ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর

আইসিসির কোনো ইভেন্ট বা এশিয়া কাপ শুরুর আগে থেকেই নানা আলোচনায় সরগরম থাকে। তবে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে না হতেই যে নাটকীয় ঘটনা ঘটছে, তা যেন থ্রিলার মুভির গল্পকেও ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপ থেকে ছেঁটে ফেলার পর পুনরায় টুর্নামেন্টে ফেরানোর চিন্তাভাবনা করছে আইসিসি।
বাংলাদেশের ফের বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা নিয়ে গত রাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। নাম কেটে ফেলার পর লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে মূলত পাকিস্তানের বর্জন ‘নাটকের’ কারণে। আইসিসির এক কর্মকর্তা হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, ‘যদি পাকিস্তান বিশ্বকাপ বর্জন করে, তাদের পরিবর্তে বাংলাদেশকে সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। বাংলাদেশ তখন ‘এ’ গ্রুপে পড়বে ও সবগুলো ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলবে যেটা বিসিবি আসলে চেয়েছিল। সে ক্ষেত্রে লজিস্টিকাল চ্যালেঞ্জ কম থাকবে।’
আইসিসি ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে নিয়ে বিশ্বকাপের নতুন সূচি ঘোষণা করেছে। একই দিন লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলন করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি দাবি করেছিলেন, বাংলাদেশের প্রতি আইসিসি অবিচার করেছে। কারণ, বিসিবি যে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিতে চেয়েছিল, আইসিসি তা মেনে নেয়নি। বিসিবি তাদের আগের অবস্থানে অনড় থাকায় লিটন-তামিমদের বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না।
বাংলাদেশের নাম ছেঁটে ফেলার দিন (২৪ জানুয়ারি) নাকভি জানিয়েছিলেন, সরকারের নির্দেশ পেলে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না-ও খেলতে পারে। গতকাল দিনভর ছিল নাটকীয়তা। দুপুরে পাকিস্তানের জিও নিউজ উর্দু প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটা শুধু বয়কট করতে পারেন সালমান আলী আঘা-বাবর আজমরা। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকের একটি ছবি এক্সে পোস্ট করে নাকভি গতকাল সন্ধ্যায় লিখেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে একটি ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইসিসিবিষয়ক সর্বশেষ পরিস্থিতি তাঁকে অবহিত করা হয়েছে এবং তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, সব ধরনের বিকল্প খোলা রেখে বিষয়টির সমাধান করতে হবে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী শুক্রবার অথবা পরবর্তী সোমবার নেওয়া হবে।’
পাকিস্তান বিশ্বকাপ বর্জন করলে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশের কপাল খুলতে পারে। কারণ, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে বর্তমানে ৭ ও ৯ নম্বরে রয়েছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ। কোনো দল বিশ্বকাপ বর্জন করলে আইসিসি সাধারণত সেই দলের কাছাকাছি কোন দল রয়েছে, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্বকাপে। বাংলাদেশ নাম প্রত্যাহার করায় ১৪ নম্বরে থাকা স্কটল্যান্ড তাই সুযোগ পেয়েছে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে।
পাকিস্তান যদি শেষ মুহূর্তে এসে নাম প্রত্যাহারও করে নেয় আর বাংলাদেশের সুযোগ মেলে, সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় পড়ার কথা। তখন দেখা যাবে আইসিসি কী করে। পাকিস্তানের বদলি হিসেবে বাংলাদেশকে ‘এ’ গ্রুপে না দিয়ে ভিন্ন কোনো নিয়মও চালু করতে পারে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) যেমন বাংলাদেশ ছাড়া বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, একই সঙ্গে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের বিশ্বকাপ কাভার করতে দেবে না। কেন এমনটা করা হলো, সেটার ব্যাখ্যা ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থার কাছে জানতে চেয়েছে
১৫ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর আগেই শেষ বাংলাদেশের গল্প। উপমহাদেশে লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, মোস্তাফিজুর রহমানদের পারফরম্যান্স এবার দেখতে পাবেন না বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকেরা। এবি ডি ভিলিয়ার্সের মতে, বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে যা ঘটেছে, সেটা খুবই বাজে।
১ ঘণ্টা আগে
গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের কাছে হেরেছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটা পরিত্যক্ত হওয়ায় মূলত সুপার সিক্সে উঠেছে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশ সময় আজ বেলা দেড়টায় বুলাওয়েতে শুরু হবে জিম্বাবুয়ে-ভারত যুব বিশ্বকাপের সুপার সিক্স ম্যাচ। ভারত গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচের তিনটিতে জিতেই উঠেছে
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কেমন করবে, দল কতটা শক্তিশালী হলো—এসব নিয়েই আলোচনা এখন বেশি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লিটন দাস, মোস্তাফিজুর রহমান, তানজিদ হাসান তামিমদের নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করার সুযোগ শেষ করে দিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। মোহাম্মদ আশরাফুলের মতে, ভারতই চায়নি
২ ঘণ্টা আগে