ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেন, ‘অবৈধ সরকারের বিদায় না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাবে। সরকারকে বাধ্য করা হবে ক্ষমতা থেকে সরাতে।’
আজ রোববার সকালে ময়মনসিংহের ত্রিশালের বগার বাজার এলাকায় বিএনপির বিভাগীয় রোডমার্চ কর্মসূচির উদ্বোধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মঈন খান এসব কথা বলেন।
আবদুল মঈন খান বলেন, ‘অবৈধ সরকারের বিদায় না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাবে। সরকারকে বাধ্য করা হবে ক্ষমতা থেকে সরাতে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে অগণতান্ত্রিক সরকারের বিদায়ঘণ্টা বাজানো হবে। আজ থেকে ৫২ বছর আগে যে উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তা অবৈধ সরকার ধ্বংস করেছে। আজ মানুষ কথা বলার অধিকার হারিয়েছে। সরকার বাকশাল কায়েম করেছে।’
স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলেই শেয়ারবাজার, ব্যাংক লুট হয়। বিদেশে অর্থ পাচার হয়। আগে সেকেন্ড হোম বলতে কিছু ছিল না, বেগমপাড়াও ছিল না। সব আওয়ামী লীগের সৃষ্টি।’
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, ‘সময় থাকতে সরকারকে জনগণের হাতে ক্ষমতা দিয়ে দেশ ছাড়ুন।’
আলোচনা সভায় ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ারেস আলী মামুন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম, দক্ষিণ জেলা যুগ্ম-আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলু ও আলমগীর মাহমুদ আলম, মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, অ্যাডভোকেট এম এ হান্নান খানসহ অন্যরা।
এরপর রোডমার্চের গাড়িবহর বগারবাজার থেকে রওনা হয়ে চুরখাই বাজার, বাইপাস মোড়, কেওয়াটখালী, শম্ভুগঞ্জ ব্রিজ, চায়না মোড়, শম্ভুগঞ্জ বাজার, গৌরীপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, নান্দাইল হয়ে কিশোরগঞ্জে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেন, ‘অবৈধ সরকারের বিদায় না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাবে। সরকারকে বাধ্য করা হবে ক্ষমতা থেকে সরাতে।’
আজ রোববার সকালে ময়মনসিংহের ত্রিশালের বগার বাজার এলাকায় বিএনপির বিভাগীয় রোডমার্চ কর্মসূচির উদ্বোধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মঈন খান এসব কথা বলেন।
আবদুল মঈন খান বলেন, ‘অবৈধ সরকারের বিদায় না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাবে। সরকারকে বাধ্য করা হবে ক্ষমতা থেকে সরাতে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে অগণতান্ত্রিক সরকারের বিদায়ঘণ্টা বাজানো হবে। আজ থেকে ৫২ বছর আগে যে উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তা অবৈধ সরকার ধ্বংস করেছে। আজ মানুষ কথা বলার অধিকার হারিয়েছে। সরকার বাকশাল কায়েম করেছে।’
স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলেই শেয়ারবাজার, ব্যাংক লুট হয়। বিদেশে অর্থ পাচার হয়। আগে সেকেন্ড হোম বলতে কিছু ছিল না, বেগমপাড়াও ছিল না। সব আওয়ামী লীগের সৃষ্টি।’
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, ‘সময় থাকতে সরকারকে জনগণের হাতে ক্ষমতা দিয়ে দেশ ছাড়ুন।’
আলোচনা সভায় ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ারেস আলী মামুন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম, দক্ষিণ জেলা যুগ্ম-আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলু ও আলমগীর মাহমুদ আলম, মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, অ্যাডভোকেট এম এ হান্নান খানসহ অন্যরা।
এরপর রোডমার্চের গাড়িবহর বগারবাজার থেকে রওনা হয়ে চুরখাই বাজার, বাইপাস মোড়, কেওয়াটখালী, শম্ভুগঞ্জ ব্রিজ, চায়না মোড়, শম্ভুগঞ্জ বাজার, গৌরীপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, নান্দাইল হয়ে কিশোরগঞ্জে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৬ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৬ ঘণ্টা আগে