২০২৬ এর ট্রেন্ড
ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ প্রযুক্তির ভিড় ঠেলে মানুষ এখন ফিরছে পুরোনো শখ, পরিমিত বিশ্রাম আর ঘরোয়া আমেজে। ২০২৬ সালের আসন্ন ট্রেন্ডগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই বছর হবে মূলত আতিশয্য কমিয়ে সাধারণ ও ব্যক্তিগত জীবনের দিকে ফেরার বছর। কারণ, মানুষ কৃত্রিম জাঁকজমকের চেয়ে মানসিক শান্তি, সুস্বাস্থ্য এবং টেকসই জীবনযাত্রাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
২০২৬ সাল আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে, জীবনের আসল আনন্দ বড় কোনো অর্জনে নয়। ছোট ছোট অভ্যাস, সুন্দর সম্পর্ক আর নিজের প্রতি যত্ন নেওয়ার মধ্যেই লুকিয়ে আছে সেই আকাঙ্ক্ষিত সুখপাখি।

জীবনযাত্রা ও মানসিক সুস্থতা
এই বছর মানুষ ডিজিটাল আসক্তি কমিয়ে নিজের জন্য সময় বের করবে। মডেল বিল্ডিং, বুনন, পাখি দেখা বা পাজল মেলানোর মতো পুরোনো দিনের শখগুলো আবারও ফিরে আসছে। ব্যক্তিগত অভ্যাসের মধ্যে ঘুমের হাইজিন, জার্নালিং এবং ব্রেথ-ওয়ার্ক বা শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়ামকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এদিকে জিমে কঠোর পরিশ্রমের বদলে শরীরের ভারসাম্য, ভঙ্গি এবং দীর্ঘায়ু নিশ্চিত করবে, এমন ব্যায়ামের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। মোবাইল ফোন আসক্তি থেকে নিজেদের কিছুটা দূরে রাখার প্রবণতা দেখা যাবে এ বছর। তার জন্য ফোন-ফ্রি যাতায়াত এবং কাগজের প্ল্যানার ব্যবহারের মতো স্ক্রিন-লাইট রিচুয়াল বা পরিমিত ডিজিটাল ব্যবহারের অভ্যাস তৈরি হচ্ছে। অনেকগুলো প্রসাধন ব্যবহারের বদলে ত্বকের স্বাভাবিক সুরক্ষা স্তর ঠিক রাখতে ব্যারিয়ার-ফাস্ট রুটিন এবং সিরামাইড সমৃদ্ধ ক্রিম জনপ্রিয় হচ্ছে।
খাদ্যাভ্যাসের নতুন ধরন
খাবারের পাতেও আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। গাঁজানো বা ফারমেন্টেড খাবার প্রতিদিনের রান্নায় জায়গা করে নিচ্ছে মানুষের পাতে। ওজন কমানোর ওষুধের প্রভাবে রেস্তোরাঁগুলোতে খাবারের পরিমাণ কমে আসছে। তবে কোনো খাবারকে পুরোপুরি বাদ না দিয়ে বৈচিত্র্যময় ও সুশৃঙ্খল খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার প্রবণতা বাড়ছে।

ফ্যাশন ও শৈলী
এ বছরের ফ্যাশন হবে চোখে আরামদায়ক কিন্তু সৃজনশীল। প্যান্টোন ২০২৬ সালের জন্য ক্লাউড ড্যান্সার, যা মূলত সাদাটে বা ধূসর সাদা, রংটি বছরের সেরা রং হিসেবে ঘোষণা করেছে। ফরমাল স্যুটের সঙ্গে উজ্জ্বল ও রঙিন মোজা পরে ফ্যাশনে নতুন বৈচিত্র্য আনা হচ্ছে। চিতা বাঘের জায়গা দখল করছে জেব্রা, সাপ এবং গরুর গায়ের ছোপযুক্ত প্রিন্ট। চুলে কড়া রঙের বদলে প্রাকৃতিক আভা বা উইস্পার টোন হাইলাইটস ট্রেন্ডে ফিরছে।
ঘর ও আধুনিক প্রযুক্তি
প্রযুক্তি এখন আরও ব্যক্তিগত পরিসরে ঢুকে পড়ছে। ঘরের ভেতরটা এখন আর নীরস নয়। বরং কার্ভড ফার্নিচার ও টেক্সচার্ড দেয়ালের মাধ্যমে ঘরে উষ্ণ আমেজ আনা হচ্ছে। এআই ওভেন, স্মার্ট ফ্রিজ এবং ভয়েস কমান্ডে চালিত রেসিপি অ্যাসিস্ট্যান্ট এখন রান্নাঘরে সাধারণ বিষয়। বড় গ্যাজেটের বদলে স্মার্ট রিং বা ছোট হেলথ ট্র্যাকার জনপ্রিয় হচ্ছে। পুরোনো গান পুনরুদ্ধার বা অসমাপ্ত গান শেষ করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক বাড়বে এ বছর।
ভ্রমণ ও সংস্কৃতি
চেকলিস্ট ধরে পর্যটনের দিন শেষ। এখন মানুষ চায় স্থানীয় অভিজ্ঞতা। হোটেলের বদলে অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নিয়ে স্থানীয় জীবনধারা শেখার নামই স্লো ট্রাভেল। তাই জাপানের দ্বিতীয় সারির শহর কানাজাওয়া, সাপোরো এবং সৃজনশীলদের কেন্দ্র হিসেবে লিসবন ভ্রমণের তালিকায় শীর্ষে। ভিড় এড়াতে মানুষ এখন মাঝারি আকারের শিল্পসমৃদ্ধ শহরগুলোকে প্রাধান্য দিচ্ছে। বড় উৎসবের বদলে পাড়া-মহল্লার উঠান কনসার্ট বা ছোট পরিসরের আয়োজনগুলো বেশি অর্থবহ হয়ে উঠছে।
বিনোদন, সামাজিক মাধ্যম ও কর্মজীবন
তাড়াতাড়ি হয়তো বিদায় জানাতে হবে ফ্র্যাঞ্চাইজিকে। কারণ, অন্তহীন সিরিজের বদলে নির্মাতারা এখন একটি সিজনেই গল্প শেষ করার দিকে ঝুঁকছেন। অনুসারী বাড়ানোর প্রতিযোগিতার বদলে ব্যক্তিগত গ্রুপ বা ছোট কমিউনিটিতে মানুষ বেশি সময় দিচ্ছে। দ্রুত ব্রাউজিং ছেড়ে মানুষ এখন ভয়েস নোট বা শেয়ারড ইন্টারেস্টের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের দিকে মনোযোগী হচ্ছে। একটি চাকরির বদলে ফ্রিল্যান্সিং, ছোট ব্যবসা বা একাধিক আয়ের উৎস নিয়ে কাজের দুনিয়া নতুন রূপ নিচ্ছে। কোনো জিনিস ফেলে না দিয়ে মেরামত করা বা রিফারবিশ করাকে এখন আভিজাত্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডিজিটাল ছবির ভিড়ে কাগজের অ্যালবাম, আর্ট বুক বা মুদ্রিত ছবির কদর আবার বাড়ছে।
সূত্র: ভোগ, শোবিজ ডেইলি

২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ প্রযুক্তির ভিড় ঠেলে মানুষ এখন ফিরছে পুরোনো শখ, পরিমিত বিশ্রাম আর ঘরোয়া আমেজে। ২০২৬ সালের আসন্ন ট্রেন্ডগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই বছর হবে মূলত আতিশয্য কমিয়ে সাধারণ ও ব্যক্তিগত জীবনের দিকে ফেরার বছর। কারণ, মানুষ কৃত্রিম জাঁকজমকের চেয়ে মানসিক শান্তি, সুস্বাস্থ্য এবং টেকসই জীবনযাত্রাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
২০২৬ সাল আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে, জীবনের আসল আনন্দ বড় কোনো অর্জনে নয়। ছোট ছোট অভ্যাস, সুন্দর সম্পর্ক আর নিজের প্রতি যত্ন নেওয়ার মধ্যেই লুকিয়ে আছে সেই আকাঙ্ক্ষিত সুখপাখি।

জীবনযাত্রা ও মানসিক সুস্থতা
এই বছর মানুষ ডিজিটাল আসক্তি কমিয়ে নিজের জন্য সময় বের করবে। মডেল বিল্ডিং, বুনন, পাখি দেখা বা পাজল মেলানোর মতো পুরোনো দিনের শখগুলো আবারও ফিরে আসছে। ব্যক্তিগত অভ্যাসের মধ্যে ঘুমের হাইজিন, জার্নালিং এবং ব্রেথ-ওয়ার্ক বা শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়ামকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এদিকে জিমে কঠোর পরিশ্রমের বদলে শরীরের ভারসাম্য, ভঙ্গি এবং দীর্ঘায়ু নিশ্চিত করবে, এমন ব্যায়ামের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। মোবাইল ফোন আসক্তি থেকে নিজেদের কিছুটা দূরে রাখার প্রবণতা দেখা যাবে এ বছর। তার জন্য ফোন-ফ্রি যাতায়াত এবং কাগজের প্ল্যানার ব্যবহারের মতো স্ক্রিন-লাইট রিচুয়াল বা পরিমিত ডিজিটাল ব্যবহারের অভ্যাস তৈরি হচ্ছে। অনেকগুলো প্রসাধন ব্যবহারের বদলে ত্বকের স্বাভাবিক সুরক্ষা স্তর ঠিক রাখতে ব্যারিয়ার-ফাস্ট রুটিন এবং সিরামাইড সমৃদ্ধ ক্রিম জনপ্রিয় হচ্ছে।
খাদ্যাভ্যাসের নতুন ধরন
খাবারের পাতেও আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। গাঁজানো বা ফারমেন্টেড খাবার প্রতিদিনের রান্নায় জায়গা করে নিচ্ছে মানুষের পাতে। ওজন কমানোর ওষুধের প্রভাবে রেস্তোরাঁগুলোতে খাবারের পরিমাণ কমে আসছে। তবে কোনো খাবারকে পুরোপুরি বাদ না দিয়ে বৈচিত্র্যময় ও সুশৃঙ্খল খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার প্রবণতা বাড়ছে।

ফ্যাশন ও শৈলী
এ বছরের ফ্যাশন হবে চোখে আরামদায়ক কিন্তু সৃজনশীল। প্যান্টোন ২০২৬ সালের জন্য ক্লাউড ড্যান্সার, যা মূলত সাদাটে বা ধূসর সাদা, রংটি বছরের সেরা রং হিসেবে ঘোষণা করেছে। ফরমাল স্যুটের সঙ্গে উজ্জ্বল ও রঙিন মোজা পরে ফ্যাশনে নতুন বৈচিত্র্য আনা হচ্ছে। চিতা বাঘের জায়গা দখল করছে জেব্রা, সাপ এবং গরুর গায়ের ছোপযুক্ত প্রিন্ট। চুলে কড়া রঙের বদলে প্রাকৃতিক আভা বা উইস্পার টোন হাইলাইটস ট্রেন্ডে ফিরছে।
ঘর ও আধুনিক প্রযুক্তি
প্রযুক্তি এখন আরও ব্যক্তিগত পরিসরে ঢুকে পড়ছে। ঘরের ভেতরটা এখন আর নীরস নয়। বরং কার্ভড ফার্নিচার ও টেক্সচার্ড দেয়ালের মাধ্যমে ঘরে উষ্ণ আমেজ আনা হচ্ছে। এআই ওভেন, স্মার্ট ফ্রিজ এবং ভয়েস কমান্ডে চালিত রেসিপি অ্যাসিস্ট্যান্ট এখন রান্নাঘরে সাধারণ বিষয়। বড় গ্যাজেটের বদলে স্মার্ট রিং বা ছোট হেলথ ট্র্যাকার জনপ্রিয় হচ্ছে। পুরোনো গান পুনরুদ্ধার বা অসমাপ্ত গান শেষ করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক বাড়বে এ বছর।
ভ্রমণ ও সংস্কৃতি
চেকলিস্ট ধরে পর্যটনের দিন শেষ। এখন মানুষ চায় স্থানীয় অভিজ্ঞতা। হোটেলের বদলে অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নিয়ে স্থানীয় জীবনধারা শেখার নামই স্লো ট্রাভেল। তাই জাপানের দ্বিতীয় সারির শহর কানাজাওয়া, সাপোরো এবং সৃজনশীলদের কেন্দ্র হিসেবে লিসবন ভ্রমণের তালিকায় শীর্ষে। ভিড় এড়াতে মানুষ এখন মাঝারি আকারের শিল্পসমৃদ্ধ শহরগুলোকে প্রাধান্য দিচ্ছে। বড় উৎসবের বদলে পাড়া-মহল্লার উঠান কনসার্ট বা ছোট পরিসরের আয়োজনগুলো বেশি অর্থবহ হয়ে উঠছে।
বিনোদন, সামাজিক মাধ্যম ও কর্মজীবন
তাড়াতাড়ি হয়তো বিদায় জানাতে হবে ফ্র্যাঞ্চাইজিকে। কারণ, অন্তহীন সিরিজের বদলে নির্মাতারা এখন একটি সিজনেই গল্প শেষ করার দিকে ঝুঁকছেন। অনুসারী বাড়ানোর প্রতিযোগিতার বদলে ব্যক্তিগত গ্রুপ বা ছোট কমিউনিটিতে মানুষ বেশি সময় দিচ্ছে। দ্রুত ব্রাউজিং ছেড়ে মানুষ এখন ভয়েস নোট বা শেয়ারড ইন্টারেস্টের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের দিকে মনোযোগী হচ্ছে। একটি চাকরির বদলে ফ্রিল্যান্সিং, ছোট ব্যবসা বা একাধিক আয়ের উৎস নিয়ে কাজের দুনিয়া নতুন রূপ নিচ্ছে। কোনো জিনিস ফেলে না দিয়ে মেরামত করা বা রিফারবিশ করাকে এখন আভিজাত্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডিজিটাল ছবির ভিড়ে কাগজের অ্যালবাম, আর্ট বুক বা মুদ্রিত ছবির কদর আবার বাড়ছে।
সূত্র: ভোগ, শোবিজ ডেইলি

১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
৪ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের রূপ দেখে মুগ্ধ হলেন দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) কৃষি অনুষদের ২১ ব্যাচের সি সেকশনের নেপালি শিক্ষার্থীরা। অনুষদ আয়োজিত এই দেশ ভ্রমণের সুযোগ পেয়ে তাঁরা অনেক খুশি। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর!
১০ ঘণ্টা আগে
আজ আপনার জেদ বুর্জ খলিফার চেয়েও উঁচুতে থাকবে। পুরোনো কোনো চাচা বা খালু হুট করে এসে হাজির হতে পারেন। সাবধান, আজকের দিনে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে লোন বা টাকা নিয়ে কথা বলতে যাবেন না, ইজ্জত এবং মানিব্যাগ দুটোই পাংচার হতে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে