মূলত মোগল ও নবাবি আমলের খাবার রেজালা। পরে এই খাবার বাঙালি রান্নাঘরে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও কিছুটা বদলে গেছে; বিশেষ করে এতে দুধ ও মসলার ব্যবহারে ব্যাপক বদল এসেছে বাংলাদেশে। গরু, মুরগি বা খাসি—সব মাংসেরই রেজালা তৈরি করা যায়। ঈদে গরুর মাংসের সুস্বাদু একটি খাবার তৈরির উপায় বাতলে দিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
গরুর মাংস ১ কেজি, আদা ও রসুনবাটা ২ টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনে ও জিরাগুঁড়া ১ চা-চামচ করে, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, পোস্তদানাবাটা ২ টেবিল চামচ, টক দই আধা কাপ, কাঁচা মরিচ স্বাদমতো, ঘি ৪ টেবিল চামচ, সয়াবিন তেল আধা কাপ, মাওয়া ২ টেবিল চামচ, কেওড়া জল ১ টেবিল চামচ, কিশমিশ ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।
তেল, ঘি, কাঁচা মরিচ, কিশমিশ ও পেঁয়াজকুচি ছাড়া বাকি সব উপকরণ দিয়ে মাংস মাখিয়ে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা রেখে দিন। হাঁড়িতে তেল ও ঘি দিয়ে বেরেস্তা করে ১ টেবিল চামচ চিনি দিয়ে সেগুলো ভেঙে আলাদা করে রাখুন। এবার মেরিনেট করা মাংস তেলে দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। কষানো শেষ হলে ২ থেকে ৩ কাপ পানি, কাঁচা মরিচ, কিশমিশ দিয়ে সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত অল্প আঁচে দমে রেখে রান্না করুন। সব শেষে বেরেস্তা দিয়ে আরও ৫ থেকে ৭ মিনিট রান্না করে নামিয়ে নিন।

এই প্রথম যাঁরা ঈদে শখ করে রান্না করার কথা ভাবছেন, তাঁরা গরুর মাংসের সহজ একটি রেসিপির কথা ভাবতে পারেন। আপনাদের জন্য হাতে মাখা মাংসের ঝালের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা। উপকরণ: গরুর মাংস ২ কেজি, আলু ৪টি, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, আদা ও রসুনবাটা ৪ টেবিল চামচ, হলুদ, মরিচ ও ধনেগুঁড়া...
২ ঘণ্টা আগে
এই ঈদে রাঁধতে পারেন গরুর মাংসের স্পেশাল বিরিয়ানি। মুঘল সাম্রাজ্যের আমলে, বিশেষ করে ষোড়শ শতাব্দীতে সম্রাট আকবরের রাজত্বকালের 'আইন-ই-আকবরি' বইয়ে ভেড়ার মাংস দিয়ে তৈরি প্রাচীন 'বিরিয়ান' বা বিরিয়ানির রেসিপি পাওয়া যায়। প্রাচীনকালে বিরিয়ানি তৈরিতে সাধারণত খাসি বা ভেড়ার মাংস সবচেয়ে বেশি ব্যবহার...
৪ ঘণ্টা আগে
হাই-ডেফিনেশন স্ক্রিন আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্লোজআপ ছবির যুগে মেকআপের সংজ্ঞা অনেকটাই বদলে গেছে। এখনকার মেকআপ খুঁত ঢাকার পাশাপাশি ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্যও বজায় রাখে। এ কারণেই ক্যামেরার সামনে নিখুঁত লুক পেতে করুন এইচডি মেকআপ। ক্যামেরার সামনে বা বাস্তবে—সবখানেই একটি মসৃণ, হালকা ও ফিল্টারহীন...
৬ ঘণ্টা আগে
রোজার ঈদের তুলনায় এই ঈদে রান্নাঘরের ব্যস্ততা একটু বেশিই থাকে। এমন আবহাওয়ায় সারা দিনের ব্যস্ততায় ভারী কারুকাজ কিংবা গাঢ় রঙের পোশাক পরে থাকাটা কষ্টকর। এই গরমে চোখের শান্তি এবং শরীরের স্বস্তি আনতে নীল ও সাদা রঙের পোশাক পরতে পারেন। এ দুটি রংই গরমকালে পরার জন্য অন্যতম আদর্শ...
২০ ঘণ্টা আগে