শিশির কুমার নাথ

‘পৃথিবীর সব ঘুঘু ডাকিতেছে হিজলের বনে;
পৃথিবীর সব রূপ লেগে আছে ঘাসে;...’
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই। সে অনুযায়ী ভোর ঠিক ছয়টায় উঠে পড়লাম আমরা। মোটরবাইকে চড়ে রওনা দিলাম হাওরের দিকে।
আমাদের মতো অনেকে হাকালুকি হাওরের বিস্তৃত সবুজ মাঠে বিশাল হিজল বন দেখতে আসেন প্রায়ই। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ঘিলাছড়া ইউনিয়নের হাকালুকি হাওর অংশে তিনটি হিজল বন রয়েছে। এটিকে কেউ বলেন মিনি কক্সবাজার, কেউ বলেন লোকাল সুন্দরবন।
পৌষের কাকডাকা ভোর। আমরা ছুটছিলাম হাকালুকি হাওরের বুকে নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে থাকা হিজল বনের দিকে। কুয়াশা মাড়িয়ে, মেঠো পথ বেয়ে ধীরে ধীরে। এঁকেছিলাম প্রকৃতির শান্ত, বিষণ্ন আর প্রেমময় এক ভোরের চিত্র। হাকালুকি হাওরের খুব কম অংশ পড়েছে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায়। তবে প্রকৃতির অনাবিল সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই ক্ষুদ্র অংশ। যেতে যেতে পথে সেই সৌন্দর্যটুকু মূর্ত হয়ে উঠছিল ক্ষণে ক্ষণে।
নরম রোদের আবছা আলোয় ঝলমল করছে শিশিরভেজা ঘাস। যেন ‘সব রূপ লেগে আছে ঘাসে’। পা মাড়াতেই এক শীতল অনুভূতি দূর করে দেয় সকল পরিশ্রান্তি। ভোরের আলো ফুটতে শুরু হয়েছে পাখির কিচিরমিচির। অতিথি পাখিদের খুব একটা দেখা না মিললেও খাবারের খোঁজে নেমে পড়েছে সাদা বক আর গাঙচিল। একটু পরপরই দেখা মিলছে হাওরের চরে ঘুরে বেড়ানো হাঁসের ঝাঁক। প্রায় জল শুকিয়ে যাওয়া খালে মাছ ধরছেন জেলেরা। পাড়ে অপেক্ষায় বসে আছেন মাছের ব্যাপারীরা। কেউ কেউ চাঙ্গা (মাছ রাখার ঝুড়িবিশেষ) নিয়ে ছুটছেন গন্তব্যে। জলমহালগুলোতে মাছেরা কাটিয়ে উঠেছে শীতঘুম। কৃষকেরা জমিগুলোতে রোপণ করছেন বোরো ধান।
শ্যালো মেশিনের ঘটঘট শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে হাওরের বনে। তার পাশ দিয়ে আঁকাবাঁকা নদীর মতো অসংখ্য ছোট-বড় খাল। খালের স্বচ্ছ জলে খেলা করছিল ভোরের রাঙা আলো। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাখালেরা গরুর পাল নিয়ে ছুটছে হাওরের দিকে। একের পর এক গরুর পাল মাঠে নামছে। রুনুঝুনু শব্দে বাজছে বাছুরদের গলায় বাঁধা ঘণ্টা। মাঠ সরব হয়ে উঠছে রাখালিয়া শব্দের কোলাহলে। মহিরুহ হিজল, দাঁড়িয়ে আছে মাথা উঁচু করে। যেন এক একটা বিস্ময় বৃক্ষ অদ্ভুত ছাতা মেলে ধরেছে হাওরের আকাশে। আর তার ঘনবিন্যস্ত শিকড় জাল ছড়িয়ে রেখেছে বিস্তীর্ণ জলাভূমিতে।
পাশের বনে ভিড় জমিয়েছে একঝাঁক ফিঙে। কিচিরমিচির শুনে কাছে যেতেই বনের ভেতর লুকিয়ে পড়ল সব। কবিতার মতোই যেন, ‘আকাশে পাখিরা কথা কয় পরস্পর’। তাদের বিরক্ত না করে উঠে পড়লাম ওয়াচ টাওয়ারে। সেখান থেকে হাওরের আসল রূপ চোখে পড়ে। প্রথম দর্শনে এক টুকরো সুন্দরবন ভেবে বসলে তেমন ভুল হবে না আশা করি।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণপদ দেবনাথ জানান, হাকালুকি হাওর প্রায় ১৮ হাজার হেক্টরের একটি বিশাল জলাভূমি। এখানে হিজলগাছগুলো সাধারণত ছোট ছোট ক্লাস্টার কিংবা সারিবদ্ধভাবে কান্দাগুলোতে (উঁচু ভিটা) অবস্থান করে। বছরের পর বছর গাছ নিধন এবং হাওর সংকুচিত হওয়ায় এই বনের পরিমাণ অনেকটা কমে গেছে। বিগত বছরগুলোতে সরকার এবং সিবিএ প্রকল্পের মাধ্যমে হাকালুকি হাওরের বিভিন্ন কান্দা কিংবা উঁচু জায়গায় কয়েক লাখ হিজল ও করচের চারা রোপণ করা হয়েছে। বছরখানেক আগে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেখানে রোপণ করা হয়েছে আরও ৮০০ চারা। হিজল বন মাছের প্রজননক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে। এ বন অতিথি পাখিদের আশ্রয়স্থল।
হিজল একটি দীর্ঘজীবী ও মাঝারি আকারের চিরহরিৎ গাছ। এটি জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে। এটি গ্রীষ্ম ও বর্ষা—উভয় মৌসুমে জীবন ধারণ করতে পারে। বর্ষায় হিজল বাঁচে অর্ধডুবন্ত অবস্থায় প্রবল প্রাণশক্তি নিয়ে। হয়ে ওঠে অনন্য রূপসী। শুকনো মৌসুমেও কচি পাতার সবুজে আচ্ছন্ন করে রাখে চারপাশ। রূপ আর লাবণ্যে মন কাড়ে। সমাদৃত হয় গল্পে, কাব্যে। এমনই হিজল-বট তমালের নীল ছায়ায় বাংলার মুখ দেখেছিলেন জীবনানন্দ। আর কবি নজরুল প্রিয়ার চরণ রাঙাতে চেয়েছিলেন হিজল বিছানো বনের পথে।
এই শীতে আপনি চাইলেই ঘুরে আসতে পারেন হাকালুকির হিজল বন। ভ্রমণ ডায়েরিতে যুক্ত করতে পারেন একটি দারুণ দিনের আনন্দলিপি।
যেভাবে যাবেন
দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে হিজল বন দেখতে যেতে পারেন। এ জন্য প্রথমে সিলেট শহরে যেতে হবে। সেখান থেকে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সদর। সেখান থেকে ঘিলাছড়া ইউনিয়ন। বর্ষাকালে নৌকা কিংবা ট্রলার ভাড়া করে হাকালুকি হাওরের মাঝে অবস্থিত হিজল বন এবং ওয়াচ টাওয়ারে যাওয়া যায়। শীতকালে হেঁটে অথবা বাইক ভাড়া করেও পৌঁছানো যায়।

‘পৃথিবীর সব ঘুঘু ডাকিতেছে হিজলের বনে;
পৃথিবীর সব রূপ লেগে আছে ঘাসে;...’
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই। সে অনুযায়ী ভোর ঠিক ছয়টায় উঠে পড়লাম আমরা। মোটরবাইকে চড়ে রওনা দিলাম হাওরের দিকে।
আমাদের মতো অনেকে হাকালুকি হাওরের বিস্তৃত সবুজ মাঠে বিশাল হিজল বন দেখতে আসেন প্রায়ই। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ঘিলাছড়া ইউনিয়নের হাকালুকি হাওর অংশে তিনটি হিজল বন রয়েছে। এটিকে কেউ বলেন মিনি কক্সবাজার, কেউ বলেন লোকাল সুন্দরবন।
পৌষের কাকডাকা ভোর। আমরা ছুটছিলাম হাকালুকি হাওরের বুকে নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে থাকা হিজল বনের দিকে। কুয়াশা মাড়িয়ে, মেঠো পথ বেয়ে ধীরে ধীরে। এঁকেছিলাম প্রকৃতির শান্ত, বিষণ্ন আর প্রেমময় এক ভোরের চিত্র। হাকালুকি হাওরের খুব কম অংশ পড়েছে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায়। তবে প্রকৃতির অনাবিল সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই ক্ষুদ্র অংশ। যেতে যেতে পথে সেই সৌন্দর্যটুকু মূর্ত হয়ে উঠছিল ক্ষণে ক্ষণে।
নরম রোদের আবছা আলোয় ঝলমল করছে শিশিরভেজা ঘাস। যেন ‘সব রূপ লেগে আছে ঘাসে’। পা মাড়াতেই এক শীতল অনুভূতি দূর করে দেয় সকল পরিশ্রান্তি। ভোরের আলো ফুটতে শুরু হয়েছে পাখির কিচিরমিচির। অতিথি পাখিদের খুব একটা দেখা না মিললেও খাবারের খোঁজে নেমে পড়েছে সাদা বক আর গাঙচিল। একটু পরপরই দেখা মিলছে হাওরের চরে ঘুরে বেড়ানো হাঁসের ঝাঁক। প্রায় জল শুকিয়ে যাওয়া খালে মাছ ধরছেন জেলেরা। পাড়ে অপেক্ষায় বসে আছেন মাছের ব্যাপারীরা। কেউ কেউ চাঙ্গা (মাছ রাখার ঝুড়িবিশেষ) নিয়ে ছুটছেন গন্তব্যে। জলমহালগুলোতে মাছেরা কাটিয়ে উঠেছে শীতঘুম। কৃষকেরা জমিগুলোতে রোপণ করছেন বোরো ধান।
শ্যালো মেশিনের ঘটঘট শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে হাওরের বনে। তার পাশ দিয়ে আঁকাবাঁকা নদীর মতো অসংখ্য ছোট-বড় খাল। খালের স্বচ্ছ জলে খেলা করছিল ভোরের রাঙা আলো। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাখালেরা গরুর পাল নিয়ে ছুটছে হাওরের দিকে। একের পর এক গরুর পাল মাঠে নামছে। রুনুঝুনু শব্দে বাজছে বাছুরদের গলায় বাঁধা ঘণ্টা। মাঠ সরব হয়ে উঠছে রাখালিয়া শব্দের কোলাহলে। মহিরুহ হিজল, দাঁড়িয়ে আছে মাথা উঁচু করে। যেন এক একটা বিস্ময় বৃক্ষ অদ্ভুত ছাতা মেলে ধরেছে হাওরের আকাশে। আর তার ঘনবিন্যস্ত শিকড় জাল ছড়িয়ে রেখেছে বিস্তীর্ণ জলাভূমিতে।
পাশের বনে ভিড় জমিয়েছে একঝাঁক ফিঙে। কিচিরমিচির শুনে কাছে যেতেই বনের ভেতর লুকিয়ে পড়ল সব। কবিতার মতোই যেন, ‘আকাশে পাখিরা কথা কয় পরস্পর’। তাদের বিরক্ত না করে উঠে পড়লাম ওয়াচ টাওয়ারে। সেখান থেকে হাওরের আসল রূপ চোখে পড়ে। প্রথম দর্শনে এক টুকরো সুন্দরবন ভেবে বসলে তেমন ভুল হবে না আশা করি।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণপদ দেবনাথ জানান, হাকালুকি হাওর প্রায় ১৮ হাজার হেক্টরের একটি বিশাল জলাভূমি। এখানে হিজলগাছগুলো সাধারণত ছোট ছোট ক্লাস্টার কিংবা সারিবদ্ধভাবে কান্দাগুলোতে (উঁচু ভিটা) অবস্থান করে। বছরের পর বছর গাছ নিধন এবং হাওর সংকুচিত হওয়ায় এই বনের পরিমাণ অনেকটা কমে গেছে। বিগত বছরগুলোতে সরকার এবং সিবিএ প্রকল্পের মাধ্যমে হাকালুকি হাওরের বিভিন্ন কান্দা কিংবা উঁচু জায়গায় কয়েক লাখ হিজল ও করচের চারা রোপণ করা হয়েছে। বছরখানেক আগে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেখানে রোপণ করা হয়েছে আরও ৮০০ চারা। হিজল বন মাছের প্রজননক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে। এ বন অতিথি পাখিদের আশ্রয়স্থল।
হিজল একটি দীর্ঘজীবী ও মাঝারি আকারের চিরহরিৎ গাছ। এটি জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে। এটি গ্রীষ্ম ও বর্ষা—উভয় মৌসুমে জীবন ধারণ করতে পারে। বর্ষায় হিজল বাঁচে অর্ধডুবন্ত অবস্থায় প্রবল প্রাণশক্তি নিয়ে। হয়ে ওঠে অনন্য রূপসী। শুকনো মৌসুমেও কচি পাতার সবুজে আচ্ছন্ন করে রাখে চারপাশ। রূপ আর লাবণ্যে মন কাড়ে। সমাদৃত হয় গল্পে, কাব্যে। এমনই হিজল-বট তমালের নীল ছায়ায় বাংলার মুখ দেখেছিলেন জীবনানন্দ। আর কবি নজরুল প্রিয়ার চরণ রাঙাতে চেয়েছিলেন হিজল বিছানো বনের পথে।
এই শীতে আপনি চাইলেই ঘুরে আসতে পারেন হাকালুকির হিজল বন। ভ্রমণ ডায়েরিতে যুক্ত করতে পারেন একটি দারুণ দিনের আনন্দলিপি।
যেভাবে যাবেন
দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে হিজল বন দেখতে যেতে পারেন। এ জন্য প্রথমে সিলেট শহরে যেতে হবে। সেখান থেকে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সদর। সেখান থেকে ঘিলাছড়া ইউনিয়ন। বর্ষাকালে নৌকা কিংবা ট্রলার ভাড়া করে হাকালুকি হাওরের মাঝে অবস্থিত হিজল বন এবং ওয়াচ টাওয়ারে যাওয়া যায়। শীতকালে হেঁটে অথবা বাইক ভাড়া করেও পৌঁছানো যায়।

বাংলাদেশের রূপ দেখে মুগ্ধ হলেন দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) কৃষি অনুষদের ২১ ব্যাচের সি সেকশনের নেপালি শিক্ষার্থীরা। অনুষদ আয়োজিত এই দেশ ভ্রমণের সুযোগ পেয়ে তাঁরা অনেক খুশি। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর!
৩ ঘণ্টা আগে
আজ আপনার জেদ বুর্জ খলিফার চেয়েও উঁচুতে থাকবে। পুরোনো কোনো চাচা বা খালু হুট করে এসে হাজির হতে পারেন। সাবধান, আজকের দিনে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে লোন বা টাকা নিয়ে কথা বলতে যাবেন না, ইজ্জত এবং মানিব্যাগ দুটোই পাংচার হতে পারে।
৩ ঘণ্টা আগে
ভিয়েতনামের সংস্কৃতির প্রধান ভিত্তি তেত কিংবা চান্দ্র নববর্ষ। এটি শুধু একটি ক্যালেন্ডার পরিবর্তন নয়, বরং ভিয়েতনামের মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য এবং পারিবারিক পুনর্মিলনের এক মহোৎসব। ভিয়েতনামের প্রতিটি প্রান্তে এ সময়ে এক অভূতপূর্ব উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।
৩ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণের জন্য বিপুল অর্থ দরকার—এই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন ব্রিটিশ নাগরিক তিয়েরা সেন্ট ক্লেয়ার। মাসে মাত্র ৪০০ ডলার পেনশন পান তিনি। এই সামান্য আয়ের ওপর ভর করেই ২০ বছর ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পৃথিবীর নানা প্রান্তে। বয়স এখন ৬৯। ঠিকানা নেই, স্থায়ী ঘর নেই, তাই পৃথিবীটাই তাঁর ঘর!
৩ ঘণ্টা আগে