
রমজানে রোজা রাখা অবস্থায় অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে অনেকেরই বমি হতে পারে। বমির কারণে রোজা ভাঙবে কি না, তা নির্ভর করে বমি স্বেচ্ছায় করা হয়েছে, নাকি অনিচ্ছাকৃতভাবে হয়েছে তার ওপর। ইসলামি শরিয়তের আলোকে এই মাসআলাটি নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
যদি কোনো রোজাদার অসুস্থতার কারণে বা কোনো অসুবিধার ফলে অনিচ্ছাকৃত বমি করেন, তবে তাঁর রোজা ভাঙবে না। তিনি বাকি সময় রোজা পূর্ণ করবেন এবং এর জন্য কোনো কাজা করতে হবে না। তবে শর্ত হলো, এই বমি যেন ‘মুখভরে’ না হয়।
যদি কেউ ইচ্ছা করে বমি করেন, তবে তাঁর রোজা ভেঙে যাবে এবং পরবর্তী সময়ে ওই রোজার কাজা করা ওয়াজিব হবে। স্বেচ্ছায় বমি করার কয়েকটি পদ্ধতি হলো: ক. মুখ বা গলায় আঙুল ঢুকিয়ে বমি করা। খ. ইচ্ছাকৃত কোনো দুর্গন্ধযুক্ত বস্তু শোঁকা। গ. বিরক্তিকর কোনো বস্তুর দিকে তাকিয়ে বমির উদ্রেক করা।
মুখভরে বমি হলে বা ইচ্ছাকৃত বমি করার পর যদি রোজাদার প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে পড়েন, তবে তিনি রোজা ভেঙে ফেলতে পারবেন। ইসলাম মানুষের জীবনের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। হজরত সাওবান (রা.) বর্ণনা করেন, ‘আমি মহানবী (সা.)-কে বমি করার পর রোজা ভাঙতে দেখেছি।’ (সুনানে আবু দাউদ)
নবীজি (সা.) নিজেই এর কারণ ব্যাখ্যা করে বলেছেন, বমি করার কারণে তিনি রোজা পালনে শারীরিকভাবে অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, তাই তিনি রোজা ভঙ্গ করেছিলেন। (তাহাবি শরিফ)
বমির কারণে রোজা ভেঙে গেলে কেবল একটি কাজা আদায় করাই যথেষ্ট, এর জন্য কোনো ‘কাফফারা’ (টানা ৬০টি রোজা) আবশ্যক হয় না। পরের রমজান আসার আগেই এ কাজা রোজাটি আদায় করে নেওয়া উত্তম।

সুরাটির বারবার পুনরাবৃত্ত আয়াত ‘ফাবিআইয়ি আলাই রাব্বিকুমা তুকাজজিবান’ (অতএব তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নেয়ামতকে অস্বীকার করবে?) মানুষের অন্তরে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও গভীর প্রভাব সৃষ্টি করে।
১২ মিনিট আগে
যুগ যুগ ধরে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পবিত্র মক্কার উদ্দেশে হজ পালনের জন্য ছুটে আসেন হজযাত্রীরা। হজের সফর যেন ত্যাগ, ধৈর্য ও অদম্য বিশ্বাসের এক জীবন্ত প্রতীক। দুর্গম পথ, প্রতিকূল আবহাওয়া আর সীমাহীন অনিশ্চয়তাকে সঙ্গী করে আফ্রিকান হাজিরা যেভাবে বছরের পর বছর বায়তুল্লাহর জিয়ারতে এসেছেন, তা বিশ্ব ইতিহাসের...
৪ ঘণ্টা আগে
ইশরাক শব্দের অর্থ হলো আলোকিত হওয়া। সূর্য ওঠার পর জগৎ যখন আলোকিত হয়, তখন এই নামাজ আদায় করা হয় বলে একে সালাতুল ইশরাক বলা হয়। এটি নফল নামাজ এবং সুন্নতে গায়রে মুআক্কাদা, অর্থাৎ ঐচ্ছিক সুন্নত। মহানবী (সা.) নিজে এই নামাজ আদায় করতেন এবং সাহাবায়ে কেরামকেও উৎসাহিত করতেন।
৫ ঘণ্টা আগে
আরবি বর্ষপঞ্জির ১১তম মাস—জিলকদ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা যে চারটি মাসকে ‘মর্যাদাপূর্ণ’ (আশহুরুল হুরুম) বলে ঘোষণা করেছেন, জিলকদ তার অন্যতম। জাহিলিয়াতের যুগেও আরবে এই মাসে যুদ্ধবিগ্রহ নিষিদ্ধ ছিল। বর্তমানে মুমিনদের জন্য এটি হজ ও কোরবানির প্রস্তুতির মাস।
৬ ঘণ্টা আগে