নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানকে। আজ বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন।
আজ তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের আবেদনের শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন। দুদকের সহকারী (পরিচালক) জনসংযোগ তানজির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গত বছরের ২৩ জানুয়ারি সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন। মামলায় তাঁর স্ত্রী নুসরাত জাহানকেও আসামি করা হয়।
কারাগারে থাকা জিয়াউল আহসানকে গত ২১ ডিসেম্বর দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য আজ বুধবার দিন ধার্য করেন। আজ সকালে শুনানিতে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত।
জিয়াউল আহসানের পক্ষে ওকালতনামা দাখিল করেছেন ব্যারিস্টার আসিফুর রহমান। তবে কোনো জামিনের আবেদন করেননি।
এই মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। এ ছাড়াও গাইডলাইন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রান্সজেকশন-২০১৮ ও ২০২০ সালের এফইপিডি সার্কুলার-৬ অনুযায়ী বর্তমান অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করে স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেন। এছাড়া নিজ নামে ৮টি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন জিয়াউল আহসান। একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে এই কাজে নিজের পদ ও অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ওই বছর ১৫ আগস্ট গভীর রাতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকা থেকে জিয়াউল আহসানকে আটক করা হয়। পরদিন তাঁকে নিউমার্কেট থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। সেদিন তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর তাঁকে বিভিন্ন মামলাসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানকে। আজ বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন।
আজ তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের আবেদনের শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন। দুদকের সহকারী (পরিচালক) জনসংযোগ তানজির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গত বছরের ২৩ জানুয়ারি সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন। মামলায় তাঁর স্ত্রী নুসরাত জাহানকেও আসামি করা হয়।
কারাগারে থাকা জিয়াউল আহসানকে গত ২১ ডিসেম্বর দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য আজ বুধবার দিন ধার্য করেন। আজ সকালে শুনানিতে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত।
জিয়াউল আহসানের পক্ষে ওকালতনামা দাখিল করেছেন ব্যারিস্টার আসিফুর রহমান। তবে কোনো জামিনের আবেদন করেননি।
এই মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। এ ছাড়াও গাইডলাইন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রান্সজেকশন-২০১৮ ও ২০২০ সালের এফইপিডি সার্কুলার-৬ অনুযায়ী বর্তমান অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করে স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেন। এছাড়া নিজ নামে ৮টি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন জিয়াউল আহসান। একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে এই কাজে নিজের পদ ও অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ওই বছর ১৫ আগস্ট গভীর রাতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকা থেকে জিয়াউল আহসানকে আটক করা হয়। পরদিন তাঁকে নিউমার্কেট থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। সেদিন তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর তাঁকে বিভিন্ন মামলাসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে ভিসা ‘বন্ড’ বা জামানত আরোপ হওয়া ৩৮ দেশের তালিকায় বাংলাদেশকে যুক্ত করার বিষয়টি ‘দুঃখজনক’; তবে এতে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো দায় নেই বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজের দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
১ ঘণ্টা আগে
শতাধিক ব্যক্তিকে গুম করে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর বিষয়টি তুলে ধরেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের কারণে বন্ধ থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন কার্যক্রম চলতি মাসেই চালু করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
২ ঘণ্টা আগে
ঋণখেলাপির তালিকায় কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির মনোনিত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম স্থগিত করে হাইকোর্টের বৈধ প্রার্থী ঘোষণার আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। এর ফলে ঋণখেলাপি হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মঞ্জুরুলের অংশগ্রহণ আটকে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
২ ঘণ্টা আগে