
পৃথিবীতে ভ্রমণপিয়াসিদের আকাঙ্ক্ষিত গন্তব্য অ্যান্টার্কটিকা। এর হিমশীতল সৌন্দর্য দেখার ইচ্ছা ছিল। বরফ, নীরবতা আর অসীম এক আদিম প্রান্তরের এই চির হিম মহাদেশকে বাংলাদেশ থেকে স্পর্শ করা প্রায় অলৌকিকই মনে হতো।
বছরের পর বছর অ্যান্টার্কটিকার ভৌগোলিক মানচিত্র বোঝার চেষ্টা করা, মেরু অঞ্চলের বন্য প্রাণীর প্রামাণ্যচিত্র দেখা কিংবা দক্ষিণ মহাসাগর পাড়ি দেওয়া ঐতিহাসিক অভিযাত্রীদের রূপকথা পড়ার পর, বাস্তবে সেই শুভ্র সাম্রাজ্যে গিয়ে দাঁড়ানো শুধু একটা বিমানের টিকিট বুক করার বিষয় নয়, এটি ছিল বহু মাসের মানসিক প্রস্তুতি, নিখুঁত কৌশলগত পরিকল্পনা এবং স্বপ্ন বাস্তবায়নের এক কঠিন সফর।
এই অভিযানের পেছনে ছিল একটি বৃহত্তর জাতীয় ও পরিবেশগত উদ্দেশ্য। ২০ দিনের এই দীর্ঘ যৌথ অভিযানে সফরসঙ্গী ছিলেন বাংলাদেশের স্বনামধন্য কনটেন্ট নির্মাতা সালাহউদ্দীন সুমন, যিনি দীর্ঘদিন ধরে ভ্রমণ, পর্যটন, ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
আমাদের এই যৌথ অভিযাত্রার উদ্দেশ্য শুধু বিশ্বের এই দুর্গমতম প্রান্ত দেখাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এই বিচ্ছিন্ন মহাদেশের ভূদৃশ্য, সংবেদনশীল বাস্তুতন্ত্র, জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তব চিত্র এবং বন্য প্রাণীদের জীবন্ত গল্প ধারণ করে দর্শকদের সামনে তুলে ধরাও ছিল অন্যতম উদ্দেশ্য।
অ্যান্টার্কটিকার এই মনস্তাত্ত্বিক ও বৈশ্বিক গুরুত্ব অনুধাবন করার পর সেই স্বপ্নযাত্রাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার নিখুঁত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ঢাকা থেকে বিগল চ্যানেল পর্যন্ত বিস্তৃত দীর্ঘ আকাশ ও সমুদ্রপথের লজিস্টিক হিসাব মেলানোর মধ্য দিয়ে।
ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে প্রথম ধাপে ইস্তাম্বুল, দোহা কিংবা আদ্দিস আবাবার মতো ট্রানজিট হাবগুলো ব্যবহার করে পৌঁছাতে হয় আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসে। সেখান থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে চড়ে দক্ষিণ দিকে উড়ে গিয়ে নামতে হয় উশুয়াইয়ায়। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সংযোগ ও অপেক্ষার সময়সূচির ওপর ভিত্তি করে শুধু বুয়েনস এইরেস হয়ে উশুয়াইয়া পৌঁছাতেই ৩৬ থেকে ৪৮ ঘণ্টা সময় লেগে যায়।
তবে এখানে একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত নিয়ম মনে রাখা দরকার, অভিযান জাহাজ ছাড়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে উশুয়াইয়ায় পৌঁছানোর পরিকল্পনা করা চরম ঝুঁকিপূর্ণ। দূরপাল্লার কোনো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বিলম্বিত বা বাতিল হলে জাহাজ মিস করার বড় আশঙ্কা থাকে। মেরু অঞ্চলের এই বিশেষায়িত জাহাজগুলো কোনো একক যাত্রীর জন্য একমুহূর্তও অপেক্ষা করে না। তাই মূল সমুদ্রযাত্রার অন্তত ২ দিন আগে উশুয়াইয়ায় পৌঁছানো জরুরি। এতে পর্যাপ্ত সময় হাতে রাখা যায়।
অ্যান্টার্কটিকা অভিযানের সাফল্য নিশ্চিত হয় জাহাজে পা রাখার বহু আগে—অভিযাত্রীর নিখুঁত প্রাক্-অভিযানের প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে। আইনি প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন করা এবং প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে শরীর ও সংবেদনশীল ক্যামেরা যন্ত্রপাতি রক্ষা করার প্রস্তুতিই এই ধাপের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশি অভিযাত্রীদের জন্য একটি আশাব্যঞ্জক দিক হলো, ঢাকায় আর্জেন্টিনার নিজস্ব দূতাবাস রয়েছে এবং তারা পর্যটন ভিসা দেয়।
প্রথমে দূতাবাসের কনস্যুলার সেকশনে ই-মেইলের মাধ্যমে আর্জেন্টিনা ভ্রমণের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, ফ্লাইট বুকিং এবং অ্যান্টার্কটিকা অভিযানের বুকিং নিশ্চিতকরণ নথি পাঠাতে হয়। দূতাবাস থেকে সাক্ষাৎকার ও নথিপত্র জমার তারিখ পাওয়ার পর আবেদনকারীকে প্রয়োজনীয় কাগজ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ট্রাভেল বুকিংসহ সশরীর উপস্থিত হয়ে আবেদন জমা দিতে হয়। কোনো থার্ড পার্টি এজেন্সি আবেদনকারীর হয়ে ভিসা জমা দিতে পারে না; এজেন্সিগুলো বড়জোর নথিপত্র গোছাতে পরামর্শ দিতে পারে। তাই অভিযানের শিপিং সিট বুকিং নিশ্চিত করার সঙ্গে সঙ্গেই বিলম্ব না করে ভিসা প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত।
অ্যান্টার্কটিকা যাত্রায় সঠিক অপারেটর এবং অভিযানের রুট নির্বাচন করা সাফল্যের চাবিকাঠি। আন্তর্জাতিক অভিযান অপারেটরদের মধ্যে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের লিন্ডব্ল্যাড এক্সপেডিশনস তাদের বিলাসবহুল সেবা ও বৈজ্ঞানিক নির্দেশনার জন্য খ্যাত। অন্যদিকে ওশানওয়াইড এক্সপেডিশনসের মতো অভিজ্ঞ অপারেটররা রুটের বৈচিত্র্য, জাহাজের সামুদ্রিক সক্ষমতা এবং খরচের একটি চমৎকার সুষম সমন্বয় অফার করে।
অভিযাত্রীদের সামনে মূলত দুটি রুটের সুযোগ থাকে, সংক্ষিপ্ত অ্যান্টার্কটিক পেনিনসুলা রুট; এটি মূলত স্বল্প সময়ে শুধু অ্যান্টার্কটিকার মূল ভূখণ্ড ও তার সংলগ্ন বরফাবৃত দ্বীপমালা ঘোরার জন্য উপযোগী। আর দ্বিতীয়টি হলো দীর্ঘ মালভিনাস বা ফকল্যান্ড-সাউথ জর্জিয়া-অ্যান্টার্কটিকা রুট; এটি ২০ দিনের একটি পূর্ণাঙ্গ দক্ষিণ মহাসাগরীয় এক্সপেডিশন, যা উশুয়াইয়া থেকে শুরু হয়ে বিগল চ্যানেল পার হয়ে ইসলাস মালভিনাস বা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, সাউথ জর্জিয়া এবং সবশেষে মূল অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ অতিক্রম করে।
আমরা এই দ্বিতীয় ও দীর্ঘতর রুটটি নির্বাচন করেছিলাম, যা দক্ষিণ মহাসাগরের সম্পূর্ণ বাস্তুতন্ত্র প্রত্যক্ষ করার অভূতপূর্ব সুযোগ তৈরি করে দেয়। তবে জাহাজ ও রুট নির্বাচনের এই জটিল হিসাব চূড়ান্ত করতেই সামনে আসে বিশাল আর্থিক অঙ্কের সমীকরণ।
অ্যান্টার্কটিকা নিঃসন্দেহে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ভ্রমণ গন্তব্যগুলোর শীর্ষে। এর মূল লজিস্টিক কারণ হলো, চরম প্রতিকূল মেরু সমুদ্রে চলাচলের উপযোগী বিশেষায়িত বরফ সহনশীল জাহাজ পরিচালনা, অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা অবকাঠামো এবং ভৌগোলিকভাবে পৃথিবীর বিচ্ছিন্ন অঞ্চলে জ্বালানি ও রসদ সরবরাহের বিপুল পরিচালনা ব্যয়।
একটি সাধারণ অ্যান্টার্কটিকা অভিযানের ভিত্তিতে জাহাজ ভাড়া শুরু হয় প্রায় ৮ হাজার মার্কিন ডলার থেকে। রুট যদি দীর্ঘ হয় কিংবা জাহাজে উন্নত কেবিন বিভাগ নির্বাচন করা হয়, তবে এই খরচ দ্বিগুণের বেশি হতে পারে। তবে শিপিং কোম্পানির বিজ্ঞাপিত এই ভাড়াই চূড়ান্ত ব্যয় নয়। এর সঙ্গে একজন অভিযাত্রীর সামগ্রিক বাজেটে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের টিকিট, আর্জেন্টিনার ভিসা ফি, উশুয়াইয়ায় প্রাক্-অভিযানের হোটেল অবস্থান ও খাবার, বিশেষায়িত থার্মাল পোশাক ও ওয়াটারপ্রুফ গিয়ার কেনাকাটা এবং বাধ্যতামূলক জরুরি ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স যুক্ত করতে হয়। সব মিলিয়ে বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার এবং রুটভেদে একজন বাংলাদেশি পর্যটকের ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৫ থেকে ২৫ লাখ টাকা বা তারও বেশি।
কখনো কখনো অবিক্রীত কেবিনের জন্য শেষ মুহূর্তে লাস্ট মিনিট ডিলে বড় ছাড়ের সুযোগ তৈরি হয়। তবে বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের জন্য শুধু এই ছাড়ের ওপর ভরসা করে বসে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ। ঢাকা থেকে আর্জেন্টিনার ভিসা অনুমোদন এবং আন্তর্জাতিক দূরপাল্লার ফ্লাইটের আসন সুনিশ্চিত করতে যে সময় প্রয়োজন হয়, শেষ মুহূর্তের ছাড়ে সেই সময় পাওয়া যায় না। কম দামে কেবিন পেলেও যদি ভিসা ও ফ্লাইট জটিলতায় সময়মতো উশুয়াইয়া না পৌঁছানো যায়, তবে পুরো বিনিয়োগই পণ্ড। তাই আগেভাগে পরিকল্পনা করে বাজেট সুনির্দিষ্ট করাই বুদ্ধিমত্তার পরিচয়।
মেরু অঞ্চলের চরম আবহাওয়ায় সাধারণ শহরের শীতের পোশাক সম্পূর্ণ অকার্যকর। সেখানে তিন স্তরবিশিষ্ট পোশাক পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়। শরীরের ভেতরের আর্দ্রতা দূর করে তাপমাত্রা ধরে রাখার জন্য মেরিনো উল বা সিনথেটিক থার্মাল কাপড় ব্যবহার করতে হয়। বডি হিট ধরে রাখার জন্য ফ্লিস বা ডাউন জ্যাকেট এবং জোডিয়াক বোটে চড়ে দ্বীপে নামার সময় লোনাপানির তীব্র ছিটা, বরফপাত ও হিমেল বাতাস আটকানোর বিশেষ জ্যাকেট ও প্যান্ট দরকার পড়ে।
কোনো কোনো এক্সপেডিশন অপারেটর যাত্রীদের বিশেষ মেরু পারকা জ্যাকেট বা ওয়াটারপ্রুফ বুট বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে দেয়। আবার অনেক অপারেটর যাত্রীদের নিজেদের সরঞ্জাম কিনে আনার পরামর্শ দেয়। তাই গিয়ার কেনার আগেই নিজ অপারেটরের সরবরাহ করা সরঞ্জাম তালিকা ভালোভাবে মিলিয়ে নেওয়া আবশ্যক।
হিমাঙ্কের নিচের তাপমাত্রায় লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির চার্জ কয়েক মিনিটে শেষ হয়ে যায়। এই সমস্যা সমাধানের কৌশল হলো, অতিরিক্ত ব্যাটারি সব সময় শরীরের কাছাকাছি, ভেতরের থার্মাল স্তরের পকেটে বডি-হিটে উষ্ণ রাখা। এ ছাড়া সমুদ্রের লোনাপানির তীব্র ছিটা থেকে দামি ক্যামেরা ও লেন্স বাঁচাতে বিশেষ ওয়াটারপ্রুফ কভার এবং সিলিকা জেলের ব্যবহার অপরিহার্য।
এই যাত্রার জন্য কোনো অলৌকিক অ্যাথলেটিক ফিটনেসের প্রয়োজন নেই। তবে অসমান পাথুরে বা বরফাবৃত পিচ্ছিল ভূখণ্ডে ভারসাম্য রেখে হাঁটা, উত্তাল সাগরে জোডিয়াক বোট থেকে নিরাপদে দ্বীপে ওঠানামা করা এবং তীব্র বাতাস ও ঠান্ডার মধ্যেও টানা কয়েক ঘণ্টা বাইরে অবস্থান করার মতো স্বাভাবিক শারীরিক সক্ষমতা থাকা অত্যন্ত জরুরি।
অ্যান্টার্কটিকায় ভ্রমণের নির্ধারিত মৌসুম মূলত দক্ষিণ গোলার্ধের গ্রীষ্মকাল—অর্থাৎ অক্টোবরের শেষ বা নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে মার্চ মাস পর্যন্ত বিস্তৃত। এই সময়ের মধ্যে প্রতিটি মাসেই ভূদৃশ্য ও বন্য প্রাণীর আচরণের ভিন্ন ভিন্ন বৈচিত্র্য চোখে পড়ে। শীতের আমেজ থেকে সদ্য জেগে ওঠা নির্মল ও অক্ষত বরফ, বিশালাকার সামুদ্রিক বরফের চাঁই এবং দীর্ঘ শীতের ঘুম ভাঙিয়ে প্রজননস্থলে পেঙ্গুইনদের প্রাথমিক প্রত্যাবর্তনের রোমাঞ্চকর দৃশ্য দেখার সেরা সময় হলো নভেম্বর মাস। চব্বিশ ঘণ্টার দীর্ঘতম দিনের আলো, সামুদ্রিক বরফ গলতে শুরু করার মনোরম দৃশ্য এবং কলোনিগুলোতে ডিম ফুটে প্রথম পেঙ্গুইন ছানাদের জন্ম নেওয়ার প্রারম্ভিক সময় হলো ডিসেম্বর।
প্রথমবার ভ্রমণকারীদের জন্য জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাস আদর্শ সময়। আবহাওয়া তুলনামূলক অনুকূল ও সহনশীল থাকে, পেঙ্গুইন ছানারা চরম সক্রিয় ও চঞ্চল হয়ে ওঠে; এ ছাড়া ছবি ও ভিডিওগ্রাফারদের জন্য সেরা দৃশ্যপট তৈরি হয়।
মার্চ মাস হলো তিমি দর্শনের পিক-সিজন। সমুদ্রে ক্রিল ও পুষ্টির প্রাচুর্যের কারণে এই সময়ে সাগরে রেকর্ডসংখ্যক বিভিন্ন প্রজাতির তিমি দেখা যায়। একই সঙ্গে বড় হয়ে ওঠা পেঙ্গুইন ছানারা কলোনি ছেড়ে প্রথমবারের মতো সমুদ্রে নামার প্রস্তুতি নেয়। উপযুক্ত মৌসুম ও সময় নির্বাচন করে যাত্রার দিনক্ষণ ঠিক করার পর এই বিপুল ব্যয় ও লজিস্টিক সংগ্রামের চূড়ান্ত সার্থকতা মূল্যায়ন করা জরুরি।

সিলেটের পর্যটনকেন্দ্রগুলোর বেশির ভাগই জলকেন্দ্রিক। তারই একটি রাতারগুল জলাবন। অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি এর প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখার জন্য উপস্থিত হই সেখানে। প্রথম গন্তব্য সিলেট।
৪ ঘণ্টা আগে
বিবিসি কালচার প্রকাশ করেছে বিশ্বের অন্যতম ৮টি রঙিন স্থাপত্যের নাম। ভ্রমণ তালিকায় রেখে দিতে পারেন এগুলো। শ্রী রঙ্গনাথস্বামী মন্দির: ভারতের তামিলনাড়ুতে ৬০ হেক্টরের বেশি জায়গাজুড়ে অবস্থিত এই মন্দিরে রয়েছে ২১টি কারুকার্যময় গোপুরম বা প্রবেশদ্বার।
৫ ঘণ্টা আগে
রাত ১০টা পেরিয়ে গেছে। রেস্তোরাঁয় তখনো ভিড় বাড়ছে, টেবিলে সাজানো হচ্ছে খাবার। বাংলাদেশে এই সময় অনেকের রাতের খাবার শেষ হয়ে যায়। অথচ বিশ্বের কিছু দেশে এটাই ডিনারের ব্যস্ত সময়। কোথাও রাত ৯টায় শুরু হয় খাবার, কোথাও আবার ১০টা বা তারও পরে। প্রশ্ন জাগতেই পারে, এত রাতে খাবার খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হলো কীভাবে?
১৭ ঘণ্টা আগে
ল্যাপটপ বন্ধ করেছেন, রাতের খাবার শেষ। হিসাব অনুযায়ী সেই দিনের কাজ শেষ। কিন্তু কাঁধে এখনো কাজের চাপ, হাত বারবার চলে যাচ্ছে মোবাইল ফোনের দিকে আর মাথার ভেতর ঘুরছে অফিসের অসমাপ্ত কথোপকথন বা আগামীকালের কাজের তালিকা। ফলে অফিস শেষ হয়েও মনটা অফিসেই পড়ে আছে। এই দ্বিধাময় অবস্থা থেকে নিজেকে স্বাভাবিক ছন্দে
২১ ঘণ্টা আগে