
টানা দুই দিন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ কয়েক দিনের খরতাপের মধ্যে এই বৃষ্টি স্বস্তির আবহ তৈরি করলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই অবস্থায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, দেশজুড়ে আজসহ আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি বজায় থাকতে পারে।
আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে বিরাজমান লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর ফলে আজ ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
আগামীকাল বুধবার রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
তৃতীয় দিন, অর্থাৎ শুক্রবারও ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
আগামী শনিবারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
পঞ্চম দিন, অর্থাৎ আগামী রোববার ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
তবে বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই সময়ে বৃষ্টির প্রবণতা কমতে পারে এবং তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) এই সতর্কসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুলেটিনে আরও বলা হয়, বিরাজমান লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ হতে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সকাল শুরু বৃষ্টি দিয়ে। তবুও ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা সংবেদনশীল মানুষদের জন্য সতর্কতামূলক অবস্থানে আছে। সাধারণত বৃষ্টির কারণে দূষণের মাত্রা কম থাকে। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের বায়ুমানের তালিকায় এ চিত্র দেখা যায়।
৫ ঘণ্টা আগে
টানা দুই দিন অল্প অল্প করে বৃষ্টি হওয়ায় প্রচণ্ড তাপের মধ্যেও কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে রাজধানী ঢাকা এবং এর আশপাশের এলাকায়। সেই স্বস্তি আজও অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। যেখানে আজ মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকা এবং এর আশপাশের এলাকায় সকাল ৮টার পর বৃষ্টি হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ঝড়ের মৌসুম শুরু হতে না হতেই দেশজুড়ে বজ্রপাতের ভয়াবহতা আবারও সামনে এসেছে। গত রোববার এক দিনেই আট জেলায় কালবৈশাখীর সঙ্গে বজ্রপাতে ১৫ জন নিহত হয়েছে। আবার গতকালই অন্তত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে