Ajker Patrika

বড় নেতার সম্পদ কম

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
বড় নেতার সম্পদ কম

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নগদ ও ব্যাংকে জমা আছে ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা। আয়কর রিটার্নে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকার সম্পদের হিসাব দিয়েছেন তিনি। পেশায় রাজনীতিবিদ তারেক রহমানের নিজের কোনো বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থাপনা নেই। শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে বছরে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা আয় করেন তিনি। এই আয় থেকে ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭১৩ টাকা আয়করও দিয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী হিসেবে তারেক রহমানের জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের ব্যাংকে নিজ নামে ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকার এফডিআর আছে। সঞ্চয়ী আমানত ২০ হাজার ও অন্যান্য আমানত আছে ১ লাখ টাকার। ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকার আসবাব আছে। এর বাইরে ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকার অকৃষিজমি আছে। উপহারের আবাসস্থলের জমি আছে ২ দশমিক ৯ শতাংশ।

এদিকে তারেক রহমানের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ নগদ অর্থ আছে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের। ঢাকা-১৫ আসন থেকে নির্বাচন করতে যাওয়া শফিকুর রহমান হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, তাঁর হাতে নগদ আছে ৬০ লাখ ৭৬ হাজার ৪৯৭ টাকা। পেশা হিসেবে চিকিৎসক উল্লেখ করলেও সেখান থেকে কোনো আয় দেখাননি তিনি। কৃষি খাত থেকে আয় করেন ৩ লাখ টাকা।

জামায়াত আমিরের ১৭ লাখ ৭১ হাজার টাকার কৃষিজমি ও ২ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩৪ টাকার অকৃষিজমি আছে। এ ছাড়া ২৭ লাখ টাকার ১১ দশমিক ৭৭ শতক জমিতে ডুপ্লেক্স বাড়ি আছে তাঁর।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসন থেকে ভোট করবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। হলফনামায় তিনি নিজের পেশা হিসেবে ‘পরামর্শক’ উল্লেখ করেছেন। শিক্ষকতা ও পরামর্শ দিয়ে বছরে আয় করেন ১৬ লাখ টাকা। নগদ অর্থ ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ব্যাংকে আছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা রয়েছে তাঁর। এ ছাড়া ৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকার গয়না রয়েছে। আয়কর রিটার্নে তিনি ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকার সম্পদের হিসাব দিয়েছেন।

মির্জা ফখরুলের আয় পৌনে ১২ লাখ

ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচন করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি হলফনামায় নিজের পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ব্যবসা, পরামর্শক। এর বাইরে কৃষি, ব্যাংক মুনাফা ও সম্মানী থেকে আয় হয় তাঁর। কৃষি খাতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ব্যবসায় ১ লাখ ৯৭ হাজার ২৩২ টাকা, পরামর্শক হিসেবে ৬ লাখ টাকা, চাকরি থেকে আয় করেন ১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। ব্যাংক মুনাফা থেকে বছরে আয় আসে ৭ হাজার ৯০১ টাকা।

ফখরুলের হাতে বর্তমানে আছে ১ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ১১৬ টাকা ৭৭ পয়সা। বিভিন্ন ব্যাংকে জমা আছে ৩ লাখ ৮২ হাজার ১৫২ টাকা ৯৬ পয়সা। এর বাইরে ১ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ টাকার শেয়ার, ২ লাখ ৯০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য ও আসবাব, একটি গাড়ি ও ১০ ভরি সোনা রয়েছে তাঁর।

এ ছাড়া ৫ একর কৃষিজমি, ঠাকুরগাঁওয়ের পৈতৃক সূত্রে পাওয়া দোতলা বাড়ির তাঁর অংশের মূল্য ১০ লাখ টাকা বলে হলফনামায় দেখিয়েছেন তিনি। নিজের নামে ৪ শতাংশ জমির মূল্য ৫ লাখ টাকা। আয়কর রিটার্নে তিনি ১ কোটি ৫২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮৩ টাকার সম্পদের বিবরণ দিয়েছেন।

মির্জা আব্বাসের হাতে আছে পৌনে ৪ কোটি টাকা

ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচন করতে যাওয়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস হলফনামায় তাঁর পেশা দেখিয়েছেন ব্যবসা। তিনি বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান ও অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া পান ৩ কোটি ৪ লাখ ১৭ হাজার ১৮২ টাকা। শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত আছে ৪ কোটি ৯৩ লাখ ১০ হাজার ৩৪১ টাকা। এফডিআর ও ব্যাংক লাভ ১ কোটি ২৯ লাখ ১৭ হাজার ৬০৯ টাকা। হাতে আছে আনুমানিক ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এর বাইরে ১ লাখ ২ হাজার ৮৭৫ দশমিক ৭২ মার্কিন ডলার তাঁর কাছে রয়েছে। ব্যাংকে জমা আছে ৭১ লাখ ৪৩ হাজার ৯১৯ টাকা। ঢাকা ব্যাংকের শেয়ার আছে অর্জনকালীন ৫১ কোটি ৭৯ লাখ ৩৭ হাজার ৮০ টাকার, বিও অ্যাকাউন্টে অর্জনকালীন ৬ কোটি ৫৫ লাখ ৯৩ হাজার ২৬৭ টাকা। ব্যাংকে স্থায়ী আমানত আছে ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৪৪ হাজার ৩১১ টাকা। দুটি গাড়ির মূল্য ২ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এর বাইরে কত টাকার গয়না, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, আসবাব রয়েছে, তা জানিয়েছেন তিনি। ৪ লাখ ১০ হাজার টাকার তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র আছে।

১৮ লাখ ৫ হাজার টাকার অকৃষিজমি, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ৬ হাজার ১০৬ বর্গফুটের ভবন, ৬টি ফ্ল্যাট, ২টি পার্কিং ও একটি ভবনে ৮ হাজার ৩০ বর্গফুটের ফ্লোর আছে তাঁর। আয়কর রিটার্নে ৫৩ কোটি ১৬ লাখ ৬০ হাজার ৯৪৭ টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদের বার্ষিক আয় ৬ কোটি ২১ লাখ টাকা

কক্সবাজার-১ আসন থেকে ভোট করতে যাওয়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের বার্ষিক আয় ৬ কোটি ২১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৩৭ টাকা। হলফনামায় আয়ের উৎসে তিনি কৃষি খাত থেকে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা; বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান ও অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা, ব্যবসা থেকে ৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকার কথা বলেছেন। এ ছাড়া চাকরি থেকে ২৬ লাখ ৪০ হাজার এবং অন্যান্য উৎস্য থেকে ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা আয় করেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর হাতে নগদ ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫২ হাজার ৬৭ টাকা, ব্যাংকে ৩৯ লাখ ৪৯ হাজার ৯৯২ টাকা এবং শেয়ার বাজারে ২৬ লাখ টাকা বিনিয়োগ থাকার কথা জানিয়েছেন।

তিনটি গাড়ি, উপহারের ১২ দশমিক ৩ তোলা স্বর্ণ, ২ লাখ ৪৫ হাজার ৪৭৫ টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য, ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৮০০ টাকার আসবাব রয়েছে সালাহউদ্দিন আহমদের। ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে তাঁর। নিজ নামে রয়েছে ৭ কোটি ৮৩ লাখ ৪৯ হাজার ২৬৭ টাকার সম্পদ।

বছরে সাড়ে ২৪ লাখ টাকা কর দেন আমীর খসরু

চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে ভোট করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে নগদ ১ কোটি ৮৭ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫০ রয়েছে। আয়কর রিটার্নে তিনি ১০ কোটি ৩৪ লাখ ৯৫ হাজার ১৭৭ টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন। পেশা হিসেবে ব্যবসা করার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। আয়কর দিয়েছেন ২৪ লাখ ৪০ হাজার ৫৯২ টাকা।

গোলাম পরওয়ারের আছে কোটি টাকার সম্পত্তি

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ব্যবসা থেকে আয় করেন ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ টাকা। তাঁর কাছে নগদ ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং ব্যাংকে ৭ লাখ ২৪ হাজার ৭৩৩ টাকা রয়েছে। ২০ লাখ ৭২ হাজার টাকার অকৃষিজমি ও ২ লাখ টাকার একটি ভবন আছে। আয়করে তিনি ৩৭ লাখ ৮১ হাজার ৩৩৬ টাকার সম্পদের হিসাব দিয়েছেন। আয়কর দিয়েছেন ৫ হাজার ৬২৫ টাকা।

তাহের সম্মানী পান ১০ লাখ

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের মনোনয়নপত্রের হলফনামায় পেশা ব্যবসা (চিকিৎসা)। শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত আছে ২৩৮ টাকার। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মানী পান ১০ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। হাতে নগদ আছে ৫১ লাখ ৮ হাজার ২২৪ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ২৮ হাজার ৭২৩ টাকা। শেয়ার আছে ২২ লাখ ৫৫ লাখ ৮৭৫ টাকার। ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া ১০.০৭ শতক কৃষিজমি এবং ২২ লাখ ১৬ হাজার টাকা মূল্যের ১৫.৩২ শতক অকৃষিজমি রয়েছে তাঁর।

ব্যবসায়ী হাসনাতের বছরে আয় সাড়ে ১২ লাখ টাকা

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর বছরে আয় ১২ লাখ ৫৩ হাজার ৫৩৯ টাকা। তাঁর পেশা ব্যবসা। নগদ সাড়ে ১৩ লাখ টাকা, ব্যাংকে আছে ৩ লাখ টাকা আছে তাঁর। আর গয়না আছে ২৬ লাখ টাকার। আয়কর রিটার্নে তিনি ৩১ লাখ ৬৭ হাজার ৬১৯ টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন।

সারজিসের নগদ আছে ৩ লাখ টাকা

এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের হাতে নগদ ৩ লাখ ১১ হাজার ১২৮ টাকা ও ব্যাংকে ১ লাখ টাকা জমা আছে। তাঁর নামে দানকৃত কৃষিজমি আছে সাড়ে ১৬ শতক। ব্যবসা থেকে তাঁর আয় ৯ লাখ টাকা। আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তাঁর মোট সম্পদের মূল্য ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার ৬২৮ টাকা।

নুরুল হক নুরের সম্পদ আছে ৯০ লাখ টাকার

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৯ লাখ ৮২ হাজার ৮৪১ টাকা। ব্যবসা থেকে ১৫ লাখ ৮৫ হাজার ৪২৬ টাকা ও অন্যান্য উৎস থেকে আয় ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৬২২ টাকা আয় করেন তিনি। সব মিলিয়ে তাঁর বছরে আয় ২০ লাখ ৪০ হাজার ৪৮ টাকা। হাতে নগদ রয়েছে ২৮ লাখ ৩৮ হাজার ২১৭ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৩১৩ টাকা। ৮২ শতক কৃষিজমি ছাড়াও পৌনে ২ লাখ টাকার কোম্পানির শেয়ার রয়েছে। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া অন্যান্য আমানত হিসেবে দেখানো হয়েছে ৫৫ লাখ ৮০ হাজার ৩১১ টাকা।

রুমিন ফারহানা বাড়িভাড়া পান পৌনে ৭ লাখ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন রুমিন ফারহানা। তিনি বছরে বাড়িভাড়া পান ৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আইনজীবী পেশা থেকে আয় ৬ লাখ। তাঁর হাতে নগদ আছে ৩২ লাখ ১৪ হাজার ১৭৩ টাকা। এ ছাড়া ১০ ভরি স্বর্ণ আছে তাঁর। উত্তরাধিকার সূত্রে একাধিক জমি ও ফ্ল্যাটের মালিক রুমিন ফারহানা। এসব সম্পদের আনুমানিক মূল্য দেখানো হয়েছে ৬৫ লাখ টাকা। আয়কর রিটার্নে তিনি ৯৭ লাখ ১৪ হাজার ১৭৩ টাকার সম্পদের হিসাব দিয়েছেন।

দেশে তাসনিম জারার বার্ষিক আয় ৭ লাখ

ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তাসনিম জারা। চাকরি করে তিনি বছরে আয় করেন ৭ লাখ ১৩ হাজার ৩৩৩ টাকা। হাতে নগদ আছে ১৬ লাখ টাকা। ২ হাজার ২৭০ ব্রিটিশ পাউন্ড আছে। ব্যাংকে জমা আছে ১০ হাজার ১৯০ টাকা। ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার গয়না আছে। আয়করে সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ টাকা। আয়কর পরিশোধ করেছেন ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা।

জি এম কাদেরের ১২ লাখ টাকা দেনা

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের হাতে নগদ আছে ৬০ লাখ ৩২ হাজার ৪০৫ টাকা। ব্যাংকে জামানত আছে ১ লাখ ৯০ হাজার। বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে সংসদ থেকে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা ভাতা পেয়েছেন তিনি। তাঁর সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানত আছে ৪০ লাখ টাকা। আছে ৮৪ লাখ ৯৮ হাজার ৪৭৫ টাকার জিপ গাড়ি ও ১ লাখ ১২ হাজার টাকার গয়না। ৩৬ হাজার টাকা মূল্যের আগ্নেয়াস্ত্র আছে দুটি। লালমনিরহাটে ৬ লাখ ৩৮ হাজার টাকার ১১.৫০ শতাংশ জমিসহ সেমিপাকা বাড়ি ও ঢাকার উত্তরায় ৬ লাখ ৬২১ হাজার ৪৪১ টাকার ৫ কাঠা ৫ ছটাক জমির ওপর নির্মিত ৪ তলা বাড়ি আছে। ৫৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দামের একটি ফ্ল্যাট আছে। ১২ লাখ টাকা দেনায় আছেন।

ফয়জুল করীম মাহফিল থেকে হাদিয়া পান ৪ লাখ টাকা

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করীম হলফনামায় তাঁর স্ত্রীকে ১৮৭ ভরি স্বর্ণের মালিক হিসেবে দেখিয়েছেন, এসব পেয়েছেন উপহার হিসেবে। তিনি শিক্ষকতা পেশায় ৭ লাখ ৬ হাজার ও মাহফিলের হাদিয়া বাবদ ৪ লাখ টাকা আয় করেন। ভাড়া থেকে আয় ৩ লাখ ২২ হাজার টাকা।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এনইআইআর চালু করায় বিটিআরসি ভবনে মোবাইল ব্যবসায়ীদের হামলা-ভাঙচুর

ভোলা-২: আম-ছালা দুটোই খোয়ালেন নারী প্রার্থী তাছলিমা

কাজী নজরুলের ‘বিদায় বেলায়’ কবিতায় দাদিকে স্মরণ জাইমা রহমানের

ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভের মুখে মোবাইল ফোনের শুল্ক ও কর কমাল সরকার

পটুয়াখালী-৩ আসনে নুর-হাসান মামুনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত