তোফাজ্জল হোসেন রুবেল, ঢাকা

সরকারি প্রকল্প থেকে সরাসরি রাজস্ব খাতে জনবল নিয়োগ বেশ কয়েক বছর আগে বন্ধ করেছে সরকার। আবার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির নিয়োগের ক্ষেত্রেও সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি), জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি বাধ্যতামূলক করা আছে।
কিন্তু এসব বিধিবিধানের তোয়াক্কা না করেই স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে থাকা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর দুটি ধাপে ১৪৩ জনকে নিয়োগ দিয়েছে। ওই জনবলের বেশির ভাগ পদই প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির। স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মিলে এই নিয়োগ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও অধিদপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, এর আগে এই জনবল নিয়োগের অনুমতি চাওয়া হলে অর্থ বিভাগ নানা অসংগতি তুলে ধরে সেগুলোর বিষয়ে তথ্য চেয়ে পাঠায়। কিন্তু তথ্য না দিয়ে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আবার অর্থ বিভাগসহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। এবার এই নিয়োগের বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। ফলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনিশ্চয়তায় পড়তে পারেন বলে কেউ কেউ মনে করছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মলয় চৌধুরী (পানি সরবরাহ) আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি এখানে অল্প কিছু দিন হলো দায়িত্বে এসেছি। তাই বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না।’
স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ৮টি প্রকল্পে ৬১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।ওই জনবলের মধ্যে ৫৯ জনকে প্রকল্প থেকে সরাসরি রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ করা হয়। তবে আত্তীকরণ আদেশ জারির আগে অর্থ বিভাগের সম্মতি নেওয়া হয়নি। তাদের চাকরির ধারাবাহিকতা গণনা করে পেনশন ও অন্যান্য সুবিধা বাবদ ২৩ কোটি ৬৯ লাখ ৮৩ হাজার ১৩১ টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে সম্প্রতি চিঠি দেয় স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ ছাড়া একই অধিদপ্তরের ‘বাংলাদেশ আর্সেনিক মিটিগেশন ওয়াটার সাপ্লাই’ প্রকল্পসহ অন্যান্য প্রকল্প থেকে ৮৪ জনকে রাজস্ব খাতে নিয়োগের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। সব মিলিয়ে ১৪৩ জনকে প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে নিয়োগ দিয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর তার অনুমোদন চাইছে।
অর্থ বিভাগ বলছে, এই নিয়োগে অর্থ বিভাগের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। তবে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দাবি, এ ক্ষেত্রে আদালতের রায় ছিল। তাই প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, এ নিয়োগের জন্য ২০১৮ সালের ২৮ আগস্ট স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। তখন কিছু অসংগতি পেলে অর্থ বিভাগ থেকে ২০১৯ সালের ৮ এপ্রিল আরও কিছু তথ্য চেয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগে চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু ওই চিঠির আর উত্তর পাওয়া যায়নি। এরপর স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মিলে এ নিয়োগ শেষ করে এখন অনুমোদন চাইছে। ফলে এ নিয়োগের বিষয়ে অর্থ বিভাগ থেকে অনুমোদন পাওয়ার আইনগত কোনো সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (সংস্থাপন) মোহাম্মদ ফয়েজুল ইসলাম সুমন কিছু বলতে রাজি হননি। অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী প্রকৌশলী মো. সরোয়ার হোসেনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

সরকারি প্রকল্প থেকে সরাসরি রাজস্ব খাতে জনবল নিয়োগ বেশ কয়েক বছর আগে বন্ধ করেছে সরকার। আবার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির নিয়োগের ক্ষেত্রেও সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি), জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি বাধ্যতামূলক করা আছে।
কিন্তু এসব বিধিবিধানের তোয়াক্কা না করেই স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে থাকা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর দুটি ধাপে ১৪৩ জনকে নিয়োগ দিয়েছে। ওই জনবলের বেশির ভাগ পদই প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির। স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মিলে এই নিয়োগ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও অধিদপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, এর আগে এই জনবল নিয়োগের অনুমতি চাওয়া হলে অর্থ বিভাগ নানা অসংগতি তুলে ধরে সেগুলোর বিষয়ে তথ্য চেয়ে পাঠায়। কিন্তু তথ্য না দিয়ে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আবার অর্থ বিভাগসহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। এবার এই নিয়োগের বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। ফলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনিশ্চয়তায় পড়তে পারেন বলে কেউ কেউ মনে করছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মলয় চৌধুরী (পানি সরবরাহ) আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি এখানে অল্প কিছু দিন হলো দায়িত্বে এসেছি। তাই বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না।’
স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ৮টি প্রকল্পে ৬১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।ওই জনবলের মধ্যে ৫৯ জনকে প্রকল্প থেকে সরাসরি রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ করা হয়। তবে আত্তীকরণ আদেশ জারির আগে অর্থ বিভাগের সম্মতি নেওয়া হয়নি। তাদের চাকরির ধারাবাহিকতা গণনা করে পেনশন ও অন্যান্য সুবিধা বাবদ ২৩ কোটি ৬৯ লাখ ৮৩ হাজার ১৩১ টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে সম্প্রতি চিঠি দেয় স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ ছাড়া একই অধিদপ্তরের ‘বাংলাদেশ আর্সেনিক মিটিগেশন ওয়াটার সাপ্লাই’ প্রকল্পসহ অন্যান্য প্রকল্প থেকে ৮৪ জনকে রাজস্ব খাতে নিয়োগের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। সব মিলিয়ে ১৪৩ জনকে প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে নিয়োগ দিয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর তার অনুমোদন চাইছে।
অর্থ বিভাগ বলছে, এই নিয়োগে অর্থ বিভাগের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। তবে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দাবি, এ ক্ষেত্রে আদালতের রায় ছিল। তাই প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, এ নিয়োগের জন্য ২০১৮ সালের ২৮ আগস্ট স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। তখন কিছু অসংগতি পেলে অর্থ বিভাগ থেকে ২০১৯ সালের ৮ এপ্রিল আরও কিছু তথ্য চেয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগে চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু ওই চিঠির আর উত্তর পাওয়া যায়নি। এরপর স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মিলে এ নিয়োগ শেষ করে এখন অনুমোদন চাইছে। ফলে এ নিয়োগের বিষয়ে অর্থ বিভাগ থেকে অনুমোদন পাওয়ার আইনগত কোনো সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (সংস্থাপন) মোহাম্মদ ফয়েজুল ইসলাম সুমন কিছু বলতে রাজি হননি। অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী প্রকৌশলী মো. সরোয়ার হোসেনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাছাইয়ের শেষ দিন গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশন বলেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে প্রমাণিত, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ। এসব ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহ
৭ ঘণ্টা আগে
আসন্ন গণভোটের বিষয়বস্তু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রচার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন রোববার (৪ জানুয়ারি) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—মূলত রাজনৈতিক কারণেই দেশে জোরপূর্বক গুমের ঘটনা ঘটেছে।
১০ ঘণ্টা আগে