
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের নেওয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মনোনয়নপত্র বাতিল করে ইসির নেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সারোয়ার আলমগীরের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। এর ফলে তাঁর নির্বাচনে অংশ নিতে আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
আদালতে সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আহসানুল করিম ও মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। নুরুল আমিনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন ও আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রাজু মিয়া।

রিটার্নিং কর্মকর্তা সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে ইসিতে আপিল দায়ের করেছিলেন জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। এ আপিলের প্রেক্ষিতে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে। পরে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন বিএনপির এই প্রার্থী।

বাহারুল আলম বলেন, ‘পুলিশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মনোবল চাঙা করা এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে আমরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ পেশাদারত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখতে সক্ষম হবে।’
১১ মিনিট আগে
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার কেবল নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন গ্রহণ করেছে। তবে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার।
৩৯ মিনিট আগে
মেয়াদের শেষ দিকে এসে ১১৮ জন যুগ্ম সচিব ও সমপর্যায়ের কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। পদোন্নতির পর রেওয়াজ অনুযায়ী তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বেবিচক চেয়ারম্যান জানান, যশোর বিমানবন্দরের নতুন বহির্গমন টার্মিনাল ভবন ও নতুন অ্যাপ্রোনের নির্মাণকাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যমান রানওয়ের শক্তি বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রানওয়ের ধারণক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং বড় আকারের উড়োজাহাজ ওঠানামার সুযোগ
২ ঘণ্টা আগে