Ajker Patrika

তাকওয়া অর্জনের ইহকালীন ও পরকালীন উপকারিতা

ফয়জুল্লাহ রিয়াদ
তাকওয়া অর্জনের ইহকালীন ও পরকালীন উপকারিতা
মুসলিম। ছবি: সংগৃহীত

তাকওয়া অর্থ আল্লাহ তাআলাকে ভয় করা। আল্লাহর ভয়ে সমস্ত পাপাচার থেকে বিরত থাকা এবং নেক আমলের পাবন্দি করা। যারা তাকওয়ার পথ অবলম্বন করে, তাদের মুত্তাকি বলা হয়। রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার মূল উদ্দেশ্যই হলো তাকওয়া অর্জন।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে ইমানদারগণ, তোমাদের ওপর রমজানের রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’ (সুরা বাকারা: ১৮৩)

তাকওয়া বা খোদাভীতির ইহকালীন ও পরকালীন নানাবিধ উপকারিতা রয়েছে। তাকওয়ার মাধ্যমে জীবনের জটিল বিষয়গুলো সহজ হয়ে যায়।

পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার কাজ সহজ করে দেন।’ (সুরা তালাক: ৪)

তাকওয়া অবলম্বন করলে আকাশ ও জমিনের যাবতীয় বরকতের দরজা খুলে যায়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর যদি সে জনপদের অধিবাসীরা ইমান আনত ও তাকওয়া অবলম্বন করত, তবে আমি তাদের জন্য আকাশসমূহ ও পৃথিবীর সমস্ত কল্যাণধারা উন্মুক্ত করে দিতাম।’ (সুরা আরাফ: ৯৬)

তাকওয়ার মাধ্যমে রিজিকে প্রশস্ততা আসে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যে কেউ আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার জন্য সংকট থেকে উত্তরণের পথ সহজ করে দেন এবং তাকে ধারণাতীত জায়গা থেকে রিজিক দেন।’ (সুরা তালাক: ২-৩)

পরকালীন জীবনে তাকওয়ার সবচেয়ে বড় পুরস্কার হলো চির সুখের জান্নাত। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা নিজ প্রতিপালকের পক্ষ থেকে ক্ষমা এবং এমন জান্নাত লাভের জন্য প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হও, যার প্রশস্ততা আকাশসমূহ ও পৃথিবীতুল্য। যা তৈরি করা হয়েছে তাকওয়া অবলম্বনকারীদের জন্য।’ (সুরা আলে ইমরান: ১৩৩)

অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমার বান্দাদের মধ্যে তাকওয়া অবলম্বনকারীদেরই আমি জান্নাতের উত্তরাধিকার বানাব।’ (সুরা মারইয়াম: ৬৩)

বিচার দিবসে মুত্তাকিদের দলে দলে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে। ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা তাকওয়া অবলম্বন করত, তাদের দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে।’ (সুরা জুমার: ৭৩)

আল্লাহ তাআলা আমাদের তাকওয়ার নেয়ামত দান করুন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত