ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

সকালের নাশতায় ডিম অনেকের প্রথম পছন্দ। এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর। ডিমের হরেক পদের মধ্যে স্ক্র্যাম্বলড এগ বা ডিমের ঝুরি এর স্বাদের জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। স্ক্র্যাম্বলড এগ তৈরি করা খুব কঠিন কিছু নয়। তবে ভালো টেক্সচার পেতে হলে কিছু সহজ ধাপ অনুসরণ করতে হয়।
উপকরণ
ডিম ২ থেকে ৩টি, গরুর দুধ বা আমন্ড মিল্ক সামান্য অথবা পানি, অলিভ অয়েল অথবা মাখন বা বাটার, স্বাদের জন্য লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া।

প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে একটি বাটিতে ডিমগুলো ভেঙে নিন। তাতে স্বাদমতো লবণ ও গোলমরিচ যোগ করুন। এবার একটি কাঁটা চামচ বা হুইস্কের সাহায্যে ডিমগুলো ততক্ষণ পর্যন্ত ফেটিয়ে নিন, যতক্ষণ না কুসুম ও সাদা অংশ মিশে গিয়ে ওপরটা ফেনা ফেনা হয়ে ওঠে। এরপর ফেটানো ডিমে সামান্য দুধ বা পানি যোগ করুন। আবার ভালো করে ফেটান। মনে রাখবেন, দুধ বা পানি ডিমকে আরও তুলতুলে হতে সাহায্য করে।
এবার চুলায় একটি ছোট নন-স্টিক ফ্রাই প্যান বা স্কিললেট বসান। প্যানে সামান্য অলিভ অয়েল দিন বা মাখন গলিয়ে নিন। মাঝারি আঁচে প্যানটি গরম করুন। প্যান গরম হয়ে এলে ডিমের মিশ্রণটি ঢেলে দিন। নাড়াচাড়া না করে ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড এভাবে হতে দিন। এবার একটি রাবার স্প্যাচুলা বা চামচ দিয়ে প্যানের চারপাশ থেকে ডিমগুলো আলতো করে নাড়ুন। এতে বড় বড় জমাট বাঁধা অংশ বা কার্ড তৈরি হবে। এরপর আরও ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড রেখে আবার নাড়ুন। কম আঁচে ডিমগুলো নাড়তে থাকুন, যতক্ষণ না মিশ্রণটির তরল ভাব পুরোপুরি চলে যায়।
মনে রাখবেন, খুব বেশি ভাজবেন না। ডিমগুলো যেন নরম ও ক্রিমি থাকে, শুকনো না হয়ে যায়। রান্না শেষ হওয়ামাত্র প্যানটি চুলা থেকে নামিয়ে নিন। গরম-গরম পরিবেশন করুন। ওপরে চাইলে সামান্য অরিগানো বা চিলি ফ্লেক্স ছড়িয়ে নিতে পারেন। যদি বড় বড় জমাট বাঁধা ডিমের টুকরো পছন্দ করেন, তবে ডিম প্যানে দেওয়ার পর একটু দেরি করে নাড়বেন। আর ঝুরঝুরে ডিম চাইলে ঘন ঘন নাড়তে হবে।
যেভাবে পরিবেশন করবেন
শুধু শুধু স্ক্র্যাম্বলড এগ খেতে ভালো লাগে, তবে স্বাদ বাড়াতে তা অন্যভাবেও খেতে পারেন।
সূত্র: হেলথ শর্টস

সকালের নাশতায় ডিম অনেকের প্রথম পছন্দ। এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর। ডিমের হরেক পদের মধ্যে স্ক্র্যাম্বলড এগ বা ডিমের ঝুরি এর স্বাদের জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। স্ক্র্যাম্বলড এগ তৈরি করা খুব কঠিন কিছু নয়। তবে ভালো টেক্সচার পেতে হলে কিছু সহজ ধাপ অনুসরণ করতে হয়।
উপকরণ
ডিম ২ থেকে ৩টি, গরুর দুধ বা আমন্ড মিল্ক সামান্য অথবা পানি, অলিভ অয়েল অথবা মাখন বা বাটার, স্বাদের জন্য লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া।

প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে একটি বাটিতে ডিমগুলো ভেঙে নিন। তাতে স্বাদমতো লবণ ও গোলমরিচ যোগ করুন। এবার একটি কাঁটা চামচ বা হুইস্কের সাহায্যে ডিমগুলো ততক্ষণ পর্যন্ত ফেটিয়ে নিন, যতক্ষণ না কুসুম ও সাদা অংশ মিশে গিয়ে ওপরটা ফেনা ফেনা হয়ে ওঠে। এরপর ফেটানো ডিমে সামান্য দুধ বা পানি যোগ করুন। আবার ভালো করে ফেটান। মনে রাখবেন, দুধ বা পানি ডিমকে আরও তুলতুলে হতে সাহায্য করে।
এবার চুলায় একটি ছোট নন-স্টিক ফ্রাই প্যান বা স্কিললেট বসান। প্যানে সামান্য অলিভ অয়েল দিন বা মাখন গলিয়ে নিন। মাঝারি আঁচে প্যানটি গরম করুন। প্যান গরম হয়ে এলে ডিমের মিশ্রণটি ঢেলে দিন। নাড়াচাড়া না করে ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড এভাবে হতে দিন। এবার একটি রাবার স্প্যাচুলা বা চামচ দিয়ে প্যানের চারপাশ থেকে ডিমগুলো আলতো করে নাড়ুন। এতে বড় বড় জমাট বাঁধা অংশ বা কার্ড তৈরি হবে। এরপর আরও ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড রেখে আবার নাড়ুন। কম আঁচে ডিমগুলো নাড়তে থাকুন, যতক্ষণ না মিশ্রণটির তরল ভাব পুরোপুরি চলে যায়।
মনে রাখবেন, খুব বেশি ভাজবেন না। ডিমগুলো যেন নরম ও ক্রিমি থাকে, শুকনো না হয়ে যায়। রান্না শেষ হওয়ামাত্র প্যানটি চুলা থেকে নামিয়ে নিন। গরম-গরম পরিবেশন করুন। ওপরে চাইলে সামান্য অরিগানো বা চিলি ফ্লেক্স ছড়িয়ে নিতে পারেন। যদি বড় বড় জমাট বাঁধা ডিমের টুকরো পছন্দ করেন, তবে ডিম প্যানে দেওয়ার পর একটু দেরি করে নাড়বেন। আর ঝুরঝুরে ডিম চাইলে ঘন ঘন নাড়তে হবে।
যেভাবে পরিবেশন করবেন
শুধু শুধু স্ক্র্যাম্বলড এগ খেতে ভালো লাগে, তবে স্বাদ বাড়াতে তা অন্যভাবেও খেতে পারেন।
সূত্র: হেলথ শর্টস

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
১২ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
১৭ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
১৯ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
১ দিন আগে