
সময়ের সঙ্গে বদলাতে থাকে ফ্যাশন ও স্টাইল। করপোরেট অফিসগুলোতে যে নারীরা কাজ করেন, তাঁদের বরাবরই পোশাকের বিষয়ে সচেতন থাকতে হয়। কর্মক্ষেত্রে দক্ষতার পাশাপাশি নিজেকে পরিপাটি করে উপস্থাপন করাও জরুরি।
কর্মক্ষেত্রে একজন নারী কেমন পোশাক পরবেন, তা নির্ভর করে অফিস সংস্কৃতি এবং কাজের ধরনের ওপর। কোথাও স্যুট পরার নিয়ম থাকতে পারে, কোথাও আবার শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজ। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে আবার পশ্চিমা ঘরানার পোশাকও সাদরে গ্রহণ করা হয়। ফলে আজকের কর্মজীবী নারীদের কাছে পোশাক শুধু ফ্যাশনের বিষয় নয়, এটি তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ব্যক্তিত্বের প্রকাশ। তাই অফিসের জন্য এমন পোশাক বেছে নেওয়া উচিত, যা হবে একই সঙ্গে আরামদায়ক ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন। এককথায়, পোশাকে থাকা চাই আরাম ও আত্মবিশ্বাসের সমন্বয়।
কর্মক্ষেত্রে পোশাক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে পারেন—
কর্মজীবী নারীদের প্রতিদিন একটানা আট থেকে দশ ঘণ্টা সময় কাটে অফিসে। কখনো দীর্ঘ সময় কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করতে হয়, আবার কখনো এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে ছুটে যেতে হয়। তাই তাঁদের অফিসের পোশাকের প্রথম শর্ত হওয়া উচিত আরামদায়ক হওয়া। অন ক্লাউড নাইন অ্যান্ড হাফ-এর স্বত্বাধিকারী এবং ডিজাইনার আফরিন আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, ‘একজন নারী যখন নিজের ব্যক্তিত্ব, রুচি ও স্বচ্ছন্দকে সমান গুরুত্ব দিয়ে নিজেকে উপস্থাপন করেন, তখন তাঁর পোশাক শুধু ফ্যাশনের অংশ হিসেবে থাকে না। তখন তা হয়ে ওঠে আত্মবিশ্বাসের ভাষা। এই আত্মবিশ্বাসই কর্মক্ষেত্রে আরও সফল করে তুলতে সাহায্য করে।’
বর্তমান সময়ে অনেক করপোরেট প্রতিষ্ঠানে পশ্চিমা ঘরানার এবং ফরমাল পোশাকও বেশ জনপ্রিয়। ইন্টারভিউ, প্রেজেন্টেশন বা গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, স্যুট, ব্লেজার ইত্যাদি পোশাকে নারীদের আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী ও প্রফেশনাল দেখায়। এ ছাড়া অন্য দিনগুলোয় টপ, প্যান্ট-শার্ট জাতীয় পশ্চিমা ঘরানার পোশাকে নিজেকে বেশ ট্রেন্ডি লুক দেওয়া যেতে পারে। এ ধরনের পোশাকে কাজ করতে সুবিধা আর স্বস্তিবোধ—দুটিই হয়।
পোশাক যেন খুব বেশি আঁটসাঁট না হয়, আবার অতিরিক্ত ঢিলেঢালাও না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। অর্থাৎ, এমন ফিটিংয়ের পোশাক নির্বাচন করুন, যেন কাজের সময় ওঠাবসা বা চলাফেরায় কোনো অসুবিধা না হয়।
আমাদের দেশের বেশির ভাগ কর্মজীবী নারী প্রতিদিনের জন্য সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি, টু-পিস কিংবা কো-অর্ড সেট—এসব পোশাকেই বেশি স্বচ্ছন্দবোধ করেন। এ ক্ষেত্রে সুতি কিংবা লিনেন সালোয়ার-কামিজ, টু-পিস কিংবা কুর্তি বেশ আরামদায়ক হিসেবে বিবেচিত। অফিসের বিশেষ কোনো দিন, কোনো গেট টুগেদার, ছোটখাটো উদ্যাপনের দিনগুলোতে শাড়ি কর্মজীবী নারীদের প্রথম পছন্দ। হরিতকীর সহ-প্রতিষ্ঠাতা অনিক কুণ্ডু বলেন, ‘অফিসে শাড়ি পরে স্বচ্ছন্দ পেতে চাইলে, তা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে হালকা রঙের আর্টিফিশিয়াল সিল্ক, সুতি, তাঁত, কোটা, লিনেন কিংবা হালকা কাজের সিল্ক শাড়ি হতে পারে চমৎকার পছন্দ।’

নিউ রেড বিউটি স্যালনের স্বত্বাধিকারী তাবিন্দা মোশারফ বলেন, ‘অফিসের সাজ কখনোই ভারী হওয়া উচিত নয়। হালকা বেইজ, ফেস পাউডার, চোখে একটুখানি মাসকারা এবং ন্যুড বা হালকা রঙের লিপস্টিকেই সম্পূর্ণ হতে পারে আপনার পারফেক্ট অফিস লুক।’ এর সঙ্গে পরিপাটি করে বাঁধা চুল কিংবা হালকা হেয়ারস্টাইল আপনাকে কাজের সময় স্বস্তি দেবে। হালকা পারফিউম বা সুগন্ধি আপনার ব্যক্তিত্ব করে তুলতে পারে আরও আকর্ষণীয় ও সতেজ।
অফিসের সাজে অতিরিক্ত বা ভারী কোনো গয়নার প্রয়োজন নেই। কানে ম্যাচিং ছোট টপ বা দুল, হাতে ঘড়ি কিংবা ব্রেসলেটই যথেষ্ট।
মাঝারি অথবা বড় আকারের চামড়ার তৈরি কিংবা যেকোনো মজবুত টোট ব্যাগ বা স্ট্রাকচার্ড ব্যাগে সহজে ল্যাপটপ, টিফিন বক্স, পানি, অফিসের ফাইলসহ প্রয়োজনীয় জিনিস বহন করা যায়। সে কারণে অফিসের জন্য আকারে মাঝারি থেকে বড় ব্যাগ মানানসই।
কাজের জায়গায় হাঁটাহাঁটি করার ক্ষেত্রে হিল কিংবা ফ্যাশনেবল জুতার পরিবর্তে আরামদায়ক লোফার, পাম্প শু, ফ্ল্যাট শু কিংবা স্যান্ডেল ভালো পছন্দ হতে পারে।
অফিস ফ্যাশনের মূল বিষয়টি হচ্ছে স্বাচ্ছন্দ্য। কাজ করার সময় আপনি যে ধরনের পোশাকে আরাম ও স্টাইল—দুটোই খুঁজে পান, নিজেকে আত্মবিশ্বাসী মনে করেন এবং অফিসের পরিবেশের সঙ্গে মানানসই, সেটিই আপনার জন্য সেরা।

নিউইয়র্ক শহরের একটি অদ্ভুত বদভ্যাস আছে। সেখানে খাবার নিয়ে হঠাৎ হঠাৎ ক্ষণস্থায়ী উন্মাদনা তৈরি হয়। একসময় ছিল ম্যাগনোলিয়া বেকারির কাপকেক। এরপর এল ক্রোনাট, কিংবা বিশালাকার লেভাইন কুকিজ। মিষ্টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার এসব ভাইরাল ট্রেন্ড হয়তো সাময়িক চমক তৈরি করে, কিন্তু কিছুদিন পর ঠিকই তার আবেদন হারিয়ে ফেলে।
১২ মিনিট আগে
ভাদ্রের এই গরমে মাঝেমধ্যে আইসক্রিম খেতে মন চাইতেই পারে। তালের রস বাড়িতে থাকলে তা দিয়ে আইসক্রিম তৈরি করে নিতে পারেন। আপনাদের জন্য তালের আইসক্রিমের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খান মুক্তা।
২ ঘণ্টা আগে
প্রতিবছর বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ একটি অচেনা কিন্তু মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে প্রাণ হারান। তার নাম সেপসিস। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি সত্ত্বেও এটি এখনো বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। এটি শুধু শারীরিক জটিলতা নয়, বরং এটি জীবাণু এবং মানবদেহের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার এক চরম সংঘাতের ফল।
৩ ঘণ্টা আগে
ফুল, প্রজাপতি, মৌমাছি কিংবা সবুজ পাতার সৌন্দর্য—প্রকৃতির এই ছোট ছোট উপাদান এবার জায়গা করে নিচ্ছে নখের সাজে। নেইল আর্টের জগতে এখন আলোচনায় গার্ডেন-ইন্সপায়ারড ম্যানিকিউর। শুধু একটি ফুল এঁকে নখ সাজানো নয়, বরং পুরো বাগানের আবহ তুলে আনার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে এই ধারায়।
১৬ ঘণ্টা আগে