নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আসন ভাগাভাগি নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টির (জাপা) কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। তবে জয়ের স্বার্থে এ নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তিনি।
তিনি বলেছেন, নির্বাচনের কৌশল হিসেবে যেকোনো সিদ্ধান্ত হতেই পারে। সবাই জয়লাভ করতে চায়, এটাই স্বাভাবিক। নির্বাচন কৌশল হিসেবে হবে না বা সম্ভাবনা নাই, সেটা বলা যায় না।
আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর বনানীতে জাপার চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে আসন নিয়ে সমঝোতা হয়েছে কি না জানতে চাইলে জাপা মহাসচিব বলেন, ‘নির্বাচনে কোনো দলের সঙ্গে বোঝাপড়া বা সমঝোতা, সে রকম এখনো কিছু হয়নি। তবে রাজনীতি, নির্বাচনের কৌশল—এগুলোতে শেষ বলে কিছু নেই। যেকোনো সিদ্ধান্ত, যেকোনো সময় দলের পক্ষ থেকে, দলের প্রয়োজনে, নির্বাচনের স্বার্থে অনেক কিছুই হতে পারে।’
আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে দলটির সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না—জানতে চাইলে চুন্নু বলেন, ‘আমার জানামতে, এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয় নাই। আমরা চাই নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ। সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’
নির্বাচন সুষ্ঠু হলে জাতীয় পার্টি দেড় শতাধিক আসন পাবে—এমন প্রত্যাশার কথাও জানান চুন্নু। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, নির্বাচনে যদি ভোটাররা ভোট দিতে পারে, দেড় শতাধিক আসন পাব।’
জাতীয় পার্টি নির্বাচন বর্জন করার কোনো সম্ভাবনা আছে কি না জানতে চাইলে মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘নির্বাচনে এসেছি সরে আসার জন্য না, আটঘাট বেঁধে নেমেছি। যদি উদ্ভূত কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, তখনকার পরিস্থিতি অনুযায়ী আমরা সিদ্ধান্ত নেব। দলের স্বার্থে যেকোনো সময় যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।’

আসন ভাগাভাগি নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টির (জাপা) কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। তবে জয়ের স্বার্থে এ নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তিনি।
তিনি বলেছেন, নির্বাচনের কৌশল হিসেবে যেকোনো সিদ্ধান্ত হতেই পারে। সবাই জয়লাভ করতে চায়, এটাই স্বাভাবিক। নির্বাচন কৌশল হিসেবে হবে না বা সম্ভাবনা নাই, সেটা বলা যায় না।
আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর বনানীতে জাপার চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে আসন নিয়ে সমঝোতা হয়েছে কি না জানতে চাইলে জাপা মহাসচিব বলেন, ‘নির্বাচনে কোনো দলের সঙ্গে বোঝাপড়া বা সমঝোতা, সে রকম এখনো কিছু হয়নি। তবে রাজনীতি, নির্বাচনের কৌশল—এগুলোতে শেষ বলে কিছু নেই। যেকোনো সিদ্ধান্ত, যেকোনো সময় দলের পক্ষ থেকে, দলের প্রয়োজনে, নির্বাচনের স্বার্থে অনেক কিছুই হতে পারে।’
আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে দলটির সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না—জানতে চাইলে চুন্নু বলেন, ‘আমার জানামতে, এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয় নাই। আমরা চাই নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ। সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’
নির্বাচন সুষ্ঠু হলে জাতীয় পার্টি দেড় শতাধিক আসন পাবে—এমন প্রত্যাশার কথাও জানান চুন্নু। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, নির্বাচনে যদি ভোটাররা ভোট দিতে পারে, দেড় শতাধিক আসন পাব।’
জাতীয় পার্টি নির্বাচন বর্জন করার কোনো সম্ভাবনা আছে কি না জানতে চাইলে মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘নির্বাচনে এসেছি সরে আসার জন্য না, আটঘাট বেঁধে নেমেছি। যদি উদ্ভূত কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, তখনকার পরিস্থিতি অনুযায়ী আমরা সিদ্ধান্ত নেব। দলের স্বার্থে যেকোনো সময় যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।’

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ বছর পর নির্বাসন থেকে দেশে ফেরায় উজ্জীবিত হয়ে উঠেছিলেন বিএনপির নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা। কিন্তু সপ্তাহ না ঘুরতেই দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মহাপ্রয়াণে শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছেন তাঁরা।
১ ঘণ্টা আগে
মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনে সহযোগিতার জন্য দায়িত্ব পালনকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজের ও পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘গভীর শোকের এই সময়ে আপনারা যে সহমর্মিতা, সম্মান ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন...
৪ ঘণ্টা আগে
সকাল থেকেই ভিড় জমিয়েছিলেন তাঁরা। উদ্দেশ্য জিয়া উদ্যানসংলগ্ন সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার সমাধি প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা জানানো। সবার জন্য উন্মুক্ত করার পর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম অগ্রসৈনিক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সমাধিতে তাঁরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। মোনাজাত করেন রুহের মাগফিরাত কামনা করে।
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে