
কোরবানি একটি পবিত্র ইবাদত, যার মূল ভিত্তি হলো নিয়ত এবং তাকওয়া। বর্তমান সময়ে কেনাবেচাকে স্বচ্ছ ও সহজ করতে অনেক খামারি জীবন্ত পশুর ওজন মেপে প্রতি কেজির একটি দাম নির্ধারণ করে দেন।
শরিয়তের দৃষ্টিতে ওজন মেপে পশুর দাম নির্ধারণ করা মূলত বৈধ। ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী, এটি কেনাবেচার একটি সহজ ও স্বচ্ছ পদ্ধতি। এতে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই ন্যায্য মূল্যে পৌঁছাতে পারেন এবং অতিরিক্ত দামের কারণে কেউ ক্ষতির শিকার হন না। ইসলাম যেহেতু কারও ওপর অন্যায়ভাবে ক্ষতি চাপিয়ে দেওয়া সমর্থন করে না, তাই এই পদ্ধতিটি শরিয়তসম্মত।
ওজন মেপে পশু কেনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো আপনার নিয়ত।
ভালো নিয়ত: যদি আপনি বেশি গোশত পাওয়ার আশায় বড় পশু কেনেন, যাতে দরিদ্র ও আত্মীয়স্বজনদের বেশি বেশি গোশত বিতরণ করা যায়, তবে এটি উত্তম নিয়ত এবং এতে সওয়াব রয়েছে।
ভ্রান্ত নিয়ত: যদি লক্ষ্য কেবল কতটুকু গোশত পাওয়া যাবে, সেই লাভ-ক্ষতির হিসাব করা হয় কিংবা লোকদেখানো মনোভাব থাকে, তবে কোরবানির মূল শিক্ষা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
মোটকথা হলো, ডিজিটাল স্কেলে ওজন মেপে স্বচ্ছতার সঙ্গে পশু কেনায় কোনো ধর্মীয় বাধা নেই। তবে ওজন করার এই প্রক্রিয়া যেন কেবল লাভ-ক্ষতির অঙ্কে সীমাবদ্ধ না হয়ে পড়ে। কোরবানির ক্ষেত্রে মূল বিষয় হলো সঠিক নিয়ত, শরিয়তসম্মত পশু নির্বাচন এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
তথ্যসূত্র: আহসানুল ফাতাওয়া-৬ / ৪৯৭, ফাতাওয়া উসমানি-৩ / ৯৯, ফাতাওয়া কাসিমিয়া-১৯ / ৩৫৩

আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। একটি সুন্দর, সুশোভিত ও গৌরবময় সমাজ বিনির্মাণে শিশুদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। পবিত্র কোরআনে শিশুদের পার্থিব জীবনের শ্রেষ্ঠ সৌন্দর্য হিসেবে আখ্যায়িত করে মহান আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেছেন, ‘ধন-সম্পদ ও সন্তানসন্ততি পার্থিব জীবনের শোভা।’ (সুরা কাহাফ: ৪৬)
২ ঘণ্টা আগে
সুখ-দুঃখ ও আনন্দ-বেদনা আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অপ্রত্যাশিত কোনো আনন্দ বা বহুল প্রত্যাশিত কোনো সাফল্যের সংবাদে আমরা উৎফুল্ল হই এবং আনন্দ প্রকাশ করি। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে, যেকোনো আনন্দের মুহূর্তে উৎফুল্লতার আতিশয্যে অহংকারী না হয়ে মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতায় অবনত হতে।
২ ঘণ্টা আগে
গত শতাব্দীর ষাটের দশকের কথা। সে সময় মিসরের বিখ্যাত ‘কোরআনুল কারিম’ রেডিওর জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ‘মুরাত্তাল’ (মাঝারি বা ধীরগতির) খতম রেকর্ড করেন শায়খ কারি মুহাম্মদ সিদ্দিক মিনশাবি। রেডিওর উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা কমিটি সেই খতমটি শোনামাত্রই চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় এবং এমন অভূতপূর্ব তিলাওয়াতের..
২ ঘণ্টা আগে
মহররম চার পবিত্র মাসের একটি। ইসলামি বর্ষপঞ্জি শুরু হয় এ মাসের মাধ্যমে। মহররম মাসের মর্যাদা কোরআন ও হাদিসে বিশেষভাবে উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া আশুরার কারণে মাসটি মুসলমানদের কাছে বেশ গুরুত্ব বহন করে। এই মাসে শান্তি ও তাকওয়ার সঙ্গে সময় কাটানোর কথা বলে ইসলাম।
২ ঘণ্টা আগে