ইসলামে জিহ্বার হেফাজত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বল্পভাষী হওয়া যেমন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, তেমন পরকালীন মুক্তির অন্যতম মাধ্যম। অনিয়ন্ত্রিত ও লাগামহীন কথাবার্তা অনেক সময় ঝগড়া-বিবাদ এবং সামাজিক অশান্তির মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
১. পাপ থেকে সুরক্ষা: গিবত, পরনিন্দা, মিথ্যা এবং গালাগালের মতো ভয়াবহ গুনাহগুলো জিহ্বার মাধ্যমেই সংঘটিত হয়। চুপ থাকলে এসব থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয়।
২. শয়তান থেকে দূরত্ব: রাসুল (সা.) হজরত আবু গিফারি (রা.)-কে বলেছেন, ‘তুমি চুপ থাকো, কেননা নীরবতা শয়তানকে দূরীভূত করে।’ (সুনানে বায়হাকি)
৩. আত্মিক শক্তি অর্জন: নীরবতা মানুষের মনে এমন এক আত্মিক শক্তি বা নুর তৈরি করে, যা অন্যান্য ইবাদত পালনে সহায়তা করে।
৪. মর্যাদা বৃদ্ধি: হাদিসে এসেছে, অপ্রয়োজনীয় কথা না বলে চুপ থাকা ৬০ বছরের (নফল) ইবাদতের চেয়েও উত্তম মর্যাদা বয়ে আনতে পারে।
৫. বুদ্ধিমত্তার পরিচয়: ইসলামি স্কলারদের মতে, বুদ্ধিমানের সৌন্দর্য হলো তার নীরবতা। কথা বলা যদি রুপার মতো হয়, তবে চুপ থাকা সোনার মতো।
একজন মুমিনের বৈশিষ্ট্য হলো, হয় সে ভালো কথা বলবে, না হয় চুপ থাকবে। অসংযত জিহ্বা মানুষের আমলনামাকে নষ্ট করে দেয়। তাই দুনিয়াবি ফেতনা থেকে বাঁচতে এবং পরকালে জান্নাত নিশ্চিত করতে জিহ্বার নিয়ন্ত্রণ ও স্বল্পভাষী হওয়ার বিকল্প নেই।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বেশির ভাগ সময় নীরব থাকতেন। হাদিস শরিফে চুপ থাকাকে একটি বিশেষ ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে চুপ থেকেছে, সে নাজাত পেয়েছে।’ (জামে তিরমিজি)। এ ছাড়া রাসুল (সা.) আরও ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি তার জবান ও লজ্জাস্থানের হেফাজতের দায়িত্ব নেবে, আমি তার জান্নাতের জিম্মাদার হব।’ (সহিহ্ বুখারি)

কোরবানি একটি পবিত্র ইবাদত, যার মূল ভিত্তি হলো নিয়ত এবং তাকওয়া। বর্তমান সময়ে কেনাবেচাকে স্বচ্ছ ও সহজ করতে অনেক খামারি জীবন্ত পশুর ওজন মেপে প্রতি কেজির একটি দাম নির্ধারণ করে দেন।
২ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৭ ঘণ্টা আগে
কোরবানি আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এক অনন্য মাধ্যম। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ইরশাদ করেছেন—‘আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না ওগুলোর (কোরবানির পশুর) মাংস ও রক্ত; বরং তাঁর কাছে পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।’ (সুরা হজ: ৩৭)
১৬ ঘণ্টা আগে
রাগ মানুষের একটি আচরণগত দিক। এর মন্দ প্রভাবই বেশি। রাগী মানুষকে কেউ ভালোবাসে না। এ কারণে রাসুল (সা.) তাঁর উম্মতকে রাগ করতে নিষেধ করেছেন এবং রাগ সংবরণকারীকে শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের অধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে