সম্পাদকীয়

রাজনৈতিক হাওয়া উত্তপ্ত যখন, তখনই শীতের প্রকোপে বিহ্বল দেশ। দুদিন হালকা রোদ উঠলেও সূর্যের উত্তাপহীন হাড়কাঁপানো শীত এবার দেশের মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে। সামনে নির্বাচন, তা নিয়েই ব্যস্ত মানুষ। কিন্তু এই নির্বাচনী ব্যস্ততার মধ্যে আর্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে।
পরিবেশের ওপর নানা অত্যাচারের কারণে পৃথিবীপৃষ্ঠের উত্তাপ বাড়ছে। মানুষ প্রকৃতি ও পরিবেশের ওপর নিষ্ঠুরভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ছে, তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রকৃতি। কলকারখানার বর্জ্য দূষিত করছে পরিবেশ। এই দূষণের কারণে প্রকৃতির স্বাস্থ্যহানি ঘটছে। গলে যাচ্ছে সঞ্চিত বরফ। তারই পাশাপাশি কখনো কখনো নেমে আসছে শীত। পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে গরম যেমন ভয়ংকর হয়ে উঠেছে, তেমনি উল্টোভাবে যে শীত পড়ছে, তা-ও অতিক্রম করছে সহ্যসীমা। প্রতিবছর পরিবেশ ও জলবায়ু নিয়ে বিশ্বের শীর্ষ বোদ্ধারা সম্মেলন করেন যখন, তখন মনুষ্য-সৃষ্ট প্রকৃতির দৈন্য ফুটে ওঠে তাদের কথায়। কিন্তু বিশ্বনেতারা তাতে খুব একটা বিচলিত হন বলে মনে হয় না। উন্নত বিশ্বেই প্রকৃতির প্রতি অনুদার হওয়ার প্রচুর উদাহরণ আছে। কিন্তু তা প্রতিরোধের কঠোর কোনো উদাহরণ পাওয়া দুষ্কর।
তীব্র শীতে দেশের মানুষ বিপদে পড়েছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে এই শীত এসেছে অভিশাপ হয়ে। বয়স্ক, শিশু ও গৃহহীন মানুষেরা রয়েছে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায়। বেশ কয়েক দিন ঘন কুয়াশায় দেশ ঢাকা পড়ায় স্বাভাবিক চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে। বিমান, লঞ্চ, ফেরি, বাস চলাচল হয়ে পড়েছে অনিশ্চিত। যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এ রকম সময় স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে।
এ রকম শীতে যে ধরনের গরম কাপড়ের প্রয়োজন পড়ে, দুর্ভাগ্যজনকভাবে দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থানকারী মানুষের জন্য তা সহজলভ্য নয়। শীতে বিপর্যপ্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সচ্ছল মানুষের দায়িত্ব হয়ে পড়েছে। যাঁদের সামর্থ্য আছে, তাঁরা যদি শীতবস্ত্র সংগ্রহ ও বিতরণের জন্য এগিয়ে আসেন, তাহলে এই দুঃসময়ে মানুষ নির্ভরতা পাবে। নিজ এলাকার বয়স্ক, অসুস্থ ও গৃহহীনদের খোঁজ রাখা এলাকাবাসীর নৈতিক দায়িত্ব। ব্যক্তি উদ্যোগের চেয়ে সামাজিক উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে অনেক দ্রুত কাজ করবে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর মনে রাখতে হবে, গ্রামের চরাঞ্চল, হাওর এলাকা এবং উত্তরবঙ্গের মানুষ এবার শীতে বেশি আক্রান্ত। সুতরাং অগ্রাধিকার তালিকায় তাদের রাখতে হবে।
শীতের পোশাকের পাশাপাশি শীতের রোগ নিয়েও ভাবতে হবে। এ সময় নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডাজনিত জ্বর যেন না হয়, সেদিকে নজর রাখা জরুরি।
শীতের প্রকোপ কমে যাবে একসময়, কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারলে যে ক্ষতি হয়ে যাবে, তা পূরণ করা সম্ভব হবে না। তাই কালক্ষেপণ না করে শীতে আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো দরকার। নির্বাচনী ডামাডোলে প্রচারের পাশাপাশি নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষের পাশে সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়ালে সব প্রার্থীর মধ্যে সৌহার্দ্য যেমন গড়ে উঠবে, তেমনি জনগণও শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষা পাবে। এ দিকটি বিবেচনা করে দেখতে পারেন নির্বাচনের প্রার্থীরা।

