
নামাজ শেষে ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ’ বলে সালাম ফেরানো ওয়াজিব। এটি নামাজের সর্বশেষ রোকন, যা ইবাদতটি সম্পন্ন করে। তবে সালাম ফেরানোর সময় শব্দ উচ্চারণ এবং মাথা ঘোরানোর সঠিক পদ্ধতি নিয়ে অনেক মুসল্লি সংশয়ে থাকেন। সুন্নাহ অনুযায়ী সালাম ফেরানোর সঠিক নিয়ম ও পদ্ধতি নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) ডান ও বাম উভয় দিকে সালাম ফেরাতেন এবং উভয় দিকেই পূর্ণাঙ্গভাবে ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ’ বলতেন। (সুনানে তিরমিজি: ২৯৫)
১. শব্দ উচ্চারণ: সালামের শব্দগুলো অতিরিক্ত দীর্ঘ (মদ) না করে স্বাভাবিকভাবে উচ্চারণ করা সুন্নত। একে হাদিসের ভাষায় ‘হাফজ’ বলা হয়। (সুনানে তিরমিজি: ২৯৭)
২. মাথা ঘোরানো: কিবলার দিকে চেহারা থাকা অবস্থায় সালাম শুরু করা এবং শব্দ বলতে বলতে মাথা ঘোরানো উত্তম।
সালাম ফেরানোর সময় কখন মাথা ঘোরাতে হবে, তা নিয়ে ইমাম নববি (রহ.) চমৎকার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। সঠিক পদ্ধতিটি হলো: ক. প্রথম সালাম (ডান দিকে) : চেহারা কিবলার দিকে থাকা অবস্থায় ‘আসসালামু...’ বলা শুরু করবেন এবং ‘...ওয়া রহমাতুল্লাহ’ বলতে বলতে মাথা ডান দিকে ঘোরাবেন। এমনভাবে ঘোরাবেন, যেন আপনার ডান গাল পেছন থেকে দেখা যায়। খ. দ্বিতীয় সালাম (বাম দিকে) : একইভাবে কিবলার দিকে মুখ থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় সালাম শুরু করবেন এবং শব্দ বলতে বলতে মাথা বাম দিকে ঘোরাবেন।
অনেকে সালাম ফেরানোর সময় কিছু ভুল করে থাকেন, যা পরিহার করা উচিত। যেমন অনেকে সামনে তাকিয়ে পুরো সালাম শেষ করে তারপর মাথা ঘোরান, এটি অনুত্তম। সালামের শব্দগুলোকে গান গাওয়ার মতো টেনে লম্বা করা সুন্নাহ পরিপন্থী। এ ছাড়া সালাম শেষ হওয়ার আগেই খুব দ্রুত মাথা ঘুরিয়ে ফেলা ঠিক নয়; শব্দ ও গতির মাঝে সমন্বয় থাকা জরুরি।

কোরবানি একটি পবিত্র ইবাদত, যার মূল ভিত্তি হলো নিয়ত এবং তাকওয়া। বর্তমান সময়ে কেনাবেচাকে স্বচ্ছ ও সহজ করতে অনেক খামারি জীবন্ত পশুর ওজন মেপে প্রতি কেজির একটি দাম নির্ধারণ করে দেন।
২ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৬ ঘণ্টা আগে
কোরবানি আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এক অনন্য মাধ্যম। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ইরশাদ করেছেন—‘আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না ওগুলোর (কোরবানির পশুর) মাংস ও রক্ত; বরং তাঁর কাছে পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।’ (সুরা হজ: ৩৭)
১৬ ঘণ্টা আগে
রাগ মানুষের একটি আচরণগত দিক। এর মন্দ প্রভাবই বেশি। রাগী মানুষকে কেউ ভালোবাসে না। এ কারণে রাসুল (সা.) তাঁর উম্মতকে রাগ করতে নিষেধ করেছেন এবং রাগ সংবরণকারীকে শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের অধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে