নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আশঙ্কা আছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের। তিনি বলেছেন, ‘কর্তৃত্ববাদী সরকারের সামনে প্রশাসন বা সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো অসহায় হয়ে পড়ে। তাই কর্তৃত্ববাদী সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আশঙ্কা আছে।’ শনিবার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জি এম কাদের বলেন, ‘ইতিমধ্যেই সরকারপ্রধান ঘোষণা করেছেন আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ইভিএমে। সবগুলো আসনে ইভিএমে ভোট গ্রহণ না করলেও, যেসব আসনে সরকারদলীয় প্রার্থীরা প্রকাশ্যে প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না সেখানে হয়তো ইভিএম-এ ভোট গ্রহণ চলবে। জাতীয় পার্টি প্রহসনের নির্বাচন চায় না। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলকে আলোচনার জন্য ডাকা হলে আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সংলাপে অংশ নেব।’
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশে ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থা চালু করেছে। ঔপনিবেশিক আমলে মানুষকে শোষণ করতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হতো। প্রশাসকদের জবাবদিহি থাকত শুধু সরকারের কাছে, কারণ সাধারণ মানুষের কাছে প্রশাসকদের কোনো জবাবদিহি থাকে না। বর্তমানে দেশে গণতন্ত্রের ছিটেফোঁটাও নেই। সব ক্ষেত্রে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, রাজনীতিবিদদের কোনো কর্তৃত্ব নেই। তাই দেশের জনগণের কাছে কারও জবাবদিহি নেই।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, অ্যাডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সৈয়দ দিদার বখত, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শেরীফা কাদের এমপি, নাজনীন সুলতানা, মাসরুর মওলা, ভাইস চেয়ারম্যান শফিউল্লাহ শফি প্রমুখ।

বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আশঙ্কা আছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের। তিনি বলেছেন, ‘কর্তৃত্ববাদী সরকারের সামনে প্রশাসন বা সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো অসহায় হয়ে পড়ে। তাই কর্তৃত্ববাদী সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আশঙ্কা আছে।’ শনিবার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জি এম কাদের বলেন, ‘ইতিমধ্যেই সরকারপ্রধান ঘোষণা করেছেন আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ইভিএমে। সবগুলো আসনে ইভিএমে ভোট গ্রহণ না করলেও, যেসব আসনে সরকারদলীয় প্রার্থীরা প্রকাশ্যে প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না সেখানে হয়তো ইভিএম-এ ভোট গ্রহণ চলবে। জাতীয় পার্টি প্রহসনের নির্বাচন চায় না। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলকে আলোচনার জন্য ডাকা হলে আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সংলাপে অংশ নেব।’
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশে ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থা চালু করেছে। ঔপনিবেশিক আমলে মানুষকে শোষণ করতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হতো। প্রশাসকদের জবাবদিহি থাকত শুধু সরকারের কাছে, কারণ সাধারণ মানুষের কাছে প্রশাসকদের কোনো জবাবদিহি থাকে না। বর্তমানে দেশে গণতন্ত্রের ছিটেফোঁটাও নেই। সব ক্ষেত্রে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, রাজনীতিবিদদের কোনো কর্তৃত্ব নেই। তাই দেশের জনগণের কাছে কারও জবাবদিহি নেই।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, অ্যাডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সৈয়দ দিদার বখত, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শেরীফা কাদের এমপি, নাজনীন সুলতানা, মাসরুর মওলা, ভাইস চেয়ারম্যান শফিউল্লাহ শফি প্রমুখ।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভিত্তি। মুক্তিযুদ্ধকে বাদ দিলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকে না। ফলে নব্বই ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেই এগোতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করেছেন ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া তাসনিম জারা। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রের ঢাকা অঞ্চলের ৭ নম্বর বুথে তিনি এই আপিল করেন।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের শীর্ষ নেতারা। আজ সোমবার বেলা ১১টায় বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে আসেন তাঁরা।
৫ ঘণ্টা আগে
সোমবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘আজাদী পদযাত্রা’র আগে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি পুরো বাংলাদেশকে ‘আজাদ অঞ্চল’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
৬ ঘণ্টা আগে