপের মালে স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালে ১-০ ব্যবধানে মাঠ ছাড়ে জয় নিয়ে বাংলাদেশের যুবারা। মোহাম্মদ মানিকের দুর্দান্ত এক হেডে জয়সূচক গোলের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ।
৮ ঘণ্টা আগে

গোল হজম করে থাইল্যান্ড যখন কিছুটা দিগ্ভ্রান্ত, বাংলাদেশ তখন সেই সুযোগে নিজেদের গুছিয়ে নিতে মনোযোগ দেয়। প্রতিপক্ষের আক্রমণের তীব্রতা কমে আসায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সহজ হয় লাল-সবুজদের জন্য। বিরতির ঠিক আগে সাগরিকার উদ্দেশ্যে আবারও একটি লং পাস বাড়িয়েছিলেন সতীর্থরা।
১১ ঘণ্টা আগে