নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকার চায় শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল বিরোধী দল, কিন্তু বিএনপি মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তুলতে চায় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তাদের আন্দোলন কথাসর্বস্ব এবং ভার্চুয়াল।
আজ রোববার জাতীয় সংসদ এলাকার বাসভবনে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন কাদের। তিনি বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন বিএনপির রাজনীতিতে নেই, নেই কোনো রাজনৈতিক ইতিবাচক কর্মসূচি। তাঁদের কর্মসূচির সঙ্গে জনগণ ও রাজপথের কোনো সংযোগ নেই।
ভুল থেকে শিক্ষা নিতে না পারাই বিএনপির বড় ব্যর্থতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার সৎসাহস আছে বলেই আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তার পাল্লা এখন অনেক ভারী। ক্ষমতার রাজনীতিতে বিএনপিকে মানুষ আওয়ামী লীগের বিকল্প ভাবতে পারছে না।
বিএনপি নেতারা সর্বত্র নৈরাজ্য দেখতে পায়, তারা দেশের ভালো কিছু দেখতে পায় না—এমনটা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি সকালের স্নিগ্ধ আলোয় দেখে সন্ধ্যার অন্ধকার। তারা এতটাই একচোখা যে, গত এক যুগের বেশি সময়ে সরকারের একটা ভালো কাজও দেখতে পায়নি।
বিএনপি জনপ্রত্যাশা থেকে ছিটকে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপির নেতারা বলেছেন চতুর্দিকে নাকি শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা, মানুষ পরিবর্তন চায়। কিন্তু নেতিবাচক রাজনীতির কারণে বিএনপির অবস্থাই এখন শ্বাসরুদ্ধকর। একদিকে নির্বাচন ও আন্দোলনের ব্যর্থতা, অন্যদিকে কর্মী-সমর্থকদের হতাশা, সব মিলিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, হঠকারী রাজনীতি এবং ধর্মান্ধ ও ক্ষমতালোভী নেতৃত্ব বিএনপিকে আজ কঠিন সময়ের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি যদি নিজেদের বদলাতে না পারে, তাহলে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হতে হবে মুসলিম লীগের মতো। দেশের মানুষ বিএনপির উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর লালন-পালন থেকে পরিবর্তন চায়, তারা চায় বিএনপি জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল হোক। জনগণ চায় বিএনপি অগণতান্ত্রিক পথে না হেঁটে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য স্বীকৃত ও সাংবিধানিক পথে আসুক।

সরকার চায় শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল বিরোধী দল, কিন্তু বিএনপি মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তুলতে চায় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তাদের আন্দোলন কথাসর্বস্ব এবং ভার্চুয়াল।
আজ রোববার জাতীয় সংসদ এলাকার বাসভবনে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন কাদের। তিনি বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন বিএনপির রাজনীতিতে নেই, নেই কোনো রাজনৈতিক ইতিবাচক কর্মসূচি। তাঁদের কর্মসূচির সঙ্গে জনগণ ও রাজপথের কোনো সংযোগ নেই।
ভুল থেকে শিক্ষা নিতে না পারাই বিএনপির বড় ব্যর্থতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার সৎসাহস আছে বলেই আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তার পাল্লা এখন অনেক ভারী। ক্ষমতার রাজনীতিতে বিএনপিকে মানুষ আওয়ামী লীগের বিকল্প ভাবতে পারছে না।
বিএনপি নেতারা সর্বত্র নৈরাজ্য দেখতে পায়, তারা দেশের ভালো কিছু দেখতে পায় না—এমনটা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি সকালের স্নিগ্ধ আলোয় দেখে সন্ধ্যার অন্ধকার। তারা এতটাই একচোখা যে, গত এক যুগের বেশি সময়ে সরকারের একটা ভালো কাজও দেখতে পায়নি।
বিএনপি জনপ্রত্যাশা থেকে ছিটকে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপির নেতারা বলেছেন চতুর্দিকে নাকি শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা, মানুষ পরিবর্তন চায়। কিন্তু নেতিবাচক রাজনীতির কারণে বিএনপির অবস্থাই এখন শ্বাসরুদ্ধকর। একদিকে নির্বাচন ও আন্দোলনের ব্যর্থতা, অন্যদিকে কর্মী-সমর্থকদের হতাশা, সব মিলিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, হঠকারী রাজনীতি এবং ধর্মান্ধ ও ক্ষমতালোভী নেতৃত্ব বিএনপিকে আজ কঠিন সময়ের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি যদি নিজেদের বদলাতে না পারে, তাহলে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হতে হবে মুসলিম লীগের মতো। দেশের মানুষ বিএনপির উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর লালন-পালন থেকে পরিবর্তন চায়, তারা চায় বিএনপি জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল হোক। জনগণ চায় বিএনপি অগণতান্ত্রিক পথে না হেঁটে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য স্বীকৃত ও সাংবিধানিক পথে আসুক।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, কথিত একটি রাজনৈতিক দল, যারা কোনো দিনই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে ছিল না, তারা সহিংসতা করে নির্বাচন বানচালের জন্য চক্রান্ত করছে। কারণ, তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নয়। দল (বিএনপি) তাদের চক্রান্তে পা দেবে না।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে চারটি সংস্থার সম্মিলিত এক জরিপে। নতুন এই জরিপ দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। জনসমর্থনে বিএনপি মাত্র ১ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে আছে।
৩ ঘণ্টা আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
৪ ঘণ্টা আগে