ইহুদি বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে বিশ্ববিখ্যাত। তবে একপর্যায়ে রাজনীতির ময়দানেও পা রাখার সুযোগ এসেছিল তাঁর। মূলত ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট হওয়ার প্রস্তাব পেয়েছিলেন আইনস্টাইন। তবে এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন তিনি।
১৯৪৮ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন শেষ হওয়ার পর স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইসরায়েল। স্বাধীনতার পর প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন চেম ওয়েজমান। পেশাগত দিক থেকে একজন বায়োকেমিস্ট ছিলেন তিনি। বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ থাকা এবং ইহুদিবিদ্বেষের বিরুদ্ধে অবস্থানের কারণে আইনস্টাইনকে বেশ শ্রদ্ধা করতেন ওয়েজমান।
১৯৫২ সালের ৯ নভেম্বর ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন মৃত্যুবরণ করেন চেইম ওয়েজমান। এর সপ্তাহখানেক পর ১৭ নভেম্বর ইসরায়েলের দূতাবাস থেকে আইনস্টাইনের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে আইনস্টাইনকে প্রেসিডেন্ট হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেন-গুরিয়ন এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন আইনস্টাইন। তখন তাঁর বয়স ৭৩ বছর। আনুষ্ঠানিক প্রত্যাখ্যানপত্রে তিনি লেখেন, ‘যথাযথভাবে মানুষের সঙ্গে মেলামেশার স্বাভাবিক প্রবণতা ও অভিজ্ঞতার অভাব রয়েছে আমার, তা ছাড়া বৃদ্ধও হয়ে যাচ্ছি আমি।’
উল্লেখ্য, ইসরায়েলের একজন প্রেসিডেন্ট বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই শুধু আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন। ১৯৬৮ সালে ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইনস্টাইনের ছবিযুক্ত পাঁচ ইসরায়েলি পাউন্ডের একটি নোট বাজারে ছাড়ে।

আধুনিক কোয়ান্টাম বলবিদ্যার অন্যতম পথিকৃৎ এবং ১৯১৮ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেলজয়ী জার্মান বিজ্ঞানী ম্যাক্স প্লাংকের ১৯৪০-এর দশকে লেখা দুটি ঐতিহাসিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রত্যাহার করেছে বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা সংস্থা ‘স্প্রিংগার নেচার’ (Springer Nature)।
২ দিন আগে
থোরিয়াম-২২৯ ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো কার্যকর নিউক্লিয়ার ঘড়ি তৈরি করলেন ইউরোপ ও চীনের দুই স্বাধীন গবেষক দল। এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে পারমাণবিক ঘড়িকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে এবং ডার্ক ম্যাটার অনুসন্ধানে নতুন দিগন্ত খুলতে পারে।
১৩ দিন আগে
পুরুষদের চুল পড়া বা টাক পড়া (অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেসিয়া) সমস্যার চিকিৎসায় ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি উদ্ভিদের শিকড় অত্যন্ত কার্যকর সমাধান হতে পারে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই আবিষ্কারটি প্রাচীন চিকিৎসাবিদ্যা ও আধুনিক বিজ্ঞানের মেলবন্ধন ঘটিয়েছে।
১৮ দিন আগে
সৌরজগৎকে সাধারণত মানব সভ্যতার অন্যতম স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য কাঠামো হিসেবে দেখা হয়। পৃথিবীতে যাই ঘটুক না কেন, গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট নিয়মে পরিক্রমা করে চলেছে এবং আকাশে একটি সুশৃঙ্খল বিন্যাস তৈরি করছে। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, সৌরজগতের অতীত হয়তো এতটা শান্ত ও সুশৃঙ্খল ছিল না।
২২ দিন আগে