রাজনৈতিক হাওয়া উত্তপ্ত যখন, তখনই শীতের প্রকোপে বিহ্বল দেশ। দুদিন হালকা রোদ উঠলেও সূর্যের উত্তাপহীন হাড়কাঁপানো শীত এবার দেশের মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে। সামনে নির্বাচন, তা নিয়েই ব্যস্ত মানুষ। কিন্তু এই নির্বাচনী ব্যস্ততার মধ্যে আর্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে।
পরিবেশের ওপর নানা অত্যাচারের কারণে পৃথিবীপৃষ্ঠের উত্তাপ বাড়ছে। মানুষ প্রকৃতি ও পরিবেশের ওপর নিষ্ঠুরভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ছে, তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রকৃতি। কলকারখানার বর্জ্য দূষিত করছে পরিবেশ। এই দূষণের কারণে প্রকৃতির স্বাস্থ্যহানি ঘটছে। গলে যাচ্ছে সঞ্চিত বরফ। তারই পাশাপাশি কখনো কখনো নেমে আসছে শীত। পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে গরম যেমন ভয়ংকর হয়ে উঠেছে, তেমনি উল্টোভাবে যে শীত পড়ছে, তা-ও অতিক্রম করছে সহ্যসীমা। প্রতিবছর পরিবেশ ও জলবায়ু নিয়ে বিশ্বের শীর্ষ বোদ্ধারা সম্মেলন করেন যখন, তখন মনুষ্য-সৃষ্ট প্রকৃতির দৈন্য ফুটে ওঠে তাদের কথায়। কিন্তু বিশ্বনেতারা তাতে খুব একটা বিচলিত হন বলে মনে হয় না। উন্নত বিশ্বেই প্রকৃতির প্রতি অনুদার হওয়ার প্রচুর উদাহরণ আছে। কিন্তু তা প্রতিরোধের কঠোর কোনো উদাহরণ পাওয়া দুষ্কর।
তীব্র শীতে দেশের মানুষ বিপদে পড়েছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে এই শীত এসেছে অভিশাপ হয়ে। বয়স্ক, শিশু ও গৃহহীন মানুষেরা রয়েছে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায়। বেশ কয়েক দিন ঘন কুয়াশায় দেশ ঢাকা পড়ায় স্বাভাবিক চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে। বিমান, লঞ্চ, ফেরি, বাস চলাচল হয়ে পড়েছে অনিশ্চিত। যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এ রকম সময় স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে।
এ রকম শীতে যে ধরনের গরম কাপড়ের প্রয়োজন পড়ে, দুর্ভাগ্যজনকভাবে দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থানকারী মানুষের জন্য তা সহজলভ্য নয়। শীতে বিপর্যপ্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সচ্ছল মানুষের দায়িত্ব হয়ে পড়েছে। যাঁদের সামর্থ্য আছে, তাঁরা যদি শীতবস্ত্র সংগ্রহ ও বিতরণের জন্য এগিয়ে আসেন, তাহলে এই দুঃসময়ে মানুষ নির্ভরতা পাবে। নিজ এলাকার বয়স্ক, অসুস্থ ও গৃহহীনদের খোঁজ রাখা এলাকাবাসীর নৈতিক দায়িত্ব। ব্যক্তি উদ্যোগের চেয়ে সামাজিক উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে অনেক দ্রুত কাজ করবে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর মনে রাখতে হবে, গ্রামের চরাঞ্চল, হাওর এলাকা এবং উত্তরবঙ্গের মানুষ এবার শীতে বেশি আক্রান্ত। সুতরাং অগ্রাধিকার তালিকায় তাদের রাখতে হবে।
শীতের পোশাকের পাশাপাশি শীতের রোগ নিয়েও ভাবতে হবে। এ সময় নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডাজনিত জ্বর যেন না হয়, সেদিকে নজর রাখা জরুরি।
শীতের প্রকোপ কমে যাবে একসময়, কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারলে যে ক্ষতি হয়ে যাবে, তা পূরণ করা সম্ভব হবে না। তাই কালক্ষেপণ না করে শীতে আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো দরকার। নির্বাচনী ডামাডোলে প্রচারের পাশাপাশি নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষের পাশে সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়ালে সব প্রার্থীর মধ্যে সৌহার্দ্য যেমন গড়ে উঠবে, তেমনি জনগণও শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষা পাবে। এ দিকটি বিবেচনা করে দেখতে পারেন নির্বাচনের প্রার্থীরা।

৩০ ডিসেম্বর রাতে বান্দরবান থেকে ফিরছিলাম। বাসস্ট্যান্ডে এসে দেখি লোকে লোকারণ্য। সবার গন্তব্য ঢাকা। কেউ বলছে, ‘মায়ের জানাজায় অংশগ্রহণ করব’, কেউ বলছে, ‘নেত্রীকে এক ঝলক দেখব, শেষ দেখা’। সবার চোখ অশ্রুসিক্ত। ৩১ ডিসেম্বর সকালে নির্ধারিত সময়ে ঢাকায় পৌঁছানো সম্ভব হলো না। কারণ, রাস্তাজুড়ে গাড়ি আর গাড়ি।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে প্রতিবছর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাস অনেক অভিভাবকের কাটে উদ্বেগ-দুশ্চিন্তায়। এ কথা বেশি প্রযোজ্য নতুন শিশুশিক্ষার্থীর অভিভাবকদের জন্য। কারণ, সন্তানকে পছন্দমতো বিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে পারবেন কি না, তা নিয়ে তাঁদের দুশ্চিন্তার অন্ত থাকে না। অনেকে সন্তানকে ভর্তি করাতে পারেন, অনেকে পারেন না।
৩ ঘণ্টা আগে
সবাইকে খ্রিষ্টীয় নববর্ষের শুভেচ্ছা। নতুন বছরটি শুভ হোক, কল্যাণকর হোক—এই আশা এ দেশের প্রত্যেক মানুষই করবে। আমরাও আমাদের পাঠক, গুণগ্রাহী, বিজ্ঞাপনদাতা, এজেন্টসহ সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। সবার জীবনে নতুন বছর শান্তির পরশ বুলিয়ে দিক।
১ দিন আগে
নতুন বছর ২০২৬-কে সুস্বাগত। ক্যালেন্ডারের পাতা বদলে গেল, সময় এগিয়ে গেল আরেক ধাপ। পৃথিবীর কাছে যদি জিজ্ঞাসা করো সে কবি নাজিম হিকমতের ভাষায় হয়তো বলবে, একটি বছর অণুমাত্র কাল। তবে মানুষের জীবনে একটি বছর মিনিট-সেকেন্ডের এক বিশাল ব্যাপ্তি।
১ দিন আগে