
রোজা রেখে ভাজাপোড়া খাওয়ার যে রেওয়াজ আমরা করে ফেলেছি, প্রতিদিন প্লেটের একটা কোণায় ভাজাপোড়া না থাকলে ইফতারটা ঠিকঠাক হয়নি বলে মনে হয় অনেকের। কখনোই আমাদের গ্রামবাংলায় ভাজাপোড়া খাওয়ার এমন প্রচলন ছিল না।
আমরা সবাই কমবেশি এর স্বাস্থ্যঝুঁকিগুলো সম্পর্কে জ্ঞাত। এর পরেও খাই। আলুর চপ, বেগুনি, পাকোড়া, মুখরোচক কাবাবগুলোর মাঝে মিষ্টি একটি খাবার হলো জিলাপি। পুরো বছর খাওয়া না হলেও ইফতারে ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এটি। খাদ্যপথ্য ও আকুপ্রেশার বিশেষজ্ঞ আলমগির আলম জানান, একটা ১০০ গ্রাম আকারের জিলাপি খেলে ডায়াবেটিস রোগীদের ৭ পয়েন্ট সুগার বেড়ে যায়। ফলে ইফতারে জিলাপি খুব স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নয়। জিলাপি মূলত পরিশোধিত চিনি বা রিফাইন্ড সুগার, ময়দা ও ডুবো তেলে ভাজার মাধ্যমে তৈরি হয়। এ ধরনের খাবার শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
জিলাপির ক্ষতিকর দিক
কেন মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা
রমজান মাসে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতারে মিষ্টিজাতীয় খাবারের প্রতি আমাদের প্রবল আকর্ষণ তৈরি হয়। কারণ, সারা দিন না খেয়ে থাকার পর আমাদের শরীর শক্তির দ্রুত উৎস খোঁজে। অনেকে মনে করেন, পুষ্টির অভাব থেকে এই আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়, কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, অভ্যাস, মানসিক চাপ বা নির্দিষ্ট সময়ের খাদ্যাভ্যাসই এর জন্য বেশি দায়ী। এ ছাড়া ডায়েটে পর্যাপ্ত ফাইবার ও প্রোটিন না থাকলেও শরীর মিষ্টির মাধ্যমে দ্রুত শক্তি পেতে চায়। তবে জিলাপি বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত মিষ্টির বদলে শরীরের জন্য এমন কিছু প্রয়োজন, যা রক্তে শর্করার মাত্রা হুট করে বাড়িয়ে আবার কমিয়ে দেবে না। কৃত্রিম চিনিযুক্ত খাবারের বদলে শরীরের আসল চাহিদা মেটাতে পারে প্রাকৃতিক উপাদান। এই চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবারের তীব্র আকাঙ্ক্ষা বা 'সুগার ক্রেভিং' অনেকের জন্যই একটি বড় সমস্যা।
জিলাপি নয়, তাহলে কী
অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠতে পারে—জিলাপি না খেলে কী খাবেন। তাঁদের জন্যও আছে বেশ স্বাস্থ্যসম্মত কিছু খাবার।

প্রাকৃতিক মিষ্টি ও ফলমূল: মিষ্টির বদলে আম বা আঙুর খেতে পারেন। এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি ও ফাইবার শরীরের কোনো ক্ষতি ছাড়াই মিষ্টির তৃষ্ণা মেটায়। এ ছাড়া ব্লুবেরি বা স্ট্রবেরি মিষ্টি হলেও এতে ফাইবার বেশি থাকায় রক্তে শর্করা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় না। অন্যদিকে খেজুর ও আলুবোখারা আঁশযুক্ত এবং অত্যন্ত পুষ্টিকর। খেজুর তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়, যা ইফতারের জন্য আদর্শ। মিষ্টি আলু জটিল শর্করা ও ফাইবারে ভরপুর, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে।
প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার: ডিম, মাছ, মাংস ইত্যাদি প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। এগুলো ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন বাড়ায় এবং মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা কমিয়ে দেয়। ইফতার ও সেহরিতে এ ধরনের খাবার রাখার চেষ্টা করবেন। এ ছাড়া ডাল ও শিম খেতে পারেন। বিশেষ করে, মসুর ডাল ফাইবার ও প্রোটিনের দারুণ উৎস, যা রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখে।
দই: চিনি ছাড়া টক দই ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনে সমৃদ্ধ, যা ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে।
চিয়া সিডস: এটি পেটে গিয়ে ফুলে ওঠে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে।
আস্ত শস্য: লাল চাল বা ওটস ফাইবার ও ভিটামিন-বি-সমৃদ্ধ, যা হজমে সাহায্য করে এবং বারবার খাওয়ার ইচ্ছা কমায়।
সূত্র: হেলথ লাইন

বিশ্বজুড়ে ভ্রমণপ্রেমীদের মধ্যে নতুন এক প্রবণতা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। অনেকেই এখন শুধু নতুন জায়গা দেখার জন্য নয়, বরং যত বেশি সম্ভব দেশ ভ্রমণের লক্ষ্য নিয়ে পথে নামছেন। এই ‘কান্ট্রি কাউন্টার’ বা দেশ-গণনাকারী ভ্রমণকারীদের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।
৬ ঘণ্টা আগে
বিশ্বজুড়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হরর চলচ্চিত্রের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে জেনারেশন জেড বা ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া তরুণদের কাছে এই ঘরানার সিনেমা এখন অন্যতম আকর্ষণ।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রতিদিনের কাজ ও চলাফেরার জন্য পরিমাণমতো পানি পান প্রয়োজনীয়। অনেকের জন্য রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস পানি পান শরীরে পানির ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। আবার কারও কারও জন্য এটি রাতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটার কারণ হতে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে
ক্ষতিকর যেকোনো আসক্তি থেকে নিজেকে দূরে রাখাটা নিঃসন্দেহে জীবনের বড় একটি যুদ্ধ জয়। আমরা প্রায়ই শুনি, অমুক ব্যক্তি এক বছর ধরে সম্পূর্ণ ‘ক্লিন’ বা মাদকমুক্ত আছেন। একে বলা হয় শারীরিক সুস্থতা বা ফিজিক্যাল সোব্রাইটি। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান ও মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন...
১২ ঘণ্টা আগে