
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, তখন এ দেশের লবণশ্রমিকেরা তাঁদের উৎপাদিত লবণের ন্যায্যমূল্য পান। এখন লবণের ন্যায্যমূল্য নাই। ঢাকায় মানুষ এক কেজি লবণ ৪০ টাকা করে কিনে খায়, অথচ আমার এলাকায় লবণচাষি ১০ টাকাও কেজিপ্রতি পান না। এটা চরম বৈষম্য।’
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পেকুয়া উপজেলার মগনামা উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত মগনামা ও উজানটিয়া ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘দরিদ্র লবণচাষিদের লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে অনেক সংগ্রাম করেছি এবং তা বাস্তবায়নও করেছি। এখন অর্ন্তবর্তী সরকার আছে, যাঁদের অভিজ্ঞতা না থাকার ফলে লবণ আমদানির কথা বলেছিলেন। ফলে লবণের দাম কমে গেছে। আমাদের অনুরোধে তাঁরা আমদানি বন্ধ করেছেন; এখন লবণের দাম বাড়বে। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে।’
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘বিএনপির অপর নাম গণতন্ত্র, গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি। আমরা এ দেশকে কোথায় নিয়ে যাব, তার একটি রূপরেখা জনগণের কাছে বলেছি। দরিদ্রদের জন্য বলেছি, ফ্যামিলি কার্ড দেব। আমরা দারিদ্র্য বিমোচন করব, এ দেশে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আনব। অথচ আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী যাঁরা ভোট করছেন, তাঁদের দেশের মানুষের জন্য কোনো পরিকল্পনা নেই।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইন, পেকুয়া পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু, কক্সবাজার জেলা ওলামা দলের সভাপতি আলী হাসান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোসলেম উদ্দিন, উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী সাবিনা ইয়াসমিন প্রমুখ।

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ৭ নম্বর সেক্টরের বরগুনা-২ আসনের সাবেক এমপি শওকত হাসানুর রহমান রিমনের বাসায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীরা রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল ও রাষ্ট্রের অবকাঠামোকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ...
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাঁচানোর প্রশ্ন নয়, ফ্যাসিবাদের দোসরদের হাত থেকে জনগণের নিরাপত্তা ও জানমাল রক্ষা করাই প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব। প্রশাসনের দায়িত্ব হলো গোপনে সক্রিয় থাকা ফ্যাসিবাদের দোসরদের নিবৃত্ত করা, আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা এবং জনগণের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা...
২ ঘণ্টা আগে
সব অপরাধের পেছনে সরকারদলীয় নেতা-কর্মী ও মন্ত্রীরা মদদ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, সরকারের ওপরের স্তর থেকে সংকেত পাওয়ার কারণেই সন্ত্রাসীরা সুযোগ পাচ্ছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িত সরকারদলীয় লোকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে বিরোধী দল
১ দিন আগে