
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনে বিজয়ী হন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আসন দুটি হচ্ছে—বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭। সংবিধান অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একাধিক আসনে নির্বাচিত হলেও কেবল একটিতে সংসদ সদস্য হিসেবে থাকতে পারেন। সে অনুযায়ী, ঢাকা-১৭ রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তারেক রহমান। ইতিমধ্যে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে এবং সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফলে উপনির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। শহর থেকে গ্রাম, চায়ের দোকান, বাজার, দলীয় কার্যালয় সর্বত্র এখন একটাই প্রশ্ন, কে পাচ্ছেন বিএনপির মনোনয়ন?
বগুড়া শহরের সাতমাথা এলাকায় ফল ব্যবসায়ী আবু জাফর ও রিকশাচালক আব্দুস সালামের মতে, তারেক রহমান যেহেতু নিজে এখান থেকে নির্বাচিত হয়েছেন, তাই উপনির্বাচনেও তাঁর পরিবারের কাউকে মনোনয়ন দিলে এলাকাবাসী খুশি হবে। আবার তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত অনেকে বলছেন, তাঁরা চান এমন একজনকে প্রার্থী করা হোক, যিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কলেজশিক্ষক বলেন, পরিবার থেকে মনোনয়ন দিলে সহানুভূতির ভোট পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয়, মাঠপর্যায়ে পরীক্ষিত কাউকে দিলে দল আরও শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে। বগুড়া সদরের সাতশিমুলিয়া গ্রামের কৃষক মতিউর রহমান বলেন, ‘আমরা বড় নেতাদের নাম জানি, কিন্তু দরকার এমন এমপি যিনি আমাদের রাস্তাঘাট, কৃষি আর বাজারের সমস্যাগুলো বুঝবেন।’
বিএনপির ইউনিয়ন পর্যায়ের এক নেতা বলেন, দলের দুঃসময়ে যাঁরা মাঠে ছিলেন, মামলা-হামলা মোকাবিলা করেছেন, কর্মীদের আগলে রেখেছেন। বিপদে-আপদে নিজের টাকা খরচ করে কর্মীদের দেখভাল করেছেন তাঁদের মধ্য থেকে কাউকে মনোনয়ন দিলে তৃণমূলের কর্মীরা বেশি উৎসাহ পাবে।
জেলা বিএনপির একাধিক নেতা বলেন, তারেক রহমানের পরিবারের কেউ প্রার্থী হলে কেন্দ্রের বার্তা শক্ত হবে। তবে স্থানীয় নেতাদের মধ্যেও কয়েকজন যোগ্যতাসম্পন্ন, তাঁদের গ্রহণযোগ্যতাও ভালো।
বগুড়া-৬ আসন ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সাধারণত এই আসনে ধানের শীষ প্রতীকে যে কেউ বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে থাকেন। তবে জিয়া পরিবার থেকে প্রার্থী দিলে আবেগের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে, আর জেলার নেতাদের মধ্য থেকে দিলে সংগঠন শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন অনেকে।
উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘিরে এলাকায় চলছে নানা আলোচনা। ফেসবুকে পছন্দের নেতার প্রার্থিতা চেয়ে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন অনেকে। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল বলেন, জিয়া পরিবার থেকে প্রার্থী দেওয়া হলে বগুড়ার মানুষ সবচেয়ে বেশি খুশি হবে। আর অন্য প্রার্থী দেওয়া হলেও তিনি যেন এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের পাশে থাকেন, এটাই বগুড়াবাসীর প্রত্যাশা।

ফুটপাত আর সংলগ্ন সড়কজুড়ে সারি সারি দোকান। ফল, পোশাক, মোবাইল সামগ্রীসহ হরেক রকম পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। হকারদের কবল থেকে মুক্তি নেই পদচারী-সেতুতেও। এই চিত্র সাভারের বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড এলাকার। রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এসব ভাসমান দোকান থেকে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়। আর এর খে
২ ঘণ্টা আগে
মুকুলে ঠাসা আমগাছগুলো। কোনো কোনো ডাল নুয়ে পড়ছে। গাছতলায়; এমনকি দূরেও ম-ম গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। রাজশাহী অঞ্চলে এবার প্রায় সব আমবাগানের চিত্র এ রকম। চাষি ও কৃষি বিভাগ বলছে, ইতিমধ্যে বাগানগুলোর প্রায় ৬৩ শতাংশ গাছে মুকুল এসেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
বরগুনা সদর উপজেলায় সাড়ে ২২ কিলোমিটারের একটি সড়ক সংস্কার ও প্রশস্তকরণ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে এক বছর আগে; কিন্তু কাজ শেষ হয়নি। ক্রোক স্লুইসগেট থেকে নিশানবাড়িয়া পর্যন্ত এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে শিকার নিষিদ্ধ পরিযায়ী ও বিভিন্ন বুনো পাখি। জানা গেছে শীতকালজুড়ে একশ্রেণির পাখিশিকারি তৎপর থাকে। শীতকাল চলে গেলেও থামেনি তাঁদের কারবার।
২ ঘণ্টা আগে