
ফরিদপুরে দাদি-ফুফুসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নের খুশির বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন আমেনা বেগম (৮০), তাঁর মেয়ে রাহেলা বেগম (৫০) এবং প্রতিবেশী রিকশাচালক কাবুল চৌধুরী (৩০)। এ ঘটনায় আহত হয়ে প্রাণে বেঁচে গেছেন শেখ রিয়াজুল।
অভিযুক্ত আকায় (আকাশ) মোল্যা (২৫) ঘটনার পরপরই পালিয়ে গেছেন। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা হারুন মোল্যার ছেলে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রাতের কোনো একসময় আকাশ মোল্যা ঘরে থাকা দাদি ও ফুফুর ওপর কোদাল দিয়ে হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়। চিৎকার শুনে প্রতিবেশী কাবুল চৌধুরী ও শেখ রিয়াজুল এগিয়ে এলে তাঁদের ওপরও আক্রমণ করা হয়। এতে কাবুল চৌধুরী নিহত হন এবং রিয়াজুল দৌড়ে পালিয়ে আহত অবস্থায় প্রাণে রক্ষা পান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আকাশ মোল্যা আগে ফরিদপুর সরকারি যক্ষ্মা নিরাময় কেন্দ্রে চাকরি করতেন। প্রায় এক বছর আগে মানসিক সমস্যার কারণে চাকরি হারানোর পর থেকে তিনি বেকার ছিলেন। পরিবারের ভেতরেও দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর মধ্যে পাঁচ দিন আগে তাঁর ছোট বোন সুমাইয়া আক্তার (১৯) বিষপান করেন এবং বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন।
স্থানীয়রা জানান, আকাশের আচরণ অস্বাভাবিক হয়ে পড়ায় তাঁকে একটি ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল। রাতে ফুফু রাহেলা বেগম ঘরটি খুলতে গেলে তিনি বের হয়ে এ হামলা চালান।
আহত শেখ রিয়াজুল বলেন, ‘আমরা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। ওই সময় বাড়িতে অন্ধকার ও কোনো সাড়া শব্দ না থাকায় এগিয়ে গিয়েছিলাম। তখন দুজনকে খুন করা অবস্থায় দেখা যায়। এ সময় অন্ধকারে ধারালো কোদাল নিয়ে আমাদের ওপরও ঝাঁপিয়ে পড়ে সে, তখন কাবের মাথায় কুপিয়ে থেঁতলিয়ে ফেলে এবং আমিও দৌড়ে পালিয়ে নিজেকে রক্ষা করি।’
আলিয়াবাদ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমিন হোসেন বলেন, ‘রাত ১০টার দিকে খবর পেয়ে ওই বাড়ির উঠানে গিয়ে তিনজনের লাশ পড়ে থাকতে দেখি। ঘাতক আকাশ পালিয়ে গেছে। তবে কী কারণে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।’
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, তিনজনকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘাতক আকাশকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি, তদন্ত সাপেক্ষে হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ বলা যাবে।

প্রায় ১০ বছর আগে ফটিকছড়ি খালের ওপর ৩৬ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণের পর থেকেই সংযোগ সড়ক না থাকায় এটি কোনো কাজে আসছে না। বরং খাল পার হতে গিয়ে ছয়টি পাড়ার কয়েক হাজার মানুষকে প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
২৯ মিনিট আগে
গাজীপুরে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় পাঁচ হাজার শিল্পকারখানা রয়েছে; কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ মিলছে না। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে অধিকাংশ কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এর সঙ্গে রয়েছে ডিজেল সংকট। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে জেনারেটরও বেশিক্ষণ চালছে না। ফলে শ্রমিকেরা তাঁদের উৎপাদনের লক্ষ্য পূরণ করতে পারছেন
৪০ মিনিট আগে
যেসব কৃষক ধান কাটছেন, তাঁদেরও পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। পানির মধ্যে দাঁড়িয়ে ধান কেটে তা শুকনো জায়গায় নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকেই বিকল্প হিসেবে ঘোড়ার গাড়িতে করে বিল ও নদীপাড় থেকে ধান বহন করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ভ্যানচালক নাসির শেখ বলেন, ‘যে দুজন পার্সেলটি আমাকে পৌঁছে দিতে বলেছে, আমি তাদের কাউকে চিনি না। তারা নিজেদের গাড়ির ড্রাইভার পরিচয় দিয়েছিল। আর হামিদুল ইসলামও গাড়ির চালক। তারা একে অপরের পরিচিত বলেছিল। সবাইকে সাক্ষী রেখেই পার্সেলটি খুলেছিলাম। কাঠের বাক্সটি তখনই বিস্ফোরিত হয়।
২ ঘণ্টা আগে