নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজাকারের সন্তানেরাসহ দেশের সবারই সমান অধিকার পাওয়া উচিত বলে মনে করেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।
তিনি বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেছেন, রাজাকারের সন্তানেরা বাংলাদেশে চাকরি পাবে না। আমি তাঁর সঙ্গে একমত না। আমরা যে দেশকে সৃষ্টি করেছি, সেই দেশের সন্তানেরা সমঅধিকার পাবে।’
কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘রাজাকারের বিচার হবে, তবে বঙ্গবন্ধু যে রাজাকারদের মাফ করে দিয়েছিলেন তারা মাফের মধ্যে থাকবে। তাঁদের সামান্যতম উত্ত্যক্ত করা যাবে না। তারা যদি আমাদের হত্যাও করে, তবুও না।’
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত ‘দিনলিপি বঙ্গবন্ধুর শাসন সময়’ (১৯৭২-৭৫, চার খণ্ড) বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বঙ্গবীর এসব কথা বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি খালেদা জিয়ার কাছে যেমন নেতৃত্ব চাই না তেমনি আমার বোন শেখ হাসিনার কাছেও কিছু প্রত্যাশা করি না। কিন্তু তাঁরা যখন ভুল করেন, অন্যায় করেন তাঁদের দ্বারা যখন কোনো ভুল সংঘটিত হয় তখন আমি আহত হই। তখন আমি ব্যথিত হই।’
বঙ্গবীর আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমরা বঙ্গবন্ধুকে বড় করতে পারি নাই। আমরা তাঁর অযোগ্য সন্তানেরা তাঁকে নষ্ট করেছি। ধীরে ধীরে বঙ্গবন্ধু নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে। তিনি এতটা নিষ্ক্রিয় কখনই ছিলেন না। আমাদের উচিত ছিল তাঁকে রাজনৈতিক গণ্ডির বাইরে এনে জাতীয় গণ্ডির মধ্যে রেখে জাতীয় ভাবে প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে স্থাপন করা। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক নেতা ছিলেন, তাঁকে আরও প্রতিষ্ঠিত করা উচিত ছিল। কিন্তু আমরা তা পারি নাই।’
অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন— বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক সেনাপ্রধান এম হারুন-উর রশীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহসীন হোসেন পিন্টু, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান প্রমুখ।

রাজাকারের সন্তানেরাসহ দেশের সবারই সমান অধিকার পাওয়া উচিত বলে মনে করেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।
তিনি বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেছেন, রাজাকারের সন্তানেরা বাংলাদেশে চাকরি পাবে না। আমি তাঁর সঙ্গে একমত না। আমরা যে দেশকে সৃষ্টি করেছি, সেই দেশের সন্তানেরা সমঅধিকার পাবে।’
কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘রাজাকারের বিচার হবে, তবে বঙ্গবন্ধু যে রাজাকারদের মাফ করে দিয়েছিলেন তারা মাফের মধ্যে থাকবে। তাঁদের সামান্যতম উত্ত্যক্ত করা যাবে না। তারা যদি আমাদের হত্যাও করে, তবুও না।’
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত ‘দিনলিপি বঙ্গবন্ধুর শাসন সময়’ (১৯৭২-৭৫, চার খণ্ড) বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বঙ্গবীর এসব কথা বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি খালেদা জিয়ার কাছে যেমন নেতৃত্ব চাই না তেমনি আমার বোন শেখ হাসিনার কাছেও কিছু প্রত্যাশা করি না। কিন্তু তাঁরা যখন ভুল করেন, অন্যায় করেন তাঁদের দ্বারা যখন কোনো ভুল সংঘটিত হয় তখন আমি আহত হই। তখন আমি ব্যথিত হই।’
বঙ্গবীর আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমরা বঙ্গবন্ধুকে বড় করতে পারি নাই। আমরা তাঁর অযোগ্য সন্তানেরা তাঁকে নষ্ট করেছি। ধীরে ধীরে বঙ্গবন্ধু নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে। তিনি এতটা নিষ্ক্রিয় কখনই ছিলেন না। আমাদের উচিত ছিল তাঁকে রাজনৈতিক গণ্ডির বাইরে এনে জাতীয় গণ্ডির মধ্যে রেখে জাতীয় ভাবে প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে স্থাপন করা। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক নেতা ছিলেন, তাঁকে আরও প্রতিষ্ঠিত করা উচিত ছিল। কিন্তু আমরা তা পারি নাই।’
অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন— বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক সেনাপ্রধান এম হারুন-উর রশীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহসীন হোসেন পিন্টু, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান প্রমুখ।

জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকদের বৈঠক নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ প্রসঙ্গে কথা বলেন।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের কূটনৈতিকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের ‘গোপন বৈঠক’ মর্মে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে আমি অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে যখন বাসায় ফিরি, তখন দেশ-বিদেশের অনেকেই আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন।
৩ ঘণ্টা আগে
মা খালেদা জিয়ার প্রতি দেশবাসীর গভীর মমত্ববোধ আপ্লুত করেছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে এই অনুভূতির কথা জানিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লিখেছেন, ‘গভীর শোক ও কৃতজ্ঞতায় ভাস্বর হয়ে আমি আমার প্রিয় মা, জীবনের প্রথম শিক্ষক...
৩ ঘণ্টা আগে
আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই; প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবে। গভীর শোকের এই সময়ে আপনারা যে সহমর্মিতা, সম্মান এবং দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন, তা আমাদের হৃদয় স্পর্শ করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে