
মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকার প্রসঙ্গ নিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তাঁর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘তিনি পার্সোনালি আমাকে হার্ট করেছেন।’
আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে ফজলুর রহমান বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্য বলেন, অথচ জামায়াতে ইসলাম করেন। এটা ডাবল অপরাধ। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াত করতে পারে না।’
ফজলুর রহমানের এ-সংক্রান্ত বক্তব্যের পর বিরোধী দলের সদস্যরা হইচই শুরু করেন। তাঁর বক্তব্য ঘিরে জাতীয় সংসদে প্রায় ১০ মিনিট চরম উত্তেজনা ও অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়।
ফজলুর রহমানের বক্তব্যের পর বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, ‘তিনি (ফজলুর রহমান) মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান সবকিছু বলেছেন। কিন্তু নিজের অবদান বলতে...তিনি আরেকজনের অবদানের ওপরে হাতুড়ি পেটানোর অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। তিনি পার্সোনালি আমাকে হার্ট করেছেন।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘তিনি বলেছেন যে আমি বলে থাকি আমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। বলেই তিনি এটাকে চ্যালেঞ্জ করছেন। দুই নম্বর উনি বলেছেন, কোনো মুক্তিযোদ্ধা কিংবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না। তাহলে উনাকে জিজ্ঞেস করা লাগবে? আমি এটার তীব্র নিন্দা জানাই।’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আমার আইডেন্টিটি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, এটা গুরুতর অপরাধ করেছেন। আবার আমার আদর্শ সিলেকশনের ব্যাপারে উনি কথা বলেছেন, এটা বাড়তি অপরাধ করেছেন।’
ফজলুর রহমানের বক্তব্যের অসংসদীয় অংশ এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই সংসদকে ফাংশন করার জন্য বর্তমান জ্বালানি অব্যবস্থাপনা সংকট যেটাই বলি, সেই ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে এসেছিলাম, কথা বলেছি, আলোচনা হয়েছে এবং পরের দিন এসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটা প্রস্তাব দিয়েছেন। আমরা সাথে সাথে এটা গ্রহণ করেছি। তিনি (ফজলুর রহমান) এইটাকে শেষ পর্যন্ত কনক্লুশন রাখলেন কী দিয়ে—যার মগজ যে রকম, তার কনক্লুশন সে রকম। তাঁর মতো একজন প্রবীণ ব্যক্তির কাছ থেকে, রাজনীতিবিদের কাছ থেকে আমি এই ধরনের আচরণ আশা করি না।’
পরে ফজলুর রহমান আবার বক্তব্য দিতে চাইলে স্পিকার তাঁকে ফ্লোর না দিয়ে বলেন, ‘এখন আর তো না বললেও চলে। আমরা সংসদ উত্তপ্ত হোক এ রকম চাই না। আপনি একটু দয়া করে বসুন।’
স্পিকার বলেন, ফজলুর রহমান যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার মধ্যে যদি অসংসদীয় কোনো কিছু থাকলে সেটা এক্সপাঞ্জ করা হবে। বিরোধী দলের নেতা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার মধ্যেও যদি কোনো কিছু অসংসদীয় থাকে, সেটিও এক্সপাঞ্জ করা হবে।

গঠনের পাঁচ মাসের মধ্যে ১১ দলীয় জোটে যেন ভাঙনের সুর বেজে উঠছে। জোটের শরিক দলগুলোর প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসাব না মেলার পাশাপাশি আদর্শিক ও রাজনৈতিক দূরত্বও প্রকাশ পাচ্ছে। বিশেষ করে, সংরক্ষিত নারী আসনে সব দলের মতামত না নেওয়া, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন, সংবিধান সংশোধন...
২ ঘণ্টা আগে
এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন তৈরি করেছে এবং বাংলাদেশের পক্ষে যারা স্বাক্ষর করেছেন–তাঁরা দেখতে বাংলাদেশের মানুষের মতো চেহারার কিন্তু তাঁরা আসলে মার্কিন প্রশাসনের লোক। তাঁদের মেরুদণ্ড নাই, কোনো দায়–দায়িত্ব নাই এবং দেশের সর্বনাশ করতে তাঁদের কোনো কুণ্ঠা নাই...
৬ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘লজ্জাজনক বক্তব্য দেওয়ার তিন দিন পার হলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেননি। সরকারের পক্ষ থেকেও এ ধরনের বক্তব্যের কোনো নিন্দা জানানো হয়নি। এ জন্য আমাদের ধরে নিতে হচ্ছে, সালাহউদ্দিন আহমদের এই বক্তব্যই সীমান্ত হত্যা নিয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান...
২০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দুই দিনব্যাপী বিশেষ দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মশালা সম্পন্ন করেছে দলটি। গতকাল ও আজ শনিবার রাজধানীর মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে ‘বাজেট, অর্থনীতি ও জননীতি: সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা উন্নয়ন’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
১ দিন আগে