
দাম্পত্যজীবনে অনেক সময় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যেখানে স্বামী-স্ত্রীর একত্রে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ইসলাম ধর্ম দাম্পত্যসম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিলেও একান্ত নিরুপায় অবস্থায় ‘তালাক’ বা বিচ্ছেদের অনুমতি দিয়েছে। তবে হুট করে তালাক দেওয়া ইসলাম সমর্থন করে না। তালাক দেওয়ার আগে যেমন কিছু সংশোধনমূলক পদক্ষেপ রয়েছে, তেমনি তালাক দেওয়ারও একটি সর্বোত্তম পদ্ধতি রয়েছে।
স্ত্রী যদি অবাধ্য হয় বা উচ্ছৃঙ্খল জীবন যাপন করে, তবে সরাসরি তালাক না দিয়ে স্বামী নিচের তিনটি পদক্ষেপ ক্রমান্বয়ে অনুসরণ করবে:
যদি সব চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং বিচ্ছেদ অনিবার্য হয়ে পড়ে, তবে ইসলামি শরিয়ত মতে তালাক দেওয়ার সর্বোত্তম পদ্ধতি হলো ‘তালাকে আহসান’। এর নিয়মগুলো হলো:
ইসলামে তালাকের মূল অধিকার স্বামীর হাতে থাকলেও নারীদের একদম নিরুপায় করে রাখা হয়নি। নারীরা নিচের উপায়ে বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে:
তালাক আল্লাহর কাছে বৈধ কাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ঘৃণিত। তাই চরম অনিবার্য পরিস্থিতি ছাড়া এই পথে না যাওয়াই শ্রেয়। আর যদি দিতেই হয়, তবে অবশ্যই সুন্নাহ বা ‘আহসান’ পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত, যাতে পরে অনুতপ্ত হলে পুনরায় দাম্পত্যজীবন শুরুর পথ খোলা থাকে।

জীবনচক্রে অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ-আপদ, রোগব্যাধি কিংবা নানাবিধ সংকট আসা স্বাভাবিক। ইসলামে এসব অনিষ্ট ও ক্ষয়ক্ষতি থেকে আত্মরক্ষার মূল শিক্ষা হলো—সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা (তাওয়াক্কুল) রাখা এবং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো দোয়াগুলো দৈনিক জীবনে চর্চা করা।
৩ ঘণ্টা আগে
আল্লাহ তাআলা মানুষকে পরিশ্রমনির্ভর করে সৃষ্টি করেছেন। তাই দিনের বেলায় নানা কাজ শেষে রাতে মানুষ বিশ্রাম নেয়। প্রশান্তিময় বিশ্রামের সর্বোত্তম উপায় হলো ঘুম। তবে শোয়ার আগে শরীর ও মনকে পবিত্র করে নেওয়া উচিত।
৮ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৩ ঘণ্টা আগে
গুনাহ মূলত দুই প্রকার; ১. সগিরা গুনাহ (ছোট পাপ) এবং ২. কবিরা গুনাহ (মহাপাপ)। কবিরা গুনাহ থেকে মাফ পেতে খাঁটি মনে তওবা করা আবশ্যক। তওবা ছাড়া কবিরা গুনাহ মাফ হয় না; এমনকি কোনো কোনো কবিরা গুনাহের ক্ষেত্রে তওবা ছাড়া মৃত্যুবরণ করলে কঠিন শাস্তির হুঁশিয়ারিও হাদিসে এসেছে...
১ দিন আগে