
আজ চৈত্রের শেষ দিন। আগামীকাল নতুন বছরের প্রথম দিন—পয়লা বৈশাখ। এই দিনকে স্বাগত জানাতে চাই জাঁকালো আয়োজন। চাই সাজসজ্জা। শুধু নিজে সাজলেও হবে না, নতুন করে সাজাতে হবে বাড়িঘর, মেঝে কিংবা দেয়াল। সে সজ্জায় থাকা চাই দেশীয় আমেজ। শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি না করে ঘর সাজান একটু কায়দা করে।
এখন বিভিন্ন ধরনের টেরাকোটা বাজারে পাওয়া যায়। দরজা কিংবা করিডর পছন্দমতো টেরাকোটা দিয়ে সাজিয়ে নিতে পারেন। বারান্দায় ফুলগাছ বা সাকুলেন্টের ঝুলন্ত টবগুলোও বদলে ফেলতে পারেন নতুন শিকা আর সুবিধামতো আকৃতির শখের হাঁড়ি দিয়ে।
দেশীয় উপকরণ দিয়ে ঘর সাজাতে চাইলে বাসায় বাঁশ ও বেতের ডাবল কিংবা সিঙ্গেল সোফা রাখতে পারেন। বসার ঘরের দেয়ালে ঝোলাতে পারেন কুলা, মাটির সরা, মাটির তৈরি বিভিন্ন জিনিস, চিত্রিত হাতপাখা ইত্যাদি। এ ছাড়া ঘরের মেঝেতে থাকতে পারে শতরঞ্জি। বালিশ কিংবা কুশন কভার হতে পারে জামদানির। বৈশাখকে কেন্দ্র করে বদলে দিতে পারেন দরজা ও জানালার পর্দা। সিনেমার ব্যানার অথবা রিকশাপেইন্ট স্টাইলে চিত্রিত পর্দা ব্যবহার করতে পারেন বিশেষ এই দিনের জন্য।

এ বছর একটি বিশেষ কাজ করতে পারেন। সেটি হলো, সিনেমার ব্যানার অথবা রিকশাপেইন্ট শিল্পীদের দিয়ে নিজের কিংবা পারিবারিক প্রতিকৃতি বানিয়ে নিতে পারেন। এ জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান এখন কাজ করছে।
পয়লা বৈশাখে খাবার টেবিলে তাঁত বা পাটের তৈরি টেবিল রানার বিছিয়ে দেওয়া যায়। পয়লা বৈশাখে চিরাচরিত বাসনকোসনগুলোকে ছুটি দিয়ে মাটির তৈরি থালাবাসন ব্যবহার করতে পারেন।

কোথায় পাবেন
ঢাকায় মাটির তৈরি বিভিন্ন জিনিসপত্র আড়ং, দোয়েল চত্বর, ঢাকা কলেজের সামনের ফুটপাত, মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেট, কলাবাগান বাসস্ট্যান্ডের পাশে ফুটপাতে, উত্তরা ও বনানীতে বিভিন্ন দোকানে পাওয়া যায়।

দরদাম
মাটির তৈরি জিনিসপত্রের দাম নির্ভর করে এর ফিনিশিংয়ের ওপর। যে প্রতিষ্ঠানের জিনিসপত্রের ফিনিশিং যত ভালো, তাদের জিনিসের দামও তত বেশি। সাধারণত প্রতি পিস ১০০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামে পাওয়া যায়। তবে সেট হিসেবে কিনলে বেশি দাম পড়বে।

ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘পুওর মোয়া’র নতুন এক বিশ্লেষণে এমন কিছু গন্তব্য চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলোতে দম্পতিদের ছুটি কাটানো তুলনামূলক ঝামেলামুক্ত ও স্মরণীয় হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্ক ও যৌনতা বিষয়ক থেরাপিস্ট জর্জিনা ভাসের সহায়তায় ৪০টির বেশি দেশের ১০০টি গন্তব্য বিশ্লেষণ করে সেরা জায়গাগুলো...
১৬ ঘণ্টা আগে
কোরবানির ঈদে খাওয়া হয় হরেক রকমের সুস্বাদু মাংসের পদ। তবে এর আসল চ্যালেঞ্জ শুরু হয় রান্নাবান্না ও খাওয়াদাওয়ার পর। মাংসের চর্বিযুক্ত ঝোল, ভুনা বা কাবাব তৈরির পর কড়াই, পাতিল ও প্লেটে যে চটচটে তেলের আস্তরণ জমে, তা সাধারণ উপায়ে ধুতে গেলে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। অনেকে অলসতা করে লোহার কড়াই বা ননস্টিকের...
১৮ ঘণ্টা আগে
ঈদে বিরিয়ানি হবে না, সেটা অনেকেই মেনে নিতে পারবেন না। তাই রেঁধে ফেলুন খাসির বিরিয়ানি। মূলত আগে বিরিয়ানি রান্না করা হতো খাসির মাংস দিয়ে, যদিও এখন তাতে দেওয়া হয় গরুর মাংস। যা হোক, ঈদের পরদিন বাড়িতে খাসির মাংস আছে নিশ্চয়ই। থাকলে রান্না করে ফেলুন খাসির ঝাল বিরিয়ানি। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী...
২০ ঘণ্টা আগে
গরুর মাংসের কোয়াব হলো চট্টগ্রামের একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার। এই ঈদে আপনি নিজেই রান্না করে নিতে পারেন চট্টগ্রামের জনপ্রিয় ও মজাদার এই পদ। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী ঝুমু হক...
২ দিন আগে