নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাঁর বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে রাজধানীতে ঝটিকা মশাল মিছিল করেছে বিএনপি। রোববার রাতে হঠাৎ করেই রাজধানীর কাকরাইল মোড় থেকে প্রজ্বলিত মশাল হাতে রাস্তায় নামেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয় মিছিল। খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে শান্তিনগর মোড়ে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়। মিছিলে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল মিছিলে নেতৃত্ব দেন।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে হাবীন উন নবী খান সোহেল বলেন, বেগম জিয়ার চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি যদি না দেওয়া হয়, তাহলে আজ যে আগুন মশালে জ্বলছে, সেই আগুন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে। এই আগুনে সরকারের ক্ষমতার মসনদ তছনছ হয়ে যাবে।
১৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দলের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে, খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন। দেশের বাইরে তার চিকিৎসা করাটা খুব জরুরি বলছেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু সরকারের অনুমতি না পাওয়ায় সেটা সম্ভব হচ্ছে না।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাঁর বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে রাজধানীতে ঝটিকা মশাল মিছিল করেছে বিএনপি। রোববার রাতে হঠাৎ করেই রাজধানীর কাকরাইল মোড় থেকে প্রজ্বলিত মশাল হাতে রাস্তায় নামেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয় মিছিল। খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে শান্তিনগর মোড়ে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়। মিছিলে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল মিছিলে নেতৃত্ব দেন।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে হাবীন উন নবী খান সোহেল বলেন, বেগম জিয়ার চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি যদি না দেওয়া হয়, তাহলে আজ যে আগুন মশালে জ্বলছে, সেই আগুন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে। এই আগুনে সরকারের ক্ষমতার মসনদ তছনছ হয়ে যাবে।
১৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দলের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে, খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন। দেশের বাইরে তার চিকিৎসা করাটা খুব জরুরি বলছেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু সরকারের অনুমতি না পাওয়ায় সেটা সম্ভব হচ্ছে না।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৬ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৭ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
এই অবস্থায় এনসিপির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া গত রোববার সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেন, এনসিপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কি না, তা পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে। আর গতকাল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি বলেছেন, যেকোনো সিদ্ধান্তের জন্য প্রস্তুত এনসিপি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বিএনপির প্রতি ইসির পক্ষপাতমূলক আচরণ নিয়ে অভিযোগ জানান এনসিপির নেতারা। বিশেষ করে দ্বৈত নাগরিকত্ব, ঋণখেলাপি এবং আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়ে ইসি সুস্পষ্টভাবে বিএনপির পক্ষাবলম্বন করছে বলে মনে করেন তাঁরা।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গতকাল বিকেলে যমুনায় যায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল। এ দলে আরও ছিলেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন ও আইনি সহায়তাবিষয়ক উপকমিটির প্রধান জহিরুল ইসলাম মূসা। এ সময় সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘একটা সর্বোত্তম নির্বাচনের জন্য যে পরিবেশ দরকার, নির্বাচন কমিশন ও মাঠ প্রশাসনের যে নিরপেক্ষ আচরণ প্রয়োজন, আমরা সেটা মাঠে দেখছি না। এই বিষয়গুলো আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে জানিয়েছি। নির্বাচন যদি এভাবে পক্ষপাতদুষ্ট হয়, তার দায় শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের ওপরই আসবে।’
এনসিপির নেতারা জানান, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে আস্থাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা হারিয়েছে। কমিশনের ওপর রাজনৈতিক দল ও জনগণের যে আস্থা থাকা প্রয়োজন, তা নষ্ট হয়েছে। চট্টগ্রামের এক বিএনপি প্রার্থীর ক্ষেত্রে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার ঋণখেলাপি থাকা সত্ত্বেও তাঁকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। জামানতকারীতে ঋণখেলাপি হিসেবে গণ্য না করে আইনের ব্যাখ্যা পরিবর্তন করা হয়েছে বলে দাবি তাঁদের। এনসিপির মতে, নির্বাচন কমিশন সংবিধান ও বিভিন্ন আইন নিজের মতো করে ব্যাখ্যা করেছে, যা তাদের এখতিয়ারের বাইরে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনসিপির একজন যুগ্ম সদস্যসচিব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা অনেক আগে থেকে ইসি পুনর্গঠনের দাবি জানিয়ে আসছিলাম। এই দাবিতে শেষমেশ ভোট বর্জনের ঘোষণা আসতে পারে।’
এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সেলের কো-লিড এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পর সবচেয়ে বড় প্রতারণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তারা লজ্জাজনকভাবে একটি পক্ষের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে।’
এনসিপির প্রার্থীদের যে কারণে শোকজ করা হচ্ছে, সেই একই ইস্যুতে অন্য দলের প্রার্থীকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ দলটির নেতাদের। আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের প্রার্থীদের শোকজ দেওয়া হচ্ছে সম্পূর্ণ পক্ষপাতদুষ্টভাবে এবং একটি মিডিয়া ট্রায়ালের উদ্দেশ্যে। কিন্তু সারা দেশে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা দলের নাম, মার্কা বা নেতাদের ছবি ব্যবহার করে পোস্টার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রচারণা চালাচ্ছেন, যা স্পষ্টভাবেই আচরণবিধি লঙ্ঘন। তবে তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন বা স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।’
দলীয় সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখবে এনসিপি। তবে বিএনপির ঋণখেলাপি এবং দ্বৈত নাগরিক প্রার্থীরা শেষমেশ নির্বাচনে থাকলে ভোটের মাঠ থেকে দলটি সরে দাঁড়াতে পারে। এরপর মাঠে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলার ভাবনা আছে তাদের।
এ বিষয়ে মনিরা শারমিন বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। সেটার স্বার্থে আমরা সবকিছু করব। আইনি পথে হাঁটব। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বসব। তারপরও কাজ না হলে আমাদের অন্য পথ ভাবতে হবে।’
পক্ষপাতের সুযোগ নেই
এনসিপি নেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাতের পর তাঁর প্রেস উইং থেকে সংবাদ বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে মাঠ প্রশাসনে লটারির মাধ্যমে রদবদল করা হয়েছে এবং এতে কোনো পক্ষপাতের সুযোগ নেই। এ কথা এনসিপি নেতাদের জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রেস উইং জানায়, বৈঠকে এনসিপি নেতারা নির্বাচন নিয়ে তাঁদের পর্যবেক্ষণ ও উদ্বেগ তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে এনসিপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। একই সঙ্গে নির্বাচনকালীন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যকর ভূমিকার দাবি জানান তাঁরা।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের জন্যই লটারির মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনে রদবদল করা হয়েছে। এ নির্বাচনে কোনো পক্ষপাতের সুযোগ নেই। এই নির্বাচন দেশের ভাগ্য নির্ধারণের নির্বাচন। এ নির্বাচন দেশ পাল্টে দেওয়ার নির্বাচন। এই নির্বাচন সুষ্ঠু হতেই হবে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, নির্বাচন-সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ ও পরামর্শ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারকে জানাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সরকার তা নেবে। কেউ যেন আইন অমান্য না করতে পারে, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনী ‘ক্রাউড ফান্ডিং’ শুরু করল এনসিপি
এনসিপি নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা ও প্রার্থীদের প্রচারের জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে ‘ক্রাউড ফান্ডিং’ শুরু করেছে। রাজধানীর বাংলামোটরে রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ বলেন, এনসিপির প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ প্রার্থী কেন্দ্রীয়ভাবে এই ক্রাউড ফান্ডিংয়ের আওতায় নির্বাচনী ব্যয় পরিচালনা করবেন। এর মাধ্যমে অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা যাবে। তিনি জানান, দাতারা চাইলে সরাসরি এনসিপিকে অথবা নির্দিষ্ট কোনো পছন্দের প্রার্থীকে অনুদান দিতে পারবেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
এই অবস্থায় এনসিপির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া গত রোববার সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেন, এনসিপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কি না, তা পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে। আর গতকাল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি বলেছেন, যেকোনো সিদ্ধান্তের জন্য প্রস্তুত এনসিপি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বিএনপির প্রতি ইসির পক্ষপাতমূলক আচরণ নিয়ে অভিযোগ জানান এনসিপির নেতারা। বিশেষ করে দ্বৈত নাগরিকত্ব, ঋণখেলাপি এবং আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়ে ইসি সুস্পষ্টভাবে বিএনপির পক্ষাবলম্বন করছে বলে মনে করেন তাঁরা।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গতকাল বিকেলে যমুনায় যায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল। এ দলে আরও ছিলেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন ও আইনি সহায়তাবিষয়ক উপকমিটির প্রধান জহিরুল ইসলাম মূসা। এ সময় সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘একটা সর্বোত্তম নির্বাচনের জন্য যে পরিবেশ দরকার, নির্বাচন কমিশন ও মাঠ প্রশাসনের যে নিরপেক্ষ আচরণ প্রয়োজন, আমরা সেটা মাঠে দেখছি না। এই বিষয়গুলো আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে জানিয়েছি। নির্বাচন যদি এভাবে পক্ষপাতদুষ্ট হয়, তার দায় শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের ওপরই আসবে।’
এনসিপির নেতারা জানান, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে আস্থাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা হারিয়েছে। কমিশনের ওপর রাজনৈতিক দল ও জনগণের যে আস্থা থাকা প্রয়োজন, তা নষ্ট হয়েছে। চট্টগ্রামের এক বিএনপি প্রার্থীর ক্ষেত্রে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার ঋণখেলাপি থাকা সত্ত্বেও তাঁকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। জামানতকারীতে ঋণখেলাপি হিসেবে গণ্য না করে আইনের ব্যাখ্যা পরিবর্তন করা হয়েছে বলে দাবি তাঁদের। এনসিপির মতে, নির্বাচন কমিশন সংবিধান ও বিভিন্ন আইন নিজের মতো করে ব্যাখ্যা করেছে, যা তাদের এখতিয়ারের বাইরে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনসিপির একজন যুগ্ম সদস্যসচিব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা অনেক আগে থেকে ইসি পুনর্গঠনের দাবি জানিয়ে আসছিলাম। এই দাবিতে শেষমেশ ভোট বর্জনের ঘোষণা আসতে পারে।’
এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সেলের কো-লিড এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পর সবচেয়ে বড় প্রতারণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তারা লজ্জাজনকভাবে একটি পক্ষের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে।’
এনসিপির প্রার্থীদের যে কারণে শোকজ করা হচ্ছে, সেই একই ইস্যুতে অন্য দলের প্রার্থীকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ দলটির নেতাদের। আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের প্রার্থীদের শোকজ দেওয়া হচ্ছে সম্পূর্ণ পক্ষপাতদুষ্টভাবে এবং একটি মিডিয়া ট্রায়ালের উদ্দেশ্যে। কিন্তু সারা দেশে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা দলের নাম, মার্কা বা নেতাদের ছবি ব্যবহার করে পোস্টার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রচারণা চালাচ্ছেন, যা স্পষ্টভাবেই আচরণবিধি লঙ্ঘন। তবে তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন বা স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।’
দলীয় সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখবে এনসিপি। তবে বিএনপির ঋণখেলাপি এবং দ্বৈত নাগরিক প্রার্থীরা শেষমেশ নির্বাচনে থাকলে ভোটের মাঠ থেকে দলটি সরে দাঁড়াতে পারে। এরপর মাঠে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলার ভাবনা আছে তাদের।
এ বিষয়ে মনিরা শারমিন বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। সেটার স্বার্থে আমরা সবকিছু করব। আইনি পথে হাঁটব। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বসব। তারপরও কাজ না হলে আমাদের অন্য পথ ভাবতে হবে।’
পক্ষপাতের সুযোগ নেই
এনসিপি নেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাতের পর তাঁর প্রেস উইং থেকে সংবাদ বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে মাঠ প্রশাসনে লটারির মাধ্যমে রদবদল করা হয়েছে এবং এতে কোনো পক্ষপাতের সুযোগ নেই। এ কথা এনসিপি নেতাদের জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রেস উইং জানায়, বৈঠকে এনসিপি নেতারা নির্বাচন নিয়ে তাঁদের পর্যবেক্ষণ ও উদ্বেগ তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে এনসিপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। একই সঙ্গে নির্বাচনকালীন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যকর ভূমিকার দাবি জানান তাঁরা।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের জন্যই লটারির মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনে রদবদল করা হয়েছে। এ নির্বাচনে কোনো পক্ষপাতের সুযোগ নেই। এই নির্বাচন দেশের ভাগ্য নির্ধারণের নির্বাচন। এ নির্বাচন দেশ পাল্টে দেওয়ার নির্বাচন। এই নির্বাচন সুষ্ঠু হতেই হবে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, নির্বাচন-সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ ও পরামর্শ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারকে জানাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সরকার তা নেবে। কেউ যেন আইন অমান্য না করতে পারে, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনী ‘ক্রাউড ফান্ডিং’ শুরু করল এনসিপি
এনসিপি নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা ও প্রার্থীদের প্রচারের জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে ‘ক্রাউড ফান্ডিং’ শুরু করেছে। রাজধানীর বাংলামোটরে রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ বলেন, এনসিপির প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ প্রার্থী কেন্দ্রীয়ভাবে এই ক্রাউড ফান্ডিংয়ের আওতায় নির্বাচনী ব্যয় পরিচালনা করবেন। এর মাধ্যমে অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা যাবে। তিনি জানান, দাতারা চাইলে সরাসরি এনসিপিকে অথবা নির্দিষ্ট কোনো পছন্দের প্রার্থীকে অনুদান দিতে পারবেন।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাঁর বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে রাজধানীতে ঝটিকা মশাল মিছিল করেছে বিএনপি। রোববার রাতে হঠাৎ করেই রাজধানীর কাকরাইল মোড় থেকে প্রজ্বলিত মশাল হাতে রাস্তায় নামেন বিএনপির নেতাকর্মীরা
২২ নভেম্বর ২০২১
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৬ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৭ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমানের বিষয়ে নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশে ফেরত এসে বলেছিলেন যে তাঁর একটা পরিকল্পনা আছে। একটা স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনকে চাপ প্রয়োগ করাটা তাঁর পরিকল্পনার অংশ কি না, এ প্রশ্ন জনগণের মনে তৈরি হয়েছে। গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা, নির্বাচনকে একদিকে হেলে ফেলানো, প্রশাসনকে চাপ প্রয়োগ, নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করা, গণভোটে “না”-এর পক্ষে যাতে ভোট পড়ে, ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের সংসদে নেওয়া—এগুলো তাঁর পরিকল্পনার অংশ কি না, তা নিয়ে আমাদের সবার মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।’
তারেক রহমানের উদ্দেশে নাহিদ বলেন, ‘যদি তাঁর পরিকল্পনা এটা থাকে, এই নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে হবে না, ভোটকেন্দ্র দখল হবে, প্রশাসনে দলীয়করণ হবে, নির্বাচন কমিশনকে চাপ দিয়ে তাঁর নিজের দলের পক্ষে রায় নিয়ে আসা হবে, দেশের জনগণ ও তরুণসমাজ এগুলো মেনে নেবে না। তাঁর পরিকল্পনাটা জনগণের সামনে স্পষ্ট করা উচিত।’
নির্বাচন কমিশন বিএনপি প্রার্থীদের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে বলে অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি জানান, গণভোটের প্রচারে ছবি থাকায় এনসিপি প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হচ্ছে৷ অথচ তারেক রহমানের বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন থাকলেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
নির্বাচন কমিশন আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাহিদ ইসলাম ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গত রোববার কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এ প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, তারেক রহমানের ছবি পুরো ঢাকা শহরে, পুরো বাংলাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। আরও অনেক প্রার্থীর ছবিও ব্যবহার করা হচ্ছে। তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।
ইসি যদি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করে, সেটা নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে এবং নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হবে উল্লেখ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, নির্বাচন যদি সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ না হয়, তাহলে এর দায় অন্তর্বর্তী সরকার ও অধ্যাপক ইউনূসের ওপর আসবে।
এদিন নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসে এনসিপির প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন দলটির মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, ওই কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন ও আইনি সহায়তাবিষয়ক উপকমিটির প্রধান জহিরুল ইসলাম মূসা। বৈঠক শেষে তাঁরা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, নাহিদ ইসলাম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়মবহির্ভূতভাবে ‘শোকজ’ করেছে। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলক ও পক্ষপাতদুষ্টভাবে এবং ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ করার জন্য এটি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমানের বিষয়ে নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশে ফেরত এসে বলেছিলেন যে তাঁর একটা পরিকল্পনা আছে। একটা স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনকে চাপ প্রয়োগ করাটা তাঁর পরিকল্পনার অংশ কি না, এ প্রশ্ন জনগণের মনে তৈরি হয়েছে। গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা, নির্বাচনকে একদিকে হেলে ফেলানো, প্রশাসনকে চাপ প্রয়োগ, নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করা, গণভোটে “না”-এর পক্ষে যাতে ভোট পড়ে, ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের সংসদে নেওয়া—এগুলো তাঁর পরিকল্পনার অংশ কি না, তা নিয়ে আমাদের সবার মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।’
তারেক রহমানের উদ্দেশে নাহিদ বলেন, ‘যদি তাঁর পরিকল্পনা এটা থাকে, এই নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে হবে না, ভোটকেন্দ্র দখল হবে, প্রশাসনে দলীয়করণ হবে, নির্বাচন কমিশনকে চাপ দিয়ে তাঁর নিজের দলের পক্ষে রায় নিয়ে আসা হবে, দেশের জনগণ ও তরুণসমাজ এগুলো মেনে নেবে না। তাঁর পরিকল্পনাটা জনগণের সামনে স্পষ্ট করা উচিত।’
নির্বাচন কমিশন বিএনপি প্রার্থীদের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে বলে অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি জানান, গণভোটের প্রচারে ছবি থাকায় এনসিপি প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হচ্ছে৷ অথচ তারেক রহমানের বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন থাকলেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
নির্বাচন কমিশন আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাহিদ ইসলাম ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গত রোববার কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এ প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, তারেক রহমানের ছবি পুরো ঢাকা শহরে, পুরো বাংলাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। আরও অনেক প্রার্থীর ছবিও ব্যবহার করা হচ্ছে। তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।
ইসি যদি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করে, সেটা নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে এবং নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হবে উল্লেখ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, নির্বাচন যদি সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ না হয়, তাহলে এর দায় অন্তর্বর্তী সরকার ও অধ্যাপক ইউনূসের ওপর আসবে।
এদিন নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসে এনসিপির প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন দলটির মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, ওই কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন ও আইনি সহায়তাবিষয়ক উপকমিটির প্রধান জহিরুল ইসলাম মূসা। বৈঠক শেষে তাঁরা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, নাহিদ ইসলাম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়মবহির্ভূতভাবে ‘শোকজ’ করেছে। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলক ও পক্ষপাতদুষ্টভাবে এবং ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ করার জন্য এটি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাঁর বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে রাজধানীতে ঝটিকা মশাল মিছিল করেছে বিএনপি। রোববার রাতে হঠাৎ করেই রাজধানীর কাকরাইল মোড় থেকে প্রজ্বলিত মশাল হাতে রাস্তায় নামেন বিএনপির নেতাকর্মীরা
২২ নভেম্বর ২০২১
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৬ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৭ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসন্ন নির্বাচনের নানা বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে দলীয় অবস্থান জানানোর সময় এমন অভিযোগের কথা জানান তিনি।
সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে। প্রধান উপদেষ্টা এর প্রতিকার না করলে জামায়াত শক্তিশালী পদক্ষেপ নেবে। ২০০৮ সালের মতো ‘ইমব্যালান্সড ইলেকশন’ (ভারসাম্যহীন নির্বাচন) জামায়াত মেনে নেবে না।
তাহের আরও অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত না হওয়াসহ বিভিন্ন বিষয় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে জানাচ্ছেন না কয়েকজন উপদেষ্টা।
জামায়াতের এ নেতা বলেন, প্রধান উপদেষ্টাকে সব খবর দেওয়া হয় না। তিনি বিষয়গুলো না জানলে, দেশ একটি বাজে নির্বাচনের দিকে এগোতে থাকলে জামায়াত সেটি মেনে নেবে না।
ইসলামী আন্দোলনের জোট ছেড়ে যাওয়ায় জোটের নির্বাচনে প্রভাব পড়বে কি না—জানতে চাইলে তাহের বলেন, এটি নির্বাচনে খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারবে না। এ দেশের ইসলামপন্থীরা ইসলাম বা পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেওয়ার জন্য মনস্থির করেছেন। দল হিসেবে কোনো দলের ভিন্ন সিদ্ধান্ত হতে পারে, তবে জনগণের সিদ্ধান্ত এর দ্বারা পরিবর্তন হবে না।

নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসন্ন নির্বাচনের নানা বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে দলীয় অবস্থান জানানোর সময় এমন অভিযোগের কথা জানান তিনি।
সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে। প্রধান উপদেষ্টা এর প্রতিকার না করলে জামায়াত শক্তিশালী পদক্ষেপ নেবে। ২০০৮ সালের মতো ‘ইমব্যালান্সড ইলেকশন’ (ভারসাম্যহীন নির্বাচন) জামায়াত মেনে নেবে না।
তাহের আরও অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত না হওয়াসহ বিভিন্ন বিষয় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে জানাচ্ছেন না কয়েকজন উপদেষ্টা।
জামায়াতের এ নেতা বলেন, প্রধান উপদেষ্টাকে সব খবর দেওয়া হয় না। তিনি বিষয়গুলো না জানলে, দেশ একটি বাজে নির্বাচনের দিকে এগোতে থাকলে জামায়াত সেটি মেনে নেবে না।
ইসলামী আন্দোলনের জোট ছেড়ে যাওয়ায় জোটের নির্বাচনে প্রভাব পড়বে কি না—জানতে চাইলে তাহের বলেন, এটি নির্বাচনে খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারবে না। এ দেশের ইসলামপন্থীরা ইসলাম বা পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেওয়ার জন্য মনস্থির করেছেন। দল হিসেবে কোনো দলের ভিন্ন সিদ্ধান্ত হতে পারে, তবে জনগণের সিদ্ধান্ত এর দ্বারা পরিবর্তন হবে না।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাঁর বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে রাজধানীতে ঝটিকা মশাল মিছিল করেছে বিএনপি। রোববার রাতে হঠাৎ করেই রাজধানীর কাকরাইল মোড় থেকে প্রজ্বলিত মশাল হাতে রাস্তায় নামেন বিএনপির নেতাকর্মীরা
২২ নভেম্বর ২০২১
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৭ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আসিফ মাহমুদের দাবি, যে কারণে তাঁর দলের দুই প্রার্থীকে শোকজ করা হয়েছে, তাতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আগে শোকজ করা উচিত ছিল নির্বাচন কমিশনের (ইসি)।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এমন মন্তব্য করেন আসিফ মাহমুদ।
এনসিপির নাহিদ ইসলাম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ইসির শোকজের প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘যেখানে নিয়ম ভঙ্গ করার কারণে, স্পষ্ট নিয়ম ভঙ্গ করার ফলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, সেখানে আমরা দেখছি যে, সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে চলার পরও আমাদের প্রার্থীদের বিতর্কিত করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার যোগসাজশের মাধ্যমে এ ধরনের শোকজগুলো দেওয়া হচ্ছে। সরকারও স্পষ্টভাবে গণভোটে ‘‘হ্যাঁ’’ ভোটের জন্য প্রচারণা করছে। আমাদের প্রার্থীরা করছেন, আমরাও করছি; এখন এটা আমাদের দলীয় পজিশন; সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য আমরা গণভোটে ‘‘হ্যাঁ’’ ভোট দেওয়ার জন্য জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি।’
এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ইঙ্গিত করে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘অথচ শুধু ছবির দোহাই দিয়ে এটাকে নির্বাচনের প্রচারণার কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু আমরা অত্যন্ত শঙ্কার সঙ্গে দেখেছি, যখন নির্বাচনী প্রচারণা নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় একটি দলের চেয়ারম্যান, তিনি দেশে এসেছেন, আমরা তাঁকে আমাদের জায়গা থেকে স্বাগতম জানিয়েছিলাম, তাঁর ছবি দিয়ে পুরো ঢাকা শহর ছেয়ে ফেলা হয়েছিল, সারা দেশের যেখানেই আমরা গিয়েছি, তাঁর ছবি আমরা দেখেছি। যদি শুধু ছবি দেওয়াটা আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়, তাহলে প্রথমে তাঁকে শোকজ করতে হবে।’
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, ‘প্রিন্সিপাল অ্যান্ড পলিসি সবার জন্য সমান হতে হবে। পলিসি যদি কোনো নির্দিষ্ট দলের প্রতি বা নির্দিষ্ট প্রার্থীর প্রতি আলাদাভাবে অ্যাপ্লাই করা হয়, তাহলে এটা নির্বাচন কমিশনার ও পুরো নির্বাচনব্যবস্থাকে বিতর্কিত করবে বলে আমরা মনে করি। আমরা দাবি করছি যে, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে এবং এটার যথাযথ ব্যাখ্যা জনগণের কাছে দিতে হবে যে—কী কারণে আইনবহির্ভূতভাবে শোকজ করা হলো।’
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে এনসিপির আহ্বায়ক ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম ও ওই দলের মুখ্য সমন্বয়ক ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গতকাল রোববার শোকজ করে নির্বাচন কমিশন। চিঠিতে ইসি উল্লেখ করে, ঢাকা-১১ ও ৮ আসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রার্থীদের (নাহিদ ও নাসীরুদ্দীন) ‘বিশাল আকৃতির রঙিন ছবি’ এবং ‘গণভোটকে ‘‘হ্যাঁ’’ বলি’ স্লোগান-সংবলিত বড় বড় বিলবোর্ড টানানো হয়েছে; যা সরাসরি নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী।
ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর ১৮ নম্বর বিধি অনুযায়ী, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী ভোট গ্রহণের নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ (২১ দিন) আগে কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন না। এই নিয়ম অমান্য করায় তাঁদের এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আসিফ মাহমুদের দাবি, যে কারণে তাঁর দলের দুই প্রার্থীকে শোকজ করা হয়েছে, তাতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আগে শোকজ করা উচিত ছিল নির্বাচন কমিশনের (ইসি)।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এমন মন্তব্য করেন আসিফ মাহমুদ।
এনসিপির নাহিদ ইসলাম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ইসির শোকজের প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘যেখানে নিয়ম ভঙ্গ করার কারণে, স্পষ্ট নিয়ম ভঙ্গ করার ফলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, সেখানে আমরা দেখছি যে, সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে চলার পরও আমাদের প্রার্থীদের বিতর্কিত করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার যোগসাজশের মাধ্যমে এ ধরনের শোকজগুলো দেওয়া হচ্ছে। সরকারও স্পষ্টভাবে গণভোটে ‘‘হ্যাঁ’’ ভোটের জন্য প্রচারণা করছে। আমাদের প্রার্থীরা করছেন, আমরাও করছি; এখন এটা আমাদের দলীয় পজিশন; সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য আমরা গণভোটে ‘‘হ্যাঁ’’ ভোট দেওয়ার জন্য জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি।’
এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ইঙ্গিত করে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘অথচ শুধু ছবির দোহাই দিয়ে এটাকে নির্বাচনের প্রচারণার কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু আমরা অত্যন্ত শঙ্কার সঙ্গে দেখেছি, যখন নির্বাচনী প্রচারণা নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় একটি দলের চেয়ারম্যান, তিনি দেশে এসেছেন, আমরা তাঁকে আমাদের জায়গা থেকে স্বাগতম জানিয়েছিলাম, তাঁর ছবি দিয়ে পুরো ঢাকা শহর ছেয়ে ফেলা হয়েছিল, সারা দেশের যেখানেই আমরা গিয়েছি, তাঁর ছবি আমরা দেখেছি। যদি শুধু ছবি দেওয়াটা আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়, তাহলে প্রথমে তাঁকে শোকজ করতে হবে।’
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, ‘প্রিন্সিপাল অ্যান্ড পলিসি সবার জন্য সমান হতে হবে। পলিসি যদি কোনো নির্দিষ্ট দলের প্রতি বা নির্দিষ্ট প্রার্থীর প্রতি আলাদাভাবে অ্যাপ্লাই করা হয়, তাহলে এটা নির্বাচন কমিশনার ও পুরো নির্বাচনব্যবস্থাকে বিতর্কিত করবে বলে আমরা মনে করি। আমরা দাবি করছি যে, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে এবং এটার যথাযথ ব্যাখ্যা জনগণের কাছে দিতে হবে যে—কী কারণে আইনবহির্ভূতভাবে শোকজ করা হলো।’
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে এনসিপির আহ্বায়ক ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম ও ওই দলের মুখ্য সমন্বয়ক ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গতকাল রোববার শোকজ করে নির্বাচন কমিশন। চিঠিতে ইসি উল্লেখ করে, ঢাকা-১১ ও ৮ আসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রার্থীদের (নাহিদ ও নাসীরুদ্দীন) ‘বিশাল আকৃতির রঙিন ছবি’ এবং ‘গণভোটকে ‘‘হ্যাঁ’’ বলি’ স্লোগান-সংবলিত বড় বড় বিলবোর্ড টানানো হয়েছে; যা সরাসরি নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী।
ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর ১৮ নম্বর বিধি অনুযায়ী, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী ভোট গ্রহণের নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ (২১ দিন) আগে কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন না। এই নিয়ম অমান্য করায় তাঁদের এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাঁর বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে রাজধানীতে ঝটিকা মশাল মিছিল করেছে বিএনপি। রোববার রাতে হঠাৎ করেই রাজধানীর কাকরাইল মোড় থেকে প্রজ্বলিত মশাল হাতে রাস্তায় নামেন বিএনপির নেতাকর্মীরা
২২ নভেম্বর ২০২১
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৬ ঘণ্টা আগে