
সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়। এ সময় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমরা কেবল ভৌগোলিক সীমানা ভাগাভাগি করি না, আমরা সমৃদ্ধির স্বপ্নও ভাগাভাগি করি।'

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘নিউটনের আপেল যেমন গাছ থেকে পড়ে, তেমনি গণ-অভ্যুত্থান কোনো নিয়ন্ত্রণের আড়ালে পড়ে যায়নি। এটিকে পাকতে হয়েছে। এটি ৩৬ দিনের আন্দোলনের ফসল নয়; ১৭ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলনের ফসল হিসেবে এই আন্দোলন অর্জিত হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করেই পর্যটনের উন্নয়নের চেষ্টা করতে হবে। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি অর্থনৈতিক শক্তিশালী বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই। কক্সবাজারের সমুদ্র সম্পদ, পর্যটন শিল্প, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক যে সম্পদ আছে, এগুলো আহরণ করলে বিশাল একটি রাজস্ব শুধুমাত্র

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানব পাচার শুধু একজন মানুষের স্বাধীনতা ও মর্যাদাকেই ধ্বংস করে না, এটি সমাজের ভিত্তিকেও আঘাত করে। প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিস্তার রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতা তৈরিতে সরকার কাজ করছে